ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

লোহাগড়া লক্ষীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট দীক্ষা অনুষ্ঠানের সমাপনী


লোহাগড়া লক্ষীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট দীক্ষা অনুষ্ঠানের সমাপনী

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লোহাগড়া লক্ষীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট সদস্যদের জন্য ২ দিনব্যাপী দীক্ষা অনুষ্ঠানের সমাপনী উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে নতুন স্কাউট সদস্যদের পদচারণায় উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা উল্লেখ করেছেন, স্কাউটিং কেবল একটি সংগঠনের কার্যক্রম নয়; বরং এটি একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শৃঙ্খলা, সততা, দায়িত্ববোধ, নেতৃত্ব, মানবসেবা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নতুন স্কাউট সদস্যদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল এ দীক্ষা অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন সিকদার, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোল্যা এ,কে,এম কামরুল হাসান, লোহাগড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক আসমানী পারভীন, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক ও ফারিয়া লোহাগড়া উপজেলার সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাদ, সাংবাদিক শিমুল হাসান, মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, সমাজসেবক সৈয়দ মোস্তফা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফিরোজ হোসেন সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সিকদার বলেন, "স্কাউটরা সবসময় সৎ, দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী হয়ে কাজ করে। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহযোগিতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের মতো গুণাবলি গড়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে শৃঙ্খলাবোধ, দায়িত্বশীলতা, আত্মনির্ভরশীলতা ও মানবসেবার শিক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া হত্যা: প্রধান আসামি নাহিদসহ ২ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া হত্যা: প্রধান আসামি নাহিদসহ ২ জন গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র পশু হাসপাতালের মোড়ে বহুল আলোচিত ও নৃশংস কলেজছাত্র জাকারিয়া খাঁন (১৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি দুর্র্ধষ কিশোর গ্যাং নেতা নাহিদ হাসানকে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদেরকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, যখন তারা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি নাহিদ হাসান (২৫) সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে এবং তার সহযোগী সন্দিগ্ধ আসামি অমিত হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে। এর আগে পুলিশ এই মামলার ২ নম্বর আসামি মোহিত হাসান বনি (২০)-কে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় মোট দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গত ২ অক্টোবর (শুক্রবার) দিবাগত রাতে শহরের প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে কদমগাছতলা এলাকার একটি চায়ের দোকানে নাহিদসহ তার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যায়। দ্রুত চা পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দোকান মালিক রবিউল ইসলামের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় রবিউলের প্রতিবেশী ভাইপো বাপ্পী হাসান প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাকে মারধর করে এবং ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে।

ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় কাটিয়া এলাকার রুচিরা বেকারির স্বত্বাধিকারী আব্দুল গফুর খাঁনের ছেলে কলেজছাত্র জাকারিয়া খাঁন বাপ্পীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। তখন আসামিরা জাকারিয়াকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে নাহিদ হাসান ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বুকে আঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাকারিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এবং পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

এই ঘটনায় নিহতের ভাই মো. শাহারিয়ার খাঁন বাদী হয়ে শনিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ছাড়াও ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—মো. আরিজুল ইসলাম, ছোট ময়না, মো. জুয়েল, মো. সাগর, মো. জাকির হোসেন রনি, মো. সামি, মো. নাঈম, রাশিদুর জামান রাশেদ, মো. হুজাইফা, মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ ও মোহিত হাসান বনি।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে আসামিদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ঘাতক নাহিদকে ধরিয়ে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরষ্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছিল।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ও ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্তে অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নাহিদ ও তার সহযোগী অমিত হাসানকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান এলাকায় এক আতঙ্কের নাম। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাচেষ্টা, ছিনতাই ও সহিংসতার মামলা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল শহরের ‘ফুচকা বাংলা’র পরিচালক আজিজুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলারও প্রধান আসামি এই নাহিদ।

এদিকে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাহিদের চাচা নাসির উদ্দীন। তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতেই তাদের পরিবারকে জড়ানো হচ্ছে এবং ঘটনার সময় নাহিদসহ পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ থাকলে আইনগত ব্যবস্থার বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে তিনি জানান।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিথুন সরকার জানিয়েছেন, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তদন্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত অপরাধীদের কঠোর আইনি শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রায় বাড়ি দখলের মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


কয়রায় বাড়ি দখলের মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খুলনার কয়রায় বসতবাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোঃ আরাফাত হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তিনি ২নং কয়রা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী বাউলিয়ার পুত্র। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে এসব বিষয় তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে মোঃ আরাফাত হোসেন উল্লেখ করেন, গত ৪ অক্টোবর একই গ্রামের মজিবর শেখের ছেলে বিলাল হোসেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, বাড়িঘর ভাঙচুরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি।

প্রকৃত ঘটনা হলো, ওই সম্পত্তি আমাদের পৈত্রিক ও ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত। আমরা এবং একই এলাকার ছদা গাইনের ছেলে মানিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ওই সম্পত্তির ভোগদখল করে আসছি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ওই সম্পত্তির ওপর নতুন করে আমরা দোকানপাট নির্মাণ করেছি। দোকান নির্মাণের সময় বিলাল হোসেন আমাদের কাছে অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করেন। তার দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে হয়রানি করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আমরা উক্ত মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সাংবাদিক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে আরাফাত হোসেন সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিষয়টি যাচাই করে সত্য ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নির্দেশনা দিল স্থায়ী কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নির্দেশনা দিল স্থায়ী কমিটি

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি নির্দেশনা দিয়েছে, লোকসানকৃত চিনি কলে উৎপাদিত চিনি ব্যতিত অন্যান্য দ্রব্য দিয়ে বায়ো প্রডাক্ট তৈরী করে কীভাবে চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায় সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য।

কমিটি একইসাথে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কতটি শূন্য পদ রয়েছে এবং ইতোমধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, তার একটি প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম।

বৈঠকে সার কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর আওতাধীন বিভিন্ন সার কারখানার উৎপাদন, উৎপাদন সক্ষমতা, গৃহীত নতুন প্রকল্পসমূহ, বন্ধ সার কারখানাগুলো পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ, কারখানা পরিচালনায় বিদ্যমান সমস্যা এবং সার উৎপাদনের ব্যয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থাকে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার সুপারিশ করা হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের প্রতিটি কলকারখানার বাৎসরিক আয়-ব্যয়, জনবলের শুন্য পদ এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের চলমান উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতির একটি প্রতিবেদন বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে বৈঠক শুরু হয় এবং প্রথমে কমিটির প্রথম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন, প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থ ছাড় ও ব্যয়ের হার এবং বাস্তবায়নে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের কার্যালয় সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ, আঞ্চলিক কার্যালয়সমূহের আধুনিকায়ন এবং শিল্প খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

কমিটি শিল্পখাতে উৎপাদন বৃদ্ধি, সরকারি বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার, শিল্প প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলোর কাঙ্ক্ষিত সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে। পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা এবং অসমাপ্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, কাজী রফিকুল ইসলাম, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মনজুর এলাহী, মো. এনামুল হক এবং মাসুদ সাঈদী অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন কর্পোরেশন, দপ্তর, সংস্থা, বোর্ড ও ফাউন্ডেশনের প্রধানগণসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে ইসলামী মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি, নেতৃত্বে মাওলানা মানফুজুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


বাগেরহাটে ইসলামী মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি, নেতৃত্বে মাওলানা মানফুজুর রহমান

বাগেরহাটে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ইসলামী মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই মহাসম্মেলন আগামী ১৩ অক্টোবর বাগেরহাটের স্বাধীনতা উদ্যানে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্মেলনটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশের আহ্বায়ক মাওলানা মানফুজুর রহমান। ইতোমধ্যে সম্মেলনের প্রচার-প্রচারণা, অতিথিদের সঙ্গে সমন্বয়, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতি এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজ এগিয়ে চলছে।

আয়োজকদের প্রকাশিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আল্লামা শাহ সালাহউদ্দিন (দা.বা.)। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন মুফতি মুহিববুর রহমান বাকী নদভী। প্রধান বক্তা হিসেবে মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী এবং প্রধান আলোচক হিসেবে মুফতি আবু তাহের আল মাদানী বক্তব্য রাখবেন।

এছাড়া, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলেম-ওলামা, ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে সম্মেলনটি বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, সম্মেলনে ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা এবং সমাজে ইমাম-খতিবদের দায়িত্বসহ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনকে সুশৃঙ্খল ও সফল করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রস্তুতি ও সমন্বয় কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মাওলানা মানফুজুর রহমান বলেন, “ইনশাআল্লাহ বাগেরহাটের এই ইসলামী মহাসম্মেলন শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। জেলার ইমাম-খতিব ও ধর্মপ্রাণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সম্মেলনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%