ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে? ককরোচদের উদ্দেশে কঙ্গনা


কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে? ককরোচদের উদ্দেশে কঙ্গনা

 

ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ইন্টারনেটে আলোড়ন সৃষ্টিকারী চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির নেতৃত্বে চলা জেন জি প্রজন্মের আন্দোলন এবং এর রিলগুলোকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত।

সোমবার (২৭ জুলাই) নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই প্রজন্মের প্রতিবাদের ধরন ও ভাষা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি একে ‘বমি উদ্রেককারী’ বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে বিদেশি নাগরিককে হত্যা

একটি পোস্টে কঙ্গনা প্রতিবাদকারীদের অভিব্যক্তি ও আচরণ নিয়ে উপহাস করে লেখেন, তাদের কথা বলার ধরণ এবং ব্যবহৃত ভাষা অত্যন্ত অসম্মানজনক এবং প্রতিটি ফ্রেমই এত বেশি বেসুরো ও স্থূল যে তিনি জীবনে কখনো এমন কিছু দেখেননি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, ইউউউ, কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?

আন্দোলনকারীদের প্রধান প্রতীক ‘তেলাপোকা’ বা ‘ককরোচ’ রূপকটিরও তীব্র সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তিনি লেখেন, প্রতিবাদকারীরা নিজেদের তেলাপোকা বলে ডাকছেন এবং তাদের আচরণও ঠিক তাদের মতোই। এখানে কোনো প্যারাডক্স বা বৈপরীত্য নেই, বরং এটি কেবল পৃথিবীকে তাদের নোংরা ও কদর্যতায় ডুবিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়। ইনস্টাগ্রাম স্টোরির শেষাংশে তিনি যোগ করেন যে এই রিলগুলো দেখে তিনি মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়েছেন।

 

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে একাধিক দফার বৈঠকের পর গত সপ্তাহে সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। কেন্দ্রীয় সরকার তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি মেনে নেওয়ার পর আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা দেয় গোষ্ঠীটি।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের লিডার কেন্তা ফিরোজ আটক

ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রস্থানের পর নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটি কাপ্তাই হ্রদের মাছ আহরণ শুরু হবে আগামী ১০ আগস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ এম


রাঙ্গামাটি কাপ্তাই হ্রদের মাছ আহরণ শুরু হবে আগামী ১০ আগস্ট

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলরাশি রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে মাছ ধরা উন্মুক্ত হবে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ ও বাজারজাতকরণের অনুমতি প্রদান সংক্রান্ত কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক ও হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিব নাজমা আশরাফী এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এদিন থেকে হ্রদে মাছ আহরণ করা যাবে।

হ্রদে ৩ মাস ১৫ দিন মাছ আহরণ বন্ধ রাখার পর অবশেষে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটি। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, চলতি মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশবৃদ্ধি ও উৎপাদনের লক্ষ্যে ২৫ এপ্রিল থেকে তিন মাসের জন্য মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। বর্তমানে সুষ্ঠুভাবে প্রজনন মৌসুম সম্পন্ন হওয়ার পর ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিব ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ, ব্যবসায়ী সমিতি ও জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ১১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে হ্রদের মাছ আহরণ, পরিবহণ ও বিপণন করা যাবে।

কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিশাত শারমিন, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন, রাঙ্গামাটি বিএফডিসির ব্যবস্থাপক কমান্ডার ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বিএফআরআই প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হায়দার হোসেন, মৎস্য ব্যবসায়ী উদয়ন বড়ুয়া, মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ মাহফুজ, মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল শুক্কুরসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী ভোটার ব্লক হিসেবে উজ্জ্বল হচ্ছে জেন জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ এম


ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী ভোটার ব্লক হিসেবে উজ্জ্বল হচ্ছে জেন জি

ভারতের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই দেশে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে রূপ নিতে চলেছে জেন জি বা জেনারেশন জেডের তরুণ-তরুণীরা। একারণে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব উপেক্ষা করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না।

সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনাটি স্পষ্ট করে তুলেছে যে সরকার দেশের তরুণ সমাজকে এখন আর এড়িয়ে চলতে পারে না। নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনটি দ্রুত শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে একটি বৃহত্তর জাতীয় আলোচনায় পরিণত হয়, যা প্রমাণ করে যে ডিজিটালভাবে সংযুক্ত ভারতীয় যুবসমাজ কত দ্রুত জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

