ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় ও অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সদ্য প্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এসব গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।

সালাহীউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন আইনটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে; এ অভিবাসী চোরাচালানকে অপরাধ হিসেবে দমন ও বিচারের জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে; পাশাপাশি তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা জোরদার করেছে; ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা আরও শক্তিশाली করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করেছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবিলায় আধুনিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও জোরদার করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

জাতীয় পর্যায়ের এই অবহিতকরণ অনুষ্ঠানটি আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নতুন আইন সম্পর্কে একটি অভিন্ন ও সুস্পষ্ট ধারণা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে। এতে অংশগ্রহণকারীরা আইনটির মূল বিধান ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেন। তদন্ত থেকে বিচার নিষ্পত্তি পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার করাসহ আইনটির কার্যকর প্রয়োগের অগ্রাধিকারগুলোও আলোচনায় উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা এবং প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন। এরপর আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যৌন নির্যাতন মামলায় বিপুল অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


যৌন নির্যাতন মামলায় বিপুল অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও মানহানির মামলায় ক্ষতিপূরণের অর্থ লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই. জিন ক্যারল হাতে পেয়েছেন। মোট ৫৬ লাখ ২৫ হাজার ৫ ডলার ৪৮ সেন্ট সুদসহ তার আইনজীবীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে জুরির দেওয়া রায়ের পর অবশেষে এই অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া শেষ হলো।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আদালতের নথিতে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বিচারক লুইস ক্যাপলানের নির্দেশে এ অর্থ ছাড় করা হয়। এর আগে ট্রাম্প মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে নিতে চেয়েছিলেন তবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। ট্রাম্প পরে পুনর্বিবেচনার আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ পরিশোধ স্থগিত রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সেই আবেদনেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আদালতে দাখিল করা নথিতে ক্যারলের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই অর্থ তিনি তার অবসরজীবনের জন্য সংরক্ষণ করবেন। তবে ট্রাম্পের পুনর্বিবেচনার আবেদন চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থটি একটি সুদবাহী ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে।

তবে ট্রাম্প এখনও আইনি লড়াই থেকে সরে আসেননি। গত শুক্রবার তার আইনজীবীরা ফেডারেল আপিল আদালতের কাছে অর্থ হস্তান্তর স্থগিতের আবেদন করেছেন। তারা দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট পুনর্বিবেচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত অর্থ ছাড় দেওয়া উচিত নয়। আরো বলেছেন, যদি অর্থ হস্তান্তর হয়ে থাকে তবে সেটি আদালতের নিয়ন্ত্রণাধীন হিসাবে ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করেছেন। যদিও জরুরি ভিত্তিতে অর্থ ছাড় স্থগিতের আবেদন আগেই আপিল আদালত খারিজ করে দিয়েছে। সর্বশেষ আবেদনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বর্তমানে ৮২ বছর বয়সী ই. জিন ক্যারল পূর্ণ অর্থই পাবেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। তারা জানান, চুক্তিভিত্তিক পারিশ্রমিকে মামলাটি পরিচালনা করলেও ক্ষতিপূরণের এই অর্থ থেকে তারা কোনো আইনগত ফি নেবেন না।

এক বিবৃতিতে ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা ক্যাপলান মন্তব্য করেছেন, তিন বছর আগে নয় সদস্যের সর্বসম্মত জুরি ট্রাম্পকে ই. জিন ক্যারলের ওপর যৌন নির্যাতন এবং পরে তাকে মানহানির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। আজকের ক্ষতিপূরণের অর্থ সেই রায়ের ভিত্তিতে পেয়েছেন।

ই. জিন ক্যারল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা প্রথম নারী নন। তবে তিনিই প্রথম এই অভিযোগ আদালতে পূর্ণাঙ্গ বিচারে নিয়ে যান। তিনি আদালতে সাক্ষ্যে বলেন, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউইয়র্কের একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ট্রাম্প তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন। প্রথম বিচারে ট্রাম্প আদালতে উপস্থিত না থাকলেও প্রকাশ্যে অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন ক্যারল তার পছন্দের নারী নন এবং বই বিক্রির জন্য তিনি এসব অভিযোগ তুলেছেন। জুরি এসব বক্তব্যকে মানহানিকর বলে রায় দিয়েছিল। যৌন নির্যাতনের দায়ও প্রমাণিত হওয়ায় ক্যারলকে ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে সিএনএনের এক টাউন হল অনুষ্ঠানে তিনি আবারও ক্যারলকে কটাক্ষ করে 'পাগল' আখ্যা দেন এবং অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ বানানো গল্প' বলে দাবি করেন। ২০১৯ সালের মানহানি মামলায় নতুন এসব মন্তব্যও যুক্ত করেন ক্যারল।

