ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই জাদুঘরে পরিদর্শন করলেন জামায়াতের আমির


জুলাই জাদুঘরে পরিদর্শন করলেন জামায়াতের আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

ডা. শফিকুর রহমান জাদুঘরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরাও জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন।

জাদুঘরের কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সংগ্রহশালা এবং খুটিনাটি ডা. শফিকুর রহমানের সামনে উপস্থাপন করেন। সাধারণ দর্শনার্থীদের সঙ্গে পরিদর্শন শেষে তিনি বিকেলে জাদুঘর ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক জয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আরও বেশি খেলার সুযোগ তৈরি হবে: সাইফউদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


ঐতিহাসিক জয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আরও বেশি খেলার সুযোগ তৈরি হবে: সাইফউদ্দিন

ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬ : ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের জয় দেশের ক্রিকেটারদের বিদেশের কঠিন কন্ডিশনে খেলার আরও সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন বাংলাদেশের পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

প্রথম টেস্ট জিতে বাংলাদেশ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে। চার দিনের মধ্যেই জয় নিশ্চিত করেই ২৩ বছর পরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় পেয়েছে তারা। এই ফল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং জাতীয় দলের বাইরেও ক্রিকেটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

সাইফউদ্দিন বলেন, এই জয়ের গুরুত্ব অনেক।

আজ মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটা সত্যিই অসাধারণ একটি মুহূর্ত। আমরা এর আগে অনেক ম্যাচ জিতেছি তবে এই টেস্ট জয় আমাদের জন্য বিশেষ।”

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের কন্ডিশনে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষভাবে মূল্যবান হবে বলে মনে করেন এই অলরাউন্ডার।

তিনি বলেন, “প্রত্যেক খেলোয়াড়ই ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলার স্বপ্ন দেখে। ইনশাআল্লাহ আমরা আশা করি ভবিষ্যতে এসব ভেন্যু ও এসব দেশে আরও বেশি খেলতে পারব।”

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই জয় ভবিষ্যতে বিভিন্ন ফরম্যাটে বাংলাদেশকে আরও বেশি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানাতে দেশটিকে উৎসাহিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সাইফউদ্দিন।

তিনি বলেন, “যেহেতু আমরা দেশের মাটিতে ওয়ানডেতে এবং তাদের মাটিতে টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে তারা আমাদের আরও বেশি আমন্ত্রণ জানাবে।

তাদের মাটিতে যদি আমরা আরও বেশি ম্যাচ খেলতে পারি, তাহলে তা দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে।”

জাতীয় দলের খেলার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উপকৃত করবে।

তার ভাষায়, “যারা এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছেন, তাদের ধন্যবাদ। এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলার আরও বেশি সুযোগ পাবে।”

ডারউইনে বাংলাদেশের জয়ের পেছনে ছিল দলীয়ভাবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। দুই ইনিংসে হাসান মাহমুদ নিয়েছেন নয় উইকেট। প্রথম ইনিংসে তানজিদ হাসান তামিম করেছেন সেঞ্চুরি এবং ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

তবে সাইফউদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, এই জয় ছিল পুরো দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

তিনি বলেন, “প্রতিটি বিভাগে সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। আমি বিশেষ কারও নাম বলতে চাই না, সবাই অসাধারণ খেলেছে। যখন যে সুযোগ পেয়েছে, দলের প্রয়োজন অনুযায়ী সবাই অবদান রেখেছে।”

হাসান মাহমুদের বিশেষ প্রশংসা করেন সাইফউদ্দিন। তার মতে, হাসানের সাম্প্রতিক ফর্ম এবং ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা কঠিন কন্ডিশনের জন্য তাকে প্রস্তুত করেছে।

সাইফউদ্দিন বলেন, “হাসান মাহমুদ গত কয়েক বছর ধরে ভালো অবস্থায় আছে। যেহেতু সে সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছে, তাই তার ভালো করার প্রত্যাশা ছিল।” তিনি আরও বলেন, “এই মুহূর্তে হাসান অসাধারণ বোলিং করছে এবং নিজের সেরা ফর্মে আছে।”

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে জায়গা পাওয়ার লড়াইও দিন দিন তীব্র হচ্ছে। তবে এতে উদ্বিগ্ন না হয়ে ক্রিকেটারদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহিত হওয়া উচিত বলে মনে করেন সাইফউদ্দিন।

তিনি বলেন, “যে ভালো খেলবে, সেই সুযোগ পাবে। চিন্তার কিছু নেই, তবে আমাদের কাজের মানসিকতা আরও বাড়াতে হবে।”

