ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ মাদক বিরোধী অভিযানে ৫০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২ জন গ্রেফতার


নওগাঁ মাদক বিরোধী অভিযানে ৫০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২ জন গ্রেফতার

০২-০৯-২৬ তারিখে পুলিশ সুপার এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটি টীম নওগাঁ পৌর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান শুরু করে। সদর থানাধীন পৌর এলাকার ০২ নং ওয়ার্ডের চক রামচন্দ্র মধ্য পাড়া এলাকার মাজেদুল নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে যে, তিনি তার বাড়িতে মাদক দ্রব্য রেখে বিক্রয় করছেন। এই সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম রাত ০৮ ঘটিকায় এলার উপস্থিত লোকজন নিয়ে আসামি মাজদুল (৪০), পিতা সাইবুল, গ্রাম চক রামচন্দ্র মধ্য পাড়া, থানা জেলা নওগাঁ এর বাড়িতে তল্লাশী চালায়।

তল্লাশীর সময় আসামি মাজদুলের ঘরের টেবিলের ড্রয়ারের মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো ৫ পাতায় মোট ৫০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যেখানে প্রতিটি পাতায় ১০ পিচ ট্যাবলেট ছিল। এ সময় আসামি মাজদুলের সহযোগী আসামি সোহাগ হাসান (২৮), পিতা বেলাল হোসেন, সাং চক গোবিন্দ মধ্য পাড়া, থানা জেলা নওগাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। আসামি সোহাগ হাসান স্থানীয় এলাকায় ১ নং আসামি মাজদুলের ম্যানেজার হিসেবে পরিচিত।

এছাড়া, আসামি সোহাগ হাসানের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ২৯০০ টাকা জব্দ করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়েক মাসের মধ্যেই সৌরবিদ্যুতে চলবে পুরো সংসদ : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


কয়েক মাসের মধ্যেই সৌরবিদ্যুতে চলবে পুরো সংসদ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে সৌরশক্তির (সোলার) ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে।

তিনি বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরের সময় এ তথ্য তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য, যেমন সোলার প্যানেল, ইনভার্টার এবং ব্যাটারির ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশ অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর থেকে শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ গত ৮ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, সরকার তাদের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। বাল্ক রেটের অতিরিক্ত অর্থ সরকার প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করবে।

তারেক রহমান বলেন, রুফটপ সোলার থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় ব্যয় হবে ৬ থেকে ৭ টাকা। ফলে উদ্যোক্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করে সরকারের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করবেন, তাদের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ বিক্রির সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পরবর্তী তিন বছর সরকার নির্ধারিত ওই দামে কিনবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য ইতোমধ্যে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার জ্বালানি খাত ও বিদ্যুৎ খাতে আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং কিছুদিনের মধ্যে সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী এ বিষয়টি উপস্থাপন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট: রাশেