ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে মিলল বিরল প্রজাতির ‘প্যারটফিশ’


বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে মিলল বিরল প্রজাতির ‘প্যারটফিশ’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে একটি বিরল প্রজাতির প্যারটফিশ (টিয়া মাছ) ধরা পড়েছে। এই মাছটির ওজন প্রায় ৭০০ গ্রাম, যা মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আনার পর স্থানীয়রা দেখতে ভিড় জমায়। পরে নিলামের মাধ্যমে মাছটি ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে চরমোন্তাজ এলাকার ‘এফবি ভাই ভাই’ ট্রলারে ধরা পড়া মাছটি ফয়সাল ফিশ আড়তে আনা হয় মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। নিলামের মাধ্যমে এই মাছটি ৩ হাজার টাকায় আড়তের মালিক কিনে নেন। পরে বিক্রির জন্য বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে চট্টগ্রামে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

জানা গেছে, বাবুল মাতুব্বর মাঝির নেতৃত্বে ১৭ জন জেলে নিয়ে ট্রলারটি দুই দিন আগে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। জাল উত্তোলনের সময় ইলিশ, পোয়া ও অন্যান্য মাছের পাশাপাশি বিরল এই প্যারটফিশটিও ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন: অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক

জেলে বাবুল মাতুব্বর বলেন, “রাতে জাল ফেলেছিলাম। পরে ইলিশ ও অন্য মাছের সঙ্গে এই মাছটিও উঠে আসে। আগে কখনও আমাদের জালে এমন মাছ ধরা পড়েনি।”

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, স্থানীয়দের বর্ণনা ও নমুনা অনুসারে এই মাছটি ব্লু-ব্যারিড প্যারটফিশ নয়; বরং এটি ‘ধোফার প্যারটফিশ’ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। স্কারিডি পরিবারের এই সামুদ্রিক মাছ সাধারণত প্রবালপ্রাচীর ও পাথুরে এলাকায় বাস করে।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যের সন্ধান, প্রজনন কিংবা সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে এই ধরনের মাছ গভীর সমুদ্রে চলে আসতে পারে। ফলে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় মাঝে-মধ্যে জেলের জালে এমন বিরল মাছ ধরা পড়ে।

তিনি আরও জানান, প্যারটফিশ প্রবালপ্রাচীরের ওপর জন্মানো শৈবাল খেয়ে প্রবালের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মাছ প্রবাল ক্ষয় করে সূক্ষ্ম বালু তৈরিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

আরও পড়ুন: ২১ বছর ধরে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “ধোফার প্যারটফিশ বাংলাদেশের জলসীমায় অত্যন্ত বিরল। আমাদের উপকূলে এ প্রজাতির মাছ সচরাচর দেখা যায় না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে শব্দ দূষণের দায়ে ৩ চালককে জরিমানা, ৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


কুড়িগ্রামে শব্দ দূষণের দায়ে ৩ চালককে জরিমানা, ৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

 

কুড়িগ্রামে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে তিনটি যানবাহনের চালককে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হয়েছে পাঁচটি অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন।
 
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ত্রিমোহনী বাজার সংলগ্ন রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) বিধি লঙ্ঘন করে যানবাহনে অনুমোদিত মাত্রার অতিরিক্ত শব্দ উৎপন্নকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ১৫(২) ধারা অনুযায়ী তিনটি পৃথক মামলায় তিন চালককে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। পাশাপাশি পাঁচটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
 
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী রীমা আক্তার। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের সদস্য এবং জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
জেলা প্রশাসন জানায়, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: উপদেষ্টা মাহদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: উপদেষ্টা মাহদী

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজীকরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি অত্যন্ত স্পষ্ট মূলনীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, যা একদিকে মানুষের ক্ষমতায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, অন্যদিকে ব্যবসা পরিচালন খরচ কমিয়ে বাণিজ্য সহজীকরণের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই বা ফিকি) আয়োজিত এক সম্মেলনে মাহদী আমিন এসব মন্তব্য করেছেন।

‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক ফিকি এফডিআই সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে অংশগ্রহণকারী কোম্পানির ও সংস্থাটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেছেন।

মাহ্দী আমিন বক্তব্যের শুরুতে পাঁচ মাস আগে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার উল্লেখ করেন এবং ফিকিকে এই আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ততার মাঝেও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এখানে এসেছেন। বিনিয়োগকারীরাও তাদের যোগ্যতা, বৈশ্বিক সেরা ব্যবস্থা এবং বিনিয়োগের পরিকল্পনা সফলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।”

মাহদী আমিন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পর্যায়ের প্যানেলটিকে অনন্য উল্লেখ করে বলেন, ফিকি যখন প্রথম এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে, তখন পরিকল্পনাটি একটু ভিন্ন ছিল। তারা বলেছিল, বিনিয়োগকারীরা বলবেন এবং নীতিনির্ধারকরা শুনবেন। তবে শেষ মুহূর্তে এসে তারা এতে পরিবর্তন এনেছে। জানানো হয় যে, নীতিনির্ধারকরাই বলবেন এবং বিনিয়োগকারীরা তা শুনবেন- এমন একটি সার্বিক আগ্রহ ও চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে।

ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, পরবর্তীতে এই আয়োজন আরও বেশি অংশগ্রহণমূলক হবে, যেখানে উভয় পক্ষ উন্মুক্তভাবে মতামত ও চিন্তাভাবনা বিনিময় করবে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সরকারের প্রতি জনগণের বিপুল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নীতিনির্ধারকদের ভাবনাচিন্তায় নির্বাচনি ইশতেহারে বর্ণিত প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের সঠিক প্রতিফলন থাকা জরুরি। আজকের প্যানেলিস্টদের দিকে তাকালেই দেখা যায়, আমাদের প্রত্যেকের দপ্তর কিছুটা স্বতন্ত্র এবং একাধিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি।

দপ্তর বিন্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এভাবে দপ্তরগুলো বিন্যাস করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে একদম তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল এবং সুসংহত করা। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে কাজের স্বচ্ছতা ও গতি বাড়ানো এবং মন্ত্রণালয়গুলো যেন নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী একসঙ্গে কাজ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

গত পাঁচ মাসেই এই সিদ্ধান্তের সুফল জনগণ নানা ভাবে দেখতে পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। তার বড় উদাহরণ হলো আমাদের ঘোষিত প্রথম বাজেটটি, যা সম্পূর্ণ জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব। এই বাজেটে সাধারণ মানুষের ইচ্ছা ও তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। আজ এখানে উপস্থিত পাঁচজন প্যানেলিস্ট একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একতাবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, নতুন দায়িত্ব নেওয়া এই সরকার বিগত বহু বছরের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন। কিন্তু আমরা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছি, যেখানে প্রতিটি সমস্যাকে একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি মূলত জাতি পুনর্গঠন ও যৌথ সমৃদ্ধির সুযোগ, সংকট দূর করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ এবং কার্যকর নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে ব্যবসাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ।

বিনিয়োগকারীদের অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, এখানে উপস্থিত আপনার প্রত্যেকের একটি গল্প রয়েছে- সাফল্যের গল্প, ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প ও যৌথভাবে এই জাতি পুনর্গঠনের গল্প। জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা আপনাদের সঙ্গে এই সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। আমরা ধারাবাহিক আলোচনা ও পরামর্শের একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে আগ্রহী, যাতে দেশি-বিদেশি সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঠিক প্রতিফলন ঘটে আমাদের নীতি প্রণয়ন ও তার মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আপনারা কেবল ব্যবসা করছেন না, বরং নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন, আমাদের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন এবং মেড ইন বাংলাদেশ স্লোগানকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছেন। সে অর্থে আমরা আপনাদের নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের এক একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বলেই মনে করি। আমাদের দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সম্ভাব্য সব পদক্ষেপই গ্রহণ করবো, যিনি ব্যবসা, উদ্যোক্তা ও শিল্পখাতের বিকাশে একটি স্পষ্ট নীতিগত রূপরেখা দিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়া, যা কর্মসংস্থান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে।

ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সর্বজনীন অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। আর এই অভিযাত্রায় আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করতে চাই।

আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ফিকির সভাপতি ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুপালী হক চৌধুরী, বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৬০০ বিনিয়োগকারী ও প্রতিনিধি। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী, বহুজাতিক কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিট প্রশ্নফাঁস ও লাঠিচার্জ: আড়াই মাস পর নড়েচড়ে বসল ভারত সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


নিট প্রশ্নফাঁস ও লাঠিচার্জ: আড়াই মাস পর নড়েচড়ে বসল ভারত সরকার

গত ৩ মে ভারতে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে গত আড়াই মাস ধরে চলা আন্দোলন অবশেষে চরম রূপ নিয়েছে।

গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানসহ রাজনৈতিক মহলের টনক নড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘প্রশ্নফাঁস মহাপাপ, এরজন্য দায়ীদের সাজা পেতেই হবে।’

অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে তারা শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিতা পাবেন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা শিক্ষার্থীদের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করছেন এবং বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর বাসার সামনে ধর্নায় বসেছেন।

মূলত প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৩ মের পরীক্ষা বাতিলের পর শিক্ষার্থীদের ওপর প্রবল মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। এর ফলে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল। পরবর্তীতে ২১ জুন কঠোর নিরাপত্তায় পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগে, ৭ জুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর-মন্তরে প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ করে নবগঠিত করোচ জনতা পার্টি। এরপর ২৮ জুন লাদাখের অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে আমরণ অনশন শুরু করলে এই আন্দোলন একটি নতুন মাত্রা পায়। ২০ জুলাই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনকে সামনে রেখে সিজেপি ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। কিন্তু কর্মসূচি ঠেকাতে পুলিশ দুদিন আগে ভোরবেলায় সোনম ওয়াংচুককে জোর করে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।

হাসপাতাল থেকে সোনম ওয়াংচুক ১৯ জুলাই রাতেও জানিয়েছেন, সরকার হাসপাতালে তার সাথে দেখা করে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দিলে তিনি অনশন ভাঙতে রাজি। কিন্তু সরকার সময়মতো পদক্ষেপ নেয়নি। ২০ জুলাই সোমবার ভোরে যখন হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী যন্তর-মন্ত্রে সমবেত হয়, তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা দুই ছাত্রনেতাকে ডেকে আলোচনার আশ্বাস দেন। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে যাওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবনের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ে এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশি হামলার পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অভিনেত্রী শাবানা আজমী এবং অভিনেতা প্রকাশ রাজসহ সুশীল সমাজ তীব্র প্রতিবাদ শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার যদি ৭ জুনের পর সঠিক পদক্ষেপ নিত, তবে নিরীহ শিক্ষার্থীদের রাজপথে মার খেতে হতো না। একেই বলে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


চাঁদপুরে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ঘটে যাওয়া এক সড়ক দুর্ঘটনায় মেহরাজ মাহমুদ জুম্মান (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। পাশাপাশি, এই ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলের সময়, চাঁদপুর–লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

নিহত মেহরাজ মাহমুদ জুম্মান, যিনি এই বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, তিনি জুম্মান বড়ালী গ্রামের আহসান দেওয়ানের ছোট ছেলে ছিলেন।

আহতদের মধ্যে মোটরসাইকেলের অপর যাত্রী তাহসীন (১৬) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী লিলু বেগম অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ্য, আহত চারজনই গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং অটোরিকশার আহত যাত্রী লিলু বেগম জানিয়েছেন, "আমরা অটোরিকশাযোগে ফরিদগঞ্জ সদরের দিকে যাচ্ছিলাম। বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতমানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে আমাদের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এর ফলস্বরূপ, আমরা নিচে পড়ে গিয়ে আহত হই এবং মোটরসাইকেল চালক মেহরাজ ঘটনাস্থলেই মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মারা যায়।"

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, "ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে দুর্ঘটনাস্থল থেকে মোট পাঁচজনকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে চিকিৎসক মেহরাজকে মৃত ঘোষণা করেছেন।"

নিহতের চাচা আনোয়ার হোসেন বলেন, "জুম্মান খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল। সে এবারের এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তার মৃত্যুতে পরিবারে কত শত স্বপ্ন নিভে গেল। কিন্তু এক নিমিষের সড়ক দুর্ঘটনা সবকিছু শেষ করে দিল।"

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, "সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে পাঁচজন প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে একজনকে মৃতভাবে আনা হয়। বাকি চারজনকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।"

ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আল আমিন বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।" তিনি জানান, "পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%