জনসংখ্যার পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সি জেন জি প্রজন্মের জনসংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটিতে পৌঁছাবে, যার মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ এবং ১৮ কোটি ২০ লাখ নারী। এর মাধ্যমে তারা মিলেনিয়াল প্রজন্মকে পেছনে ফেলে ভারতের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে পরিণত হবে। এই জনমিতিক পরিবর্তনের প্রভাব কেবল সংখ্যার পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়; জেন জি প্রজন্ম দেশের বৃহত্তম ছাত্র সমাজ, প্রথমবার ভোটদাতা ভোটার এবং কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করবে।

ফলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন ও সুশাসনের মত ইস্যুগুলো রাজনৈতিক ময়দানে আরও বেশি গুরুত্ব পাবে।

ভারতের জনসংখ্যা ধীরে ধীরে বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে সামগ্রিক ভোটারদের মধ্যে তরুণদের অনুপাত কিছুটা কমলেও, জেন জি তাদের বিশাল সংখ্যা, অভূতপূর্ব ডিজিটাল সংযোগ এবং দ্রুত সংঘবদ্ধ হওয়ার ক্ষমতার কারণে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। সামগ্রিক জনসংখ্যার রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শিশুদের অনুপাত হ্রাসের পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভারত বয়সসীমার দিক থেকে প্রবীণ হওয়ার সাথে সাথে ঐতিহ্যগত জনমিতিক লভ্যাংশ ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসছে, যা বর্তমান সময়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলছে। জেন জি এমন একসময়ে প্রাপ্তবয়স্ক শ্রেণীতে পা রাখছে যখন তারা দেশের বৃহত্তম এবং রাজনৈতিকভাবে সচেতন প্রজন্মে পরিণত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে একটি সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনবে।

সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীতাকুণ্ডের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর দীর্ঘ পথচলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫০ এম


সীতাকুণ্ডের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর দীর্ঘ পথচলা

সীতাকুণ্ডের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে রাজনীতি করছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়ন মো. আসলাম চৌধুরী এফসিএ।

সীতাকুণ্ড হলো চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এলাকা। এখানে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে আসলাম চৌধুরী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন। এই এলাকায় শিল্প, বাণিজ্য এবং সম্ভাবনার কারণেই সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোগত চাপ, যানজট, পরিবেশগত ঝুঁকি ও শিক্ষার উন্নয়ন।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সীতাকুণ্ডের রাজনীতিতে অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নেতাদের ভূমিকা অপরিহার্য। অধ্যাপক লায়ন মো. আসলাম চৌধুরী বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েও আসলাম চৌধুরী সাংগঠনিক সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তার সংগঠনকে সচল রাখতে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করার ভূমিকা রয়েছে।

সীতাকুণ্ডের স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণ বর্তমানে এমন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন যারা শিল্পায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের আস্থা, জনসম্পৃক্ততা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতার প্রধান মানদণ্ড হয়ে উঠবে।

অধ্যাপক লায়ন মো. আসলাম চৌধুরী এফসিএ এই অঞ্চলের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছেন। সমর্থকদের প্রত্যাশা, তিনি এলাকার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও দাবিগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সীতাকুণ্ডে রাজনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সংসদে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেসের উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ এম


ভারতের সংসদে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেসের উত্তেজনা

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করার পর সোমবার ভারতের সংসদে পৌঁছলে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিজেপি ও এনডিএ জোটের সংসদ সদস্যরা। সংসদ চত্বর ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল কংগ্রেস তীব্র সমালোচনা করেছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধান সংসদে উপস্থিত সবার উদ্দেশে গাড়ি থেকে নেমে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা জানান। পরে বিজেপি ও এনডিএর সংসদ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরলে, এক পর্যায়ে একজন এমপি তার মাথায় ঐতিহ্যবাহী টুপি পরিয়ে দেন এবং কাঁধে শাল তুলে দেন। ওড়িশ্যার এই নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।

কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য রেণুকা চৌধুরী এ ঘটনার সমালোচনা করে বলেন, ‘বিলকিস বানোর ধর্ষণ মামলার দণ্ডিতদের ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করেছিল। এটাই তাদের অভ্যাস।’ ২০২২ সালে গুজরাট সরকার ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় বিলকিস বানোকে ধর্ষণ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করার দায়ে দণ্ডিত ১১ ব্যক্তিকে ‘ভালো আচরণের’ ভিত্তিতে আগাম মুক্তি দেয়। কারামুক্তির পর গোধরা কারাগারের বাইরে তাদের মিষ্টি খাইয়ে ও পা ছুঁয়ে শুভেচ্ছা জানান স্বজনরা। এই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের মুখে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ওই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাবলি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের তরুণরাই দেশের প্রকৃত শক্তি। দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্তির চক্রে আটকে পড়তে দেওয়া যাবে না।’

অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দাবি করছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তাই তারা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%