দ্বিতীয় বিচারে ট্রাম্প আদালতে হাজির হন এবং অল্প সময়ের জন্য সাক্ষ্যও দেন। ওই মামলায় জুরি রায় দেন, ২০১৯ সালে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যও মানহানিকর ছিল। এজন্য ক্যারলকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ট্রাম্প এই রায়ের বিরুদ্ধেও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়মুক্তি সংক্রান্ত যুক্তি বিবেচনার জন্য চলতি মাসের শেষ দিকে তার আবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ১৪জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


সাভারে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ১৪জন আটক

সাভারের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির সময় পুলিশ ১৪ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটক হওয়া ১৪ জনের মধ্যে রয়েছে: ইব্রাহিম (২৩), সাগর মোল্লা (৪০), মোহাম্মদ আলী (৩৭), রাজু আহমেদ (৩২), অলিল মিয়া (৪২), রাজিব সরকার (৩১), প্রদীপ কুণ্ড (৪০), শহীদ হোসেন (৫৭), রতন রাজবংশী (৪৫), মোকসেদুর রহমান সোহাগ (১৮), হৃদয় হোসেন (২০), জীবন সাহা (২০), মোকাম্মেল হোসেন পারভেজ (৩০) এবং সজীব মিয়া (২৪)। এ সময় ৪টি হাইস গাড়ি, ৭টি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যানার জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নে ভাঙা ব্রিজ এলাকায় ঘটে। পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী ব্যানার ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ও ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ১৪ জনকে আটক করার পরও কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটকদের মধ্যে কয়েকজন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠানের চালক এবং বাকিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশের দাবি, গত কয়েক মাসে ভাঙা ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৮ থেকে ১০টি ঝটিকা মিছিল হয়েছে। এসব কর্মসূচির কারণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ২০ থেকে ২৫ মিনিট যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে পুলিশ অনলাইন কার্যক্রম, গুজব ছড়ানো বা বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তিদের অর্থায়নের বিষয়ে যে তথ্য দিয়েছে, সেসবের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নুর মোহাম্মদ বলেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং সাভার মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরীপুরে ৩ নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ আত্মকর্মসংস্থানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ হুমায়ুন কবির গৌরীপুর ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


গৌরীপুরে ৩ নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ আত্মকর্মসংস্থানে

নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে তারেক রহমান এবং গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ১৫ জুলাই বেলা ১১ টায় গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং গৌরীপুর পৌরসভার প্রশাসক সুনন্দা সরকার প্রমা।

গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি শাহজাহান কবির হিরা-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ. টি. তোফাজ্জল হোসেন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বেগ ফারুক আহাম্মেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সহসভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিচালিত যুব সেলাই প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া তিনজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীর হাতে একটি করে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেছেন, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে পরিবার ও সমাজ উভয়ই উপকৃত হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়ংকর পানামা জঙ্গল পেরিয়ে যেভাবে আমেরিকায় গেছে লাখো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


ভয়ংকর পানামা জঙ্গল পেরিয়ে যেভাবে আমেরিকায় গেছে লাখো মানুষ

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনালড ট্রাম্প কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভিতরে অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ধরপাকড় চলছে। এত কঠোর নীতির মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রে এখনো কিছু আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই সব চক্রের খপ্পরে পড়ে অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী চরম ঝুঁকিতে জীবনকে ফেলেন। স্বপ্নের দেশে অবৈধ উপায়ে পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকেই মৃত্যুমুখে পতিত হন।

