মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে ফরহাদ হোসেন (২৫) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে কিশোর গ্যাং সদস্যরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে বিরোধের জেরে আরশিনগরের একটি সেলুনে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় ফরহাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরশিনগরের মেম্বার গলিতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ভোলায়।
ফরহাদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা বন্ধু আরিফ জানান, তিনি মোহাম্মদপুরের মহিরগোলা এলাকায় ফুটপাতে মাছের ব্যবসা করতেন। সেখানে (এলেক্স গ্রুপ) কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা, যার মধ্যে আরমান, সোহেল, কাল্লু, সাব্বিরসহ ১০/১৫ জন ছিল, ফরহাদকে জানিয়েছিল যে, এখানে ব্যবসা করতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। তারা এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতিদিন আলাদা করে চাঁদা দিতে হবে বলেছিল। ফরহাদ এই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
আরিফ আরও জানান, আজ দুপুরে ফরহাদ তাদের বাসার কাছাকাছি আরশিনগর এলাকার একটি সেলুনে চুল কাটাতে যান। সেখানে সাব্বির ও আরমানের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে ঢামেকে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার বারহাট্টায় গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিউলী রানী দাস (২৬) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি নিজ বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হন।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিউলী রানী দাস উপজেলার বৃ-কালিকা গ্রামের মিন্টু চন্দ্র দাসের স্ত্রী।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে বৃ-কালিকা গ্রামের মিন্টু চন্দ্র দাসের বাড়িতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে আগুন জ্বলতে দেখে এগিয়ে আসেন। এ সময় শিউলী রানী দাস গ্যাসের চুলায় রাতের রান্না করছিলেন। রান্না শুরু করার পরপরই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তখন ভাতের চাল চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে।
বিস্ফোরণের সময় ঘরে শিউলী রানী দাসের দুই শিশু সন্তানও উপস্থিত ছিল। স্থানীয়দের মতে, শিউলী প্রথমে দুই সন্তানকে ঘর থেকে বের করে দেন। পরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
প্রতিবেশী কাজল চন্দ্র দাস বলেন, "আগুনে মিন্টু চন্দ্র দাসের ঘরের সব কিছু পুড়ে গেছে। শিউলী রানী দাসের শরীরের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।" স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অপর প্রতিবেশী নারায়ণ চন্দ্র দাস জানান, শিউলী রানী দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
বারহাট্টা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার বিপুল কুমার ঘোষ বলেন, "গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিউলী রানী দাসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও সক্ষম করার লক্ষ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সংশ্লিষ্টদের যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ইউএনডিপির সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, "জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।" তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির কারিগরি অভিজ্ঞতা সরকারের জন্য সহায়ক হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, "স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও এসডিজি বাস্তবায়নের বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত।" তাই উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতি ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথভাবে এমন কর্মসূচি আয়োজন করা গেলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার আসাদুজ্জামান ও আনোয়ারুল হক, আন্তর্জাতিক প্রকল্প ব্যবস্থাপক যুগেশ প্রধানাং এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলায় দিনাজপুরে ১০ হাজার তাল গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় দিনাজপুর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফাজিলপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিরামপুর বসাকপাড়া-বুড়িরহাট, সংযোগ সড়কের দুই পাশে ১ হাজার তাল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশন সদর দপ্তরের প্রতিনিধি এক্সিকিউটিভ সেলসম্যান তাওহীদ মো. ফয়সালুল বারী এই তথ্য বাসসকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দিনাজপুর জেলার সব উপজেলায় বজ্রপাত প্রতিরোধের জন্য আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ১০ হাজার তাল গাছ রোপণের কার্যক্রম আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
স্কয়ার গ্রুপের কৃষিবিদ মো. আব্দুল হালিম বাসসকে বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে ঝড়, বন্যা, খরা, সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস এই দেশের জন্য নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ‘বজ্রপাত’ প্রতি বছর অসংখ্য মানুষের জীবনকে নীরবে কেড়ে নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বজ্রপাতের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, এবং এর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিগত ৪০ বছরে বাংলাদেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বজ্রপাতে হতাহতের মধ্যে কৃষক শ্রেণির একটি বড় অংশ রয়েছে, যারা খোলা মাঠে কাজ করে।
তাহলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বজ্রপাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশন পাবনার চাটমোহর উপজেলায় ৫০০ টি তালের চারা রোপণের মাধ্যমে সারাদেশব্যাপী বজ্রপাত প্রবণ এলাকায় তালের চারা রোপণ কর্মসূচির সূচনা করেছে।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজ সুরভি আক্তার, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু বোরহান, ইউপি সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম, স্কয়ার প্রতিনিধি জোনাল সেলস ম্যানেজার কৃষিবিদ আসাদুল্লাহ আরমান আলী, ফিল্ড ম্যানেজার নুর আলম সাগর, এসডিও আব্দুল্লাহ আল হাসিব ইমনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার রহস্য দ্রুত উদঘাটন, দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে রাজশাহী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। মানববন্ধনে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়া ও অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর বিষয়ে তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার দাবি জানানো হয়। বক্তাদের দাবি; সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে-এমন কোনো তথ্য মানববন্ধনে উপস্থাপন করা হয়নি।
একই সঙ্গে দেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা বরজাহান আলী, রাজশাহী স্বার্থ রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হাসনাইন হিকল, সিনিয়র সাংবাদিক ও এটিএন বাংলার সুজা উদ্দিন ছোটন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন এবং সাংবাদিক আজিবর রহমান।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