ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৈষম্য মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনে সরকারগুলোর প্রতি সাবেক বিশ্বনেতাদের আহ্বান


বৈষম্য মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনে সরকারগুলোর প্রতি সাবেক বিশ্বনেতাদের আহ্বান

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সম্পদের চরম বৈষম্য মোকাবিলার লক্ষ্যে একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য বর্তমান বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ৩৭ জন সাবেক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান।

বুধবার প্রকাশিত একটি খোলা চিঠির মাধ্যমে সাবেক এই বিশ্বনেতারা এ আহ্বান জানান। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এই নেতাদের মধ্যে সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস এবং সাবেক ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ-পিয়ের রাফার্যাঁ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

তারা উল্লেখ করেন, বৈষম্যের যে ‘সংকট’ বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবিলায় জরুরি নীতিগত পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

এএফপির কাছে প্রাপ্ত চিঠিতে সাবেক নেতারা বলেন, ‘বিশ্বের একের পর এক দেশে বৈষম্যের সংকট রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছে যাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।’

তারা আরও জানান, ২০০০ সাল থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির প্রতি এক ডলারের মধ্যে মাত্র এক সেন্ট পেয়েছে মানবজাতির দরিদ্রতম অর্ধেক মানুষ। বিপরীতে, সবচেয়ে ধনী এক শতাংশ মানুষ পেয়েছে ৪১ সেন্ট।

সাবেক নেতারা আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরে প্রথমবারের মতো একজন ট্রিলিয়নিয়ারের আবির্ভাব ঘটেছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের প্রতি চারজন মানুষের একজন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

তারা বলেন, ‘সবচেয়ে ধনী ও সবচেয়ে দরিদ্র মানুষের মধ্যকার ব্যবধান যে অনেক বেশি বেড়ে গেছে, তা নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই।’

সাবেক বিশ্বনেতারা তাদের উত্তরসূরিদের ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ইনইকুয়ালিটি (আইপিআই) বা আন্তর্জাতিক বৈষম্যবিষয়ক প্যানেল গঠনের উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এ বিষয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তারা।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তঃসরকার প্যানেল (আইপিসিসি)-এর আদলে এই নতুন সংস্থা গঠনের সুপারিশ করেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজ। তিনি একটি জি-২০ প্রতিবেদনে এ সুপারিশটি করেন।

ওই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক ‘বৈষম্যজনিত জরুরি পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, ক্রমবর্ধমান বৈষম্য গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি—দুটোকেই দুর্বল করছে।

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

বুধবারের খোলা চিঠিতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সাবেক নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মালাউইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট জয়েস বান্দা, পর্তুগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট আনিবাল কাভাকো সিলভা এবং সেশেলসের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস মিশেল।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাড়তে থাকা বৈষম্য গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাকে ক্ষয় করছে এবং সমাজের প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যকে দুর্বল করছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে সমতাভিত্তিক দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যপূর্ণ দেশগুলোতে গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি সাত গুণ বেশি।

স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সেনেগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আমিনাতা তুরে, নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক, পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিসকো সাগাস্তি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান সেউং-সু-সহ আরও কয়েকজন সাবেক সরকার প্রধান রয়েছেন।

আরও পড়ুন: সংস্কৃতিও যখন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার: শি চিনপিংয়ের সাংস্কৃতিক তত্ত্বের প্রভাব

তারা বর্তমান বিশ্বের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আপনাদের সামনে থাকা জটিল চ্যালেঞ্জগুলোর গুরুত্ব ও চাপ সম্পর্কে অবগত।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা এটাও জানি যে চরম বৈষম্য এসব হুমকিকে আরও তীব্র করে তুলছে এবং আপনাদের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের ওপর গভীর চাপ সৃষ্টি করছে।’

সাবেক নেতারা বলেন, আইপিআই গঠন করা হলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি হবে। আইপিসিসির মতো এই প্যানেল বৈষম্যের প্রবণতা, এর প্রভাব ও কারণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে এবং নীতিনির্ধারণে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন প্রমাণ ও গবেষণা মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবে।

চিঠিতে বলা হয়, আইপিআই-এর মাধ্যমে ‘শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা বৈষম্যসংক্রান্ত তথ্যের ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন। এতদিন এই তথ্যের ঘাটতির কারণে বৈষম্য সংকট মোকাবিলার উদ্যোগগুলো কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি।

আরও পড়ুন: নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে ককরোচ পার্টির সমর্থন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোকেমনের ৩০তম বার্ষিকীতে নতুন রূপে আসছে পিকাচু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