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে সংযোগকারী একমাত্র স্থলপথ 'ড্যারিয়েন গ্যাপ' যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে বিপদ ছড়িয়ে আছে। এখন পর্যন্ত ঠিক কতজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই ভয়ংকর পথ পাড়ি দিতে গিয়ে, সেই সংখ্যাটিও অজানা। তারপরও, প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী এই শঙ্কাজনক পথ পাড়ি দিতে মোটা অঙ্কের ডলার খরচ করে। উন্নত জীবনের আশায় বারবার তারা চেষ্টা করে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির পর কথা উঠেছে বিশ্বের অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক রুটগুলোর মধ্যে এই ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’ সম্পর্কে।

এই ঘন জঙ্গল ও জলাশয়ে ঘেরা পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার। পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বিভিন্ন কারণে, বন্যপ্রাণীর আক্রমণ, ভূমিধস, বন্যা, কাদামাটিতে তলিয়ে যাওয়া অথবা সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি হওয়া—এ সব নিয়ে অনেককেই নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।

শেষ পর্যন্ত, এই বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হন হাতে গোনা কয়েকজন, যাদের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডা। কলম্বিয়াকে পানামার সঙ্গে যুক্ত করা দুই মহাদেশের মধ্যে এই স্থলপথ গত কয়েক বছরে অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক রুট হয়ে উঠেছে।

প্যান আমেরিকান হাইওয়ের অন্তর্ভুক্ত Alaska থেকে Argentina পর্যন্ত বিস্তৃত মহাসড়কের একটি ছোট অংশ হল এই ড্যারিয়েন গ্যাপ। আদতে এটি কোনও রাস্তা নয়। যারা এই ড্যারিয়েন গ্যাপ পাড়ি দিতে যায়, তাদের মুখোমুখি হতে হয় খাড়া পর্বত, কর্দমাক্ত জলাভূমি, স্রোতস্বিনী নদী এবং বিপজ্জনক বন্যপ্রাণীর। বৃষ্টির দিনে এই পথ হয়ে ওঠে আরও বিপজ্জনক। বিষাক্ত সাপ, পোকামাকড় এবং জাগুয়ার দ্বারা ভরা এই জঙ্গল। সেখানে কুমির ও মশার আতঙ্কও রয়েছে।

এই পথের আরও বড় বিপদ হলো মাদক চোরাচালানকারী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। যারা ড্যারিয়েন গ্যাপ নিয়ন্ত্রণ করছে। মাদক চোরাচালানের এই রুটে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়ই ডাকাতি এবং নির্যাতনের শিকার হন। তবে যারা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে মরিয়া, তাদের জন্য এই পথ এড়ানো যত কঠিন। দফায় দফায় সন্ত্রাসী এবং মানব পাচারকারীদেরকে শত শত ডলার দিতে হয়। কারণ, মোবাইল ছাড়া একমাত্র এই গাইডরাই ভয়ংকর এই পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন।

ভয়ংকর এই ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’-এর আরেক পরিচিত নাম ডাঙ্কি রুট। এশিয়ানরা প্রথমে এই পথে মধ্য আমেরিকার দেশ পানামা, কোস্টা রিকা, এল সালভাদোর এবং গুয়াতেমালাতে প্রবেশ করে, যেখানে ভিসা পাওয়া সহজ। এরপর গন্তব্য মিনেক্সিকো, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্র। ভয়ংকর এই রুট পাড়ি দিতে মানবপাচারকারীদের সহযোগিতা নেয় অনেকেই, দিতে হয় হাজার হাজার ডলার।

কলোম্বিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসন ব্যবসা থেকে প্রতি বছর গাল্ফ ক্ল্যান একাই ৩ কোটি ডলার আয় করে। দশক ধরে গাল্ফ ক্ল্যান হিসেবে পরিচিত কলোম্বিয়ার সন্ত্রাসীরা এই রুট দিয়ে মাদক পাচার করে আসছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, এই রুট বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক অভিবাসন রুটে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী ঘন এই জঙ্গলের পথ পাড়ি দিতে চেষ্টার মধ্যে থাকে উন্নত জীবনের খোঁজে। কিন্তু যাত্রাপথে অনেকেই তাদের জীবন দিতে হয়। ভেনেজুয়েলা, হাইতি, ইকুয়েডর, পাকিস্তান, ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশীরাও এই বিপজ্জনক রুট পাড়ি দিতে যাচ্ছে। ৭ থেকে ১৫ দিনের এই যাত্রায় অনেকেই জীবদ্দশায় নরকের দৃশ্য দেখে ফেলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%