ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

দিল্লিতে বিমসটেকের বৈঠকে অংশ নেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


দিল্লিতে বিমসটেকের বৈঠকে অংশ নেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের জোট বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এই আঞ্চলিক আয়োজন আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হবে এবং বাংলাদেশের চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ছয় সদস্যদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পূর্বদিন, অর্থাৎ ১২ অক্টোবর, সদস্যদেশগুলোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। এর আগের দিন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠক পরিচালনা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর গুরুত্ব

অন্য সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ভুটানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুংতেন দর্জি, মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল কো কো ও, নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং, শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দনা আবেরতেœ এবং থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসাক থংস্রির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সম্মেলনে আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে মানব পাচার, মাদক ও রাসায়নিকের অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সমন্বয় বৃদ্ধির কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিমসটেকের সন্ত্রাসবাদ দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধবিষয়ক যৌথ কার্যকরী দলের একাদশ বৈঠকের সুপারিশগুলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে বিমসটেক, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। এই জোটের সাত সদস্যদেশ হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। বিমসটেকের সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত এবং ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত হননি। ভারত তাকে ওই অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আমন্ত্রণটি ছিল বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাজিব খানকে মামলা দেওয়ার হুমকি নার্স সোনিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাজিব খানকে মামলা দেওয়ার হুমকি নার্স সোনিয়ার

সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে সাড়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক মোঃ রাজিব খানকে মামলা ও আইনি হয়রানির হুমকি দিয়েছেন অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স সোনিয়া আক্তার। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের (সদর হাসপাতাল) এই নার্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওযাইফারি কাউন্সিল রেজিস্ট্রার, (বি এন এমসি), (বিজিএনএম) মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে এবং থানায় লিখিত অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে আসায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এই হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ রাজিব খান জানান, কাঁঠালিয়া থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ এবং ব্যাংক ও রেমিট্যান্স লেনদেনের অকাট্য দাপ্তরিক প্রমাণের ভিত্তিতেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু নিজের অপরাধ ঢাকতে ও সত্য ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত সোনিয়া আক্তার এখন সাংবাদিককে মুঠোফোনে মামলা ও নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট: কাঁঠালিয়া থানার দক্ষিণ আনইলবুনিয়া গ্রামের মো: রিফাত হোসেনকে একটি সরকারি হাসপাতালে 'অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট' পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন ও ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে সর্বমোট ৬,১০,০০০ টাকা নেন সোনিয়া আক্তার। পরবর্তীতে চাকরি না হওয়ায় রিফাত টাকা ফেরত চাইলে তিনি মাত্র ৫৫,০০০ টাকা ফেরত দিয়ে অবশিষ্ট ৫,৫৫,০০০ (পাঁচ লাখ পঞ্চান্ন হাজার) টাকা আত্মসাৎ করেন। এই নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওযাইফারি কাউন্সিল রেজিস্ট্রার, (বি এন এমসি), (বিজিএনএম) মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে এবং কাঠালিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ: সত্য প্রকাশ করায় সাংবাদিককে মামলা ও হয়রানির হুমকি দেওয়ায় ঝালকাঠি ও কাঁঠালিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সাংবাদিক নেতারা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত বলে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন।

সাংবাদিক মোঃ রাজিব খান এই বিষয়ে নিজের নিরাপত্তা ও পেশাগত সুরক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। কাঁঠালিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মূল প্রতারণার ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি সাংবাদিককে হুমকির বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগরকান্দায় সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে একই পরিবারের ৫ জন কুপিয়ে জখম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ এম


নগরকান্দায় সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে একই পরিবারের ৫ জন কুপিয়ে জখম