পোকেমনের ৩০তম বার্ষিকীতে নতুন রূপে আসছে পিকাচু

পোকেমন ফ্র্যাঞ্চাইজির ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় চরিত্র ‘পিকাচু’-কে এক নতুন ও আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপন করতে যাচ্ছে। আসন্ন ‘পোকেমন টিসিজি : ৩০তম সেলিব্রেশন’ এক্সপ্যানশনে এই মাসকটটির জন্য ৩০টি ভিন্ন রেয়ার কার্ড থাকবে, যা সংগ্রাহক ও ভক্তদের জন্য একটি বড় চমক হিসেবে দেখা যাবে।

‘৩০তম সেলিব্রেশন’ এর আওতায় ‘আল্ট্রা-প্রিমিয়াম কালেকশন’-এ ‘পিকাচু এক্স’ কার্ডটিকে দিন ও রাতের দুটি ভিন্ন থিমে রূপ দেওয়া হয়েছে। ফলে সংগ্রাহকরা উজ্জ্বল দিনের লুক এবং অন্ধকার রাতের লুক—এই দুই ধরনের পিকাচু কার্ড বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

খ্যাতনামা জাপানি শিল্পী ইয়োশিরোটেন এই কার্ডগুলোর ডিজাইন করেছেন। ডিজাইনে ধাতব টেক্সচার, উজ্জ্বল আলো এবং গ্রাফিক উপাদানের ব্যবহারে একটি আধুনিক বা ফিউচারিস্টিক লুক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পিকাচুর পাশাপাশি ‘ডে’ কালেকশনে এসপিওন এক্স এবং ‘নাইট’ কালেকশনে আমব্রেওন এক্স-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগ্রাহকদের সম্পূর্ণ সেট সংগ্রহ করতে চাইলে কালেকশনের দুটি সংস্করণই সংগ্রহ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী আগামী ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ ‘৩০তম সেলিব্রেশন’ সেটটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে। দীর্ঘ তিন দশক ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মূল আকর্ষণ হয়ে থাকা পিকাচুর এই বৈচিত্র্যময় উপস্থাপন সংগ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জন্য নতুন নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জন্য নতুন নির্দেশ

দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করেছে, যা ভূমি সেবা মাঠ পর্যায়ে অধিকতর গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার উদ্দেশ্যে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা প্রশাসকদের তাদের নিজ নিজ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করতে হবে এবং এর নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকার ই-গভর্ন্যান্স চালুসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গতিশীল ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, জনসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে ও যথাসময়ে ভূমি সেবা পান, সে জন্য ভূমি সেবা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে নিয়মিত ও সময়মত উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।

এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থাপিত ডিভাইসগুলো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ব্যবহার করছেন কি-না, সেটি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য চিঠির মূল প্রাপক হিসেবে সব জেলা প্রশাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিস্টেম এনালিস্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের কাছেও পরিপত্রটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃতির পর এবার দিশার পোশাক নিয়ে তুমুল বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


কৃতির পর এবার দিশার পোশাক নিয়ে তুমুল বিতর্ক

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে আম্বানি পরিবারের আয়োজিত গণপতি উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি। উৎসবের সাজে তিনি লাল লেহেঙ্গা, একই রঙের ব্লাউজ এবং এক কাঁধে জড়ানো ওড়নায় ক্যামেরার সামনে ধরা দেন। তবে, দিশার পোশাকের চেয়ে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে।

দিশার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কতটা মানানসই। কেউ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, তারকারা কি ধর্মীয় আয়োজনকে ফ্যাশন প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত করছেন?

দিশাকে ঘিরে এই বিতর্ক নতুন নয়। কিছু সপ্তাহ আগে কৃতি শ্যাননও একই ধরনের বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁর একটি বিজ্ঞাপন নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। এবার দিশার পোশাক নিয়ে আলোচনা শুরু হলে সেই পুরোনো বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।

২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীতে আম্বানি পরিবারের গণপতি উৎসবে অংশগ্রহণ করেন দিশা। তাঁর পরনে ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ করা লাল ঘাগরা, লাল ব্লাউজ যার গলার কাট ছিল গভীর। এক কাঁধে জড়ানো লাল ওড়না, বড় দুল, চুড়ি এবং খোলা চুলে উৎসবের সাজ সম্পূর্ণ করেছিলেন অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রবেশের সময় আলোকচিত্রীদের জন্য পোজ দেন দিশা। পরে সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্ক শুরু হয়।

এক্সে এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘গণপতি উৎসবের জন্য কী ভয়ংকর পোশাক! সেখানে কি কোনো ড্রেস কোড থাকা উচিত নয়?’

আরেকজন প্রশ্ন তুলেছেন, গণেশ উৎসবে দিশার পোশাক আদৌ উপযুক্ত কি না। কারো মন্তব্য ছিল আরও কড়া। একজন লিখেছেন, ‘দিশা গণপতি উৎসবে গিয়েছিলেন, নাকি র‍্যাম্পে হাঁটতে?’

আরেক ব্যবহারকারীর বক্তব্য, গণেশ দর্শন ও পূজা ধর্মীয় উপলক্ষ; এটি কোনো নাইট ক্লাব, নাচের অনুষ্ঠান বা ফ্যাশন শো নয়। তাই এমন পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক।

দিশার সমালোচকদের যুক্তি মূলত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পরিবেশ ও সামাজিক প্রত্যাশাকে ঘিরে। তাঁদের কেউ কেউ মনে করছেন, ব্যক্তির পোশাক বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকলেও ধর্মীয় আয়োজনের ক্ষেত্রে সেই পরিবেশের প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা উচিত।

তবে, এই সমালোচনার বিষয়ে দিশা এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

এর কিছু দিন আগে কৃতি শ্যাননও একই ধরনের বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। গয়না ব্র্যান্ড জিআইভিএর রক্ষাবন্ধন উপলক্ষে তৈরি একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেখানে ব্রালেটধাঁচের ব্লাউজ, কেপ এবং ড্রেপ করা স্কার্টে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে।

বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি অংশ সমালোচনায় সরব হয়। পরে বিজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার করে নেয় জিআইভিএ।

কৃতি অবশ্য বিষয়টি সহজভাবে নেননি। বিজ্ঞাপনটি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর হৃদয়ে, গলার কাটে নয়।’

এবার দিশাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক সেই একই প্রশ্নকেই সামনে আনল—উৎসবের পোশাকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ ও ধর্মীয় আয়োজনের সামাজিক প্রত্যাশার সীমারেখা কোথায়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্সা কোচ ফ্লিকের সমর্থন ইয়ামালের ব্যালন ডি’অর দাবিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


বার্সা কোচ ফ্লিকের সমর্থন ইয়ামালের ব্যালন ডি’অর দাবিতে

বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিক লামিন ইয়ামালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দাবিকে সমর্থন করেছেন। তিনি একই সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণের আত্মবিশ্বাসকে অহংকার হিসেবে দেখার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

ইয়ামাল চলতি সপ্তাহের শুরুতে মন্তব্য করেন যে, তিনি এবং রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তবে, তিনি দাবি করেন যে, এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য তার যোগ্যতা বেশি।

এই পুরস্কার আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে প্রদান করা হবে। বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন এবং প্যারিস সাঁ-জার্মাঁর উসমান ডেম্বেলেসহ আরও কয়েকজন এবার পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন।

ফ্লিক বলেন, "সে সৎ, তার আত্মবিশ্বাস আছে। সে এই মৌসুমে দেখিয়েছে, সে কতটা ভালো। সে অসাধারণ। সে এটি পাওয়ার যোগ্য এবং আমারও মনে হয় সে যোগ্য। আমাদের সঙ্গে দুটি শিরোপা—লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপারকাপ—জিতেছে, স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছে। তাহলে কেন নয়?"

ফ্লিক ইয়ামালের আত্মবিশ্বাস মাঠে দেখা যায় উল্লেখ করে বলেন, "একজন, দুজন কিংবা তিনজন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হলেও স্টেডিয়ামে সবাই বলে ওঠে, বাহ! এটাই লামিনে। আমি তাকে সমর্থন করব।"

গত মৌসুমে ফ্লিক বলেছিলেন, অহংকার সাফল্যকে ধ্বংস করে। তবে ইয়ামালের ব্যালন ডি’অর জয়ের প্রচেষ্টা তার খেলায় ব্যাঘাত ঘটাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমি আশা করি তা হবে না। আমরা যেটা আমাদের হাতে আছে, সেটাতেই মনোযোগ দিচ্ছি—প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করা।"

নতুন মৌসুমে ইয়ামালের পারফরম্যান্সও নজরকাড়া। ছয় ম্যাচে ইতোমধ্যে সাত গোল করেছেন তিনি। ফ্লিক বলেন, "এখন সে জানে কখন সঠিক জায়গায় থাকতে হবে। বল যখন বাঁ দিকে থাকে এবং সে গোলের কাছাকাছি অবস্থান নেয়, তখন তার গোল করার সুযোগ বাড়ে। তার ফিনিশিং অসাধারণ।

সূত্র: ইএসপিএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%