মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সেবাপ্রার্থী জানিয়েছেন, ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে হচ্ছে তাদের।
সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সরকারি ফি ও নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত টাকা না দিলে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফাইলের দিকে হাত দেন না। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের চড়া দামে দালালদের কাছে যেতে হয়। তারা জানান, দালালের মাধ্যমে দরদাম করে টাকা বুঝিয়ে দিলে কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের চারপাশে প্রায় এক ডজন ব্যক্তি নিয়মিত দালালি করেন। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, নামজারি, খারিজ, খতিয়ান, দাখিলা, জমির বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহসহ নানা কাজে সেবাপ্রত্যাশীদের দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বাইরে অনেক সেবাপ্রার্থী অপেক্ষা করছেন। ভূমি কর্মকর্তা মোবারক হোসেনের রুমে তালা মারা ছিল।
এ সময় একাধিক সেবাপ্রার্থী দাবি করেন, তাদের মধ্যে ডজন খানেক দালাল রয়েছে। অফিসের ভেতরে এমরান হোসেন নামের এক অফিস সহায়ককে দেখা যায়, যিনি দালালদের কাছ থেকে কাগজপত্র ও টাকা বুঝিয়ে নিচ্ছেন।
ভূমি কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে দুইজন দালাল বলেন, “উনি মন চাইলে আসেন, মন না চাইলে আসেন না। তবে বাসায় বসে কাজ করেন। মাঝে মাঝে এসে হাজিরাখাতায় স্বাক্ষর করে দুই-চার ঘণ্টা পর খরচসহ কাগজপত্র নিয়ে বাসায় চলে যান।”
এদিকে, দীন-মোহাম্মদ, দুলাল, সুলতান ও মোহাম্মদুল্লাহসহ কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিক আসছে শুনে দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়েন। তারা দালাল বলে জানান উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি।
জানা গেছে, উপজেলার চরবাদাম ও চরপোড়াগাছা দুই ইউনিয়ন মিলে একটি মাত্র ভূমি অফিস রয়েছে। এ দুই ইউনিয়নে বেশকিছু খাস জমি রয়েছে। ওই খাস জমি ঘিরে রমরমা বাণিজ্য ভূমি অফিসে চলছে। খাস জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া ও রশিদ কাটার নামে বেপরোয়া বাণিজ্য চলছে এ অফিসে। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য সেবাপ্রার্থীরা এলে তাদের ২০ থেকে ৩০ বছরের বকেয়ার হিসাব দেওয়া হয়। পরে তাদের সঙ্গে দরদাম (চুক্তি) করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, টাকা নিয়ে দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার একটি খাজনার দাখিলা ধরিয়ে দেওয়া হয়- এমন অভিযোগ চরবাদাম ইউনিয়নের কারামতিয়া এলাকার বাসিন্দা আবদুর রশিদের। তিনি জানান, তার সাড়ে চার একর জমির ১৮ বছরের বকেয়া হিসাবে ৫৫ হাজার টাকার খাজনা আসে। পরে সেখান থেকে কাটছাট করে ২৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই টাকা নিয়ে তহসিলদার তাকে পাঁচ হাজার টাকার একটি খাজনার দাখিলা ধরিয়ে দেন।
হারুন বাজার এলাকার জহিরুল হক বলেন, জমা খারিজের সরকার নির্ধারিত ফি ১১৭০ টাকা হলেও তিনি দালালের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা দিয়ে জমা খারিজ সম্পন্ন করেন।
এছাড়া জমিজমা বিরোধ নিয়ে আদালতের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে দুই পক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ করেন মামলার দুজন বাদী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মামলার একজন বাদীর দাবি, একটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দিতে তহশিলদারকে তিনি ২০ হাজার টাকা দিয়ে তারপক্ষে প্রতিবেদন নেন।
আরেকজনের অভিযোগ, তিনি চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে না পারায় প্রতিবেদন তার বিরুদ্ধে দেন তহশিলদার মোবারক।
ভুক্তভোগী দাবি করা কয়েকজনের ভাষ্য, সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে সেবা নিতে গেলে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়। অথচ পরিচিত দালালের মাধ্যমে গেলে দ্রুত কাজ হওয়ার আশ্বাস মেলে। এ কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে দালালের শরণাপন্ন হন।
ভূমি অফিসে দালালনির্ভরতার অন্যতম কারণ হিসেবে স্থানীয় ভূমি-প্রক্রিয়া, সাধারণ মানুষের ভূমি আইন সম্পর্কে সীমিত ধারণা এবং অফিসে তথ্যপ্রাপ্তির অসুবিধার কথা বলছেন অনেকে। ফলে একটি শ্রেণি সাধারণ মানুষের অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মধ্যস্থাকারী হিসেবে কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।
সেবাপ্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, “যখনই অফিসে আসি, তখন শুনি কর্মকর্তা নেই। অফিস সহায়ক এমরান অফিসকে বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত করেছেন। সকালে খালি পকেটে এসে বিকেলে পকেট ভরে টাকা নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অথচ এসব দেখার কেউ নেই।”
আরেক সেবাপ্রার্থী ইয়াছিন বলেন, “ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে দালাল নিয়োগ করা হয়েছে। তারা দালালদের কাজ আগে করেন। এজন্য মানুষ দালাল ধরে।” তিনিও ১১৭০ টাকার একটি জমাখারিজ ১০ হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন বলে জানান ইয়াছিন।
তবে এসব অভিযোগ স্বীকার করে অফিস সহায়ক এমরান হোসেন বলেন, “আগে দালাল আরো বেশি ছিল। এখন তো অনেক কম।” অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয় তিনি বলেন, “টুকটাক কিছু না নিলে আমরা চলবো কীভাবে?”