ফরিদপুরের নগরকান্দায় তাস খেলায় সুদে টাকা দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে একই পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে প্রতিপক্ষের দ্বারা।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানিয়েছেন, টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। তবে কিসের টাকা সেটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। এ ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আহতদের উদ্ধার করে বিকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অপরপক্ষের ৪ জনও আহত হয়ে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল গ্রামের হানিফ রানার সমর্থক আয়ুব আলী মিয়া ও ফজলুল হকের সমর্থক আলমগীর মিয়ার মধ্যে তাস খেলাকে কেন্দ্র করে সুদের পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। দুপুরে টাকা পাওনাদার আয়ুবের নেতৃত্বে আলমগীরকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ফজলুল হকের ভাই ইয়ার আলী ও সুজন বাধা দিলে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এরপর হানিফ মিয়ার নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র রামদা, ঢাল, সরকি নিয়ে ইয়ার আলীর পরিবারটির উপর হামলা চালায়। হামলার সময় পরিবারের ৫ সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। একই সঙ্গে পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন, মধ্য কাইচাইল গ্রামের সৈয়দ আলী মাতুব্বরের ছেলে ইয়ার আলী (৪০), সুজন মিয়া (৩৫) ও মেয়ে শিউলী বেগম (৩০) এবং সুজনের স্ত্রী রত্না বেগম (২৫), ইয়ার আলীর ছেলে ইয়ামিন (১৭)। এছাড়া স্থানীয় বাজারের চা দোকানি মনু মিয়াকে (৫৫) পিটিয়ে হাত ভেঙে ফেলা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন।

রোববার রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, একই পরিবারের ৫ সদস্য হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি অ্যান্ড নিউরোলজি বিভাগের পুরুষ ও নারী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ইয়ার আলীর শরীরে ধারালো অস্ত্র রামদার ৬টি কোপ রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুজন মিয়া অভিযোগ করেন, আয়ুব আলী মিয়া এলাকায় তাস খেলোয়ারদের সুদের ওপর টাকা দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, "এভাবে অনেক পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। আলমগীরকে এভাবে টাকা দিয়ে ফাঁদে ফেলানো হয়েছে, প্রতিদিন এক হাজার করে টাকা দেওয়ায় সে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।"

তিনি আরও জানান, এক পর্যায়ে মোট টাকা দিতে ব্যর্থ হলে সকালে আলমগীরকে গামছা দিয়ে বেঁধে নিয়ে যেতে দেখা যায়। তখন তারা পাশের মনু মিয়ার চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। আলমগীরকে ধরে নেওয়া দেখে তারা বাঁধা দিলে ওই সময় তাদের মারধর করা হয়। চায়ের দোকানির হাত পর্যন্ত ভেঙে ফেলা হয়। পরে তারা বাড়িতে চলে গেলে আধাঘণ্টা পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে এসে অতর্কিতভাবে হামলা চালানো হয়। প্রথমে তার ভাইকে কোপানো হয়, তখন তিনি ঠেকাতে গেলে তাকেও কোপানো হয়।

এ ঘটনায় বিচারের দাবি জানিয়ে ফজলুল হক দাবি করেন, হানিফ রানা সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। তার নামে অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, "এই হানিফ রানাসহ সকল হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচার দেখতে চাই।"

এদিকে অপরপক্ষের আয়ুব আলী মিয়াসহ চারজন নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে বলে জানান হানিফ রানা। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না এবং আগে গ্রাম্য দল পরিচালনা করলেও বর্তমানে তার দল পরিচালনা করেন মুন্নু মিয়া।

তিনি আরও বলেন, তাস বা জুয়ার টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়নি। মূলত আয়ুব ভারতে থাকতেন, সেখান থেকে আলমগীরের কাছে ৮৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতকে হারিয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে বাংলাদেশের প্রথম জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ এম


ভারতকে হারিয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে বাংলাদেশের প্রথম জয়

এনামুল হক জুনিয়রের চারটি উইকেট এবং আবু জায়েদ রাহীর নিখুঁত বোলিংয়ের সাহায্যে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারতের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। তারা শারজায় ১৪১ রানের পুঁজি নিয়ে ভারতকে পরাজিত করেছে। এই আসরে এটি বাংলাদেশের প্রথম জয়।