এখন বাংলাদেশের সামনে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের সুযোগ। দুই ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ২২ আগস্ট ম্যাকেতে।

বড় পরাজয়ের পর অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে বলে মনে করেন সাইফউদ্দিন। তবে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েও তিনি আশাবাদী।

তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে সিরিজ জেতার এটি দারুণ একটি সুযোগ। যদিও কাজটি সহজ হবে না, কারণ অস্ট্রেলিয়া তাদের সেরা শক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। তারপরও আমরা সবাই যেহেতু ভালো অবস্থায় আছি, তাই আশা করছি ভালো কিছুই হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইস আল্পসে ৩৪ বছর পর দুই নিখোঁজ বেলজিয়ান পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


সুইস আল্পসে ৩৪ বছর পর দুই নিখোঁজ বেলজিয়ান পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : সুইস আল্পসে ৩৪ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া দুই বেলজিয়ান পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রিফট হিমবাহ থেকে মরদেহগুলি পাওয়া গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওয়ালিস ক্যান্টন পুলিশের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণে ইতালি সীমান্তের নিকট হিমবাহটিতে গত ২৬ জুলাই অন্তত একটি পর্বতারোহী দুইটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছেন। মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সেগুলো সিওনের ওয়ালিস হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ডিএনএ প্রোফাইল সরাসরি মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো ১৯৯২ সালে ওয়েইসমিস অঞ্চলে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দুই পর্বতারোহীর।’

নিখোঁজ হওয়ার সময় দুই বেলজিয়ান পুরুষের বয়স ছিল যথাক্রমে ৩৯ এবং ৪১ বছর।

ওয়ালিস পুলিশ ১৯২৫ সাল থেকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে আসছে। এই তালিকায় থাকা অধিকাংশ মানুষ উঁচু পাহাড় ও নদী এলাকায় নিখোঁজ হয়েছেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলার গতি বেড়ে গেছে। এর ফলে দীর্ঘকাল, এমনকি কয়েক দশক ধরে বরফের নিচে আটকে থাকা পর্বতারোহীদের মরদেহ বেরিয়ে আসার ঘটনা ঘটছে।

গত বছরে ওয়ালিসের ওবার গ্যাবেলহর্ন পর্বতের একটি হিমবাহে ১৯৯৪ সালে নিখোঁজ হওয়া এক সুইস পর্বতারোহীর হাড়-গোঁড় উদ্ধার করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় দেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক এগ্রিভোলটাইক পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় দেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক এগ্রিভোলটাইক পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : কৃষিজমি সংরক্ষণের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে চুয়াডাঙ্গা সদরে দেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক কাঠামোভিত্তিক ও গ্রিড-সংযুক্ত এগ্রিভোলটাইক পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

আজ (বুধবার) উদ্বোধন হওয়া এ প্রকল্পটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জার্মানির ফেডারেল মন্ত্রণালয় ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড)-এর সহ-অর্থায়নে জিআইজেড বাস্তবায়িত ‘গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন-পলিসি অ্যাডভাইজরি পার্টনারশিপ (গেট-প্যাপ)’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রকল্পটির ৪৯ দশমিক ৬ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে এবং এখানে বর্তমানে কাঁচা মরিচের চাষ হচ্ছে। আগামী মৌসুমে ধান ও অন্যান্য মৌসুমি সবজির আবাদের পরিকল্পনাও রয়েছে।

জার্মানির ফ্রাউনহোফার ইনস্টিটিউট ফর সোলার এনার্জি সিস্টেমসের (আইএসই) কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটির মডেলিং, প্রযুক্তিগত নকশা, স্থাপন এবং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষক, শিক্ষক, গবেষক, প্রকৌশলী ও সিস্টেম অপারেটরদের জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সৌরব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ, ছায়া-সহনশীল ফসল চাষ এবং ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ বিভাগের এনার্জি এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন শাখার যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, ভূমির বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে আপস না করেই দেশের টেকসই জ্বালানি লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান উলরিখ স্টেপম্যান এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের ‘গ্রিন ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট’ কর্মসূচির ব্যবস্থাপক তানজিনা দিলশাদ বক্তব্য দেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, প্রকল্পের অবকাঠামো ব্যয়ের ৮০ শতাংশ জার্মানির কেএফডব্লিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ওয়েভ ফাউন্ডেশন প্রকল্পের স্পন্সর হিসেবে সৌরচালিত সেচকেন্দ্রে এটি স্থাপন করেছে।

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে দেশের মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, চুয়াডাঙ্গার এ পাইলট প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য, কৃষি উৎপাদনের ফলাফল এবং বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং দেশে এগ্রিভোলটাইক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল ভিয়েতনামের বিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল ভিয়েতনামের বিমান

ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছে। টেক অফ রোলের সময় দুইবার বিমানটির গতি কমে যাওয়ায় এটির নির্ধারিত টেক অফ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছিল। তবে, টেক অফ না করে ফিরে আসার জন্য পর্যাপ্ত রানওয়ে অবশিষ্ট ছিল না। শেষ মুহূর্তে রানওয়ের মাত্র ৯১ মিটার বাকি থাকতে বিমানটি সফলভাবে উড়তে পারে।

গত ১৫ আগস্ট জার্মানির মিউনিখ বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি দুই ঘণ্টা আকাশে চক্কর দিয়ে আবার মিউনিখ বিমানবন্দরের দিকে ফিরে আসে।

এ ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে ভিয়েতনামের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ১৫ আগস্ট স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে ২৭১ জন যাত্রী এবং ১৬ জন ক্রু নিয়ে ফ্লাইট ভিএন৩৪ হ্যানয়ের উদ্দেশ্যে মিউনিখ বিমানবন্দর ত্যাগ করছিল। উড্ডয়ন প্রক্রিয়ার মাঝামাঝি সময়ে বিমানটির গতি দুই সেকেন্ডের জন্য থমকে গিয়েছিল এবং পরে এটি আবার গতি ফিরে পায় এবং উড্ডয়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের গতিতে পৌঁছে।

কিন্তু এর পরপরই গতি আবারও কমে যায় বলে জানা গেছে। তখন পাইলটরা বুঝতে পারেন যে, উড্ডয়ন বাতিল করার মতো পর্যাপ্ত রানওয়ে আর অবশিষ্ট নেই। ফলে তারা টেক অফ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং ইঞ্জিনের ক্ষমতা সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যান। শেষপর্যন্ত, রানওয়ের একেবারেই শেষ প্রান্তে এসে মাত্র ৯১ মিটার বাকি থাকতে বোয়িং ৭৮৭ বিমানটি সফলভাবে আকাশে উড়ে যায়। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি উড্ডয়নের আগে রানওয়ের প্রায় পুরো অংশ ব্যবহার করেছে এবং এর পেছনে ধূলিঝড় তৈরি হয়েছে।

বিমানের রানওয়ে ছাড়ানোর পর বিমানের লেজ রানওয়েতে ঘষা লাগার আশঙ্কা ও টায়ারের চাপ সম্পর্কে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। বিমানের ক্রুরা তাৎক্ষণিকভাবে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে বিষয়টি জানান এবং মিউনিখে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবতরণের সময় বিমানের ওজন কমানোর জন্য জ্বালানি বা ফুয়েল ডাম্প করতে হয়, ফলে বিমানটি প্রায় দুই ঘণ্টা আকাশে ৯ হাজার ফুট উচ্চতায় চক্কর দেয়। এর পর মিউনিখে এটি নিরাপদে অবতরণ করে।

অবতরণের পর বিমানটিতে টেইল স্ট্রাইক এবং চারটি চাকা ফেটে যাওয়ার মতো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ফিরে আসার ভিডিও ফুটেজে অবতরণের সময় বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারের চারপাশে ধোঁয়া দেখা যায়। অবতরণের পরে ভ্রাম্যমাণ সিঁড়ি ব্যবহার করে সকল যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে টার্মিনালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই নাটকীয় ঘটনা এবং বিমানের ক্ষতি হওয়ার সত্ত্বেও সৌভাগ্যবশত বিমানে থাকা ২৮৭ জন যাত্রী এবং ১৬ জন ক্রু সবাই অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়েছেন।

এরপর ১৬ আগস্ট বিকেলের মধ্যে ফ্লাইটের সকল যাত্রীকে ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্স ও অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে বিকল্প ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়। যেসব যাত্রীর ভ্রমণের সময়সূচী পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প ব্যবস্থার সহায়তা প্রদান করেছে বিমান সংস্থাটি। অন্যদিকে, বিকল্প ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষার সময় যাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা, খাবার, পরিবহন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা আায়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ প্রদান করেছে।

জার্মানি ও ভিয়েতনামের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে কেন উড্ডয়নের সময় বিমানটির গতি দুইবার কমে যায় এবং এর পেছনে কোনো কারিগরি ত্রুটি ছিল কিনা। ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্স জানিয়েছে যে, বিমানটিতে কারিগরি সমস্যা দেখা দিয়েছিল এবং ক্রু সদস্যরা নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করেছিলেন। এই ঘটনার তদন্তে বিমান সংস্থাটি বোয়িং এবং বিমানের ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%