দালালদের দৌরাত্ম্য ও ঘুষের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন বলেন, “আগের তুলনায় দালাল এখন কম। সব তাড়িয়ে দেবো। কাজ করে দিলে মানুষ খুশি হয়ে আমাদের কিছু দেয়। আপনি এসে চা খেয়ে যাবেন কিন্তু।”
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, “ওই ভূমি অফিসের অনিয়ম সম্পর্কে আমিও বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহকদের দেখানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পালকে ঢাকায় আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নেওয়া স্বর্ণালংকারগুলোও।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন এবং জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রণজিত পালকে আটক করা হয়।
আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের মালিক। তিনি শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রণজিত প্রায় ৩০ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর বাজারে সোনার ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে অন্যান্য সোনা ব্যবসায়ীরা তাকে গহনা দিতেন। তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে গহনা নিয়ে গ্রাহকদের দেখাতেন এবং বিক্রিও করতেন।
সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর বাজারের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে একইভাবে গ্রাহকদের দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নেন রণজিত। পরে গহনাগুলো ফেরত না দিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নিজের দোকান খোলা থাকলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি শাঁখারিপাড়ার ভাড়া বাসাতেও তিনি ছিলেন না। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয় যে, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে গেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।
তমা শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী পলাশ কুরী বলেন, "সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ তাকে আটক করেছে।"
লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার জানান, "বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২২ ভরি সোনা নিয়ে পলাতক ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ। পুরো সোনাসহ তাকে আটক করা হয়েছে। এ জন্য আমরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।"
লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, "অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে লক্ষ্মীপুর আনা হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে তাকে এই পদে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানকে দুই বছরের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে মনোনীত করা হয়েছে।
অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) মহাসচিব হিসেবেও কাজ করছেন। এছাড়া, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক কমিটির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী দুই বছর অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র স্কুলরোডে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে একতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার শতভাগ ডিজিটাল আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে।
২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ফিতা কেটে একতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফ হাসান। উদ্বোধনের পর দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত শেষে একতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের স্বত্তাধিকারী ধনপতি রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আমিন।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিজয় কুমার রায়, বোচাগঞ্জ থানার (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সফিকুল আলম।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, মানুষের ৫টি মৌলিক অধিকারের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা একটি অন্যতম মৌলিক অধিকার। বক্তারা প্রত্যাশা করেন যে, একতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে এবং তাদের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সংবাদকর্মী, পল্লী চিকিৎসক এবং এলাকার সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : হবিগঞ্জে আজ ‘আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভার আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে, সবার জন্য বাংলাদেশ নামক একটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে।
সংগঠনের হবিগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাহিত্য সম্পাদক সাংবাদিক কলামিস্ট রিয়াদুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন সংগঠনের হবিগঞ্জ শাখার উপদেষ্টা আলী হোসেন, অ্যাড. আব্দুল মোতালিব, হবিগঞ্জ সুরবিতানের আবুল ফজল, বাউল শিল্পী আবুল সরকার, সাংস্কৃতিক কর্মী শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু, সঙ্গীত শিল্পী রাসেল উদ্দিন, সাংবাদিক মীর আব্দুল কাদির, প্রবাল কান্তি রায়, আসাদ উদ্দিনসহ আরও অনেকে। সভায় বৈষ্যমহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