টস হেরে ব্যাটিং শুরু করার পর বাংলাদেশ ভালো শুরু করেছিল। দুই ওভারের মধ্যেই তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৩০ রান। তবে ইমরুল কায়েসের আউট হওয়ার পর দলটি দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে। একপ্রান্তে রনি তালুকদার ২৫ বল খেলে ৪০ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস উপহার দেন। এরপর নাসির হোসেন ২১ বলে ২৪ রান এবং আরাফাত সানি ৩৮ বলে ৩৭ রান করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ভারতের পক্ষে তিন উইকেট দখল করেন পীযুষ চাওলা।

লক্ষ্য তাড়ায় ভারত শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৫৫ রানের মধ্যে তারা পাঁচটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যুবরাজ সিংয়ের দল। ঋষি ধাওয়ান ২৪ রান করে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন। শেষদিকে পবন নেগি এবং পীযুষ চাওলার আক্রমণে কিছুটা শঙ্কা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা কাটিয়ে ওঠে।

এনামুল চার উইকেট নেন এবং রাহী বাউন্ডারি না দিয়েই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। শেষ পর্যন্ত, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স স্বল্প পুঁজির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় অর্জন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে? সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ এম


অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে? সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার

স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় কি তাকে তালাক দেওয়া যায়? তালাক দিলে কত দিন পর তা কার্যকর হবে? সন্তানের হেফাজত ও ভরণপোষণের দায়িত্ব কার ওপর থাকবে? এ বিষয়ে আইন কী বলে?

মৌলভীবাজার থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। তার স্ত্রী প্রায়ই তাকে না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। এ ছাড়া একাধিক পুরুষের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। বিষয়টি জানার পর নিষেধ করলেও স্ত্রী তার কথা শোনেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তার স্ত্রীর ভাষ্যমতে, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নিয়ম, তালাক কার্যকর হওয়ার সময় এবং সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে জানতে চেয়েছেন ওই ব্যক্তি।

এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভ্র সিনহা রায়।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তালাক দেওয়া যাবে কি?

বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায়ও তালাক দেওয়া যায়। তবে এ ক্ষেত্রে তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, তালাক উচ্চারণের পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও নোটিশের অনুলিপি পাঠাতে হবে। কর্তৃপক্ষ নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত তালাক কার্যকর হয় না। স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকলে ৯০ দিন অথবা গর্ভাবস্থার অবসান—যেটি পরে ঘটবে, তার আগে তালাক কার্যকর হবে না।

অর্থাৎ, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকলে সন্তান জন্মের পরও ৯০ দিনের সময়সীমা শেষ না হলে তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আবার নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পার হলেও সন্তান প্রসব না হলে গর্ভাবস্থার অবসান পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

সন্তানের হেফাজত ও ভরণপোষণের দায়িত্ব কার?

তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে, তা নির্ধারণে সন্তানের বয়স, পরিস্থিতি এবং তার সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করা হয়। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, সাধারণত ছেলে সন্তান সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তান বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকতে পারে। তবে এটি সব পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত নিয়ম নয়। সন্তানের কল্যাণ বিবেচনায় আদালত ভিন্ন সিদ্ধান্তও দিতে পারেন।

সন্তানের হেফাজত মায়ের কাছে থাকলেও তার ভরণপোষণের দায়িত্ব সাধারণত বাবার ওপর বর্তায়। সন্তানের প্রয়োজন, ভরণপোষণের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

আইনি জটিলতা এড়াতে করণীয়

তালাকের সিদ্ধান্ত নিলে আইন অনুযায়ী লিখিত নোটিশ দেওয়া, স্ত্রীর কাছে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। নিয়ম না মেনে তালাকের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া সন্তানের হেফাজত, ভরণপোষণ ও অন্যান্য পাওনা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে।

তাহলে তালাকের আগে পারিবারিক আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া এবং সম্ভব হলে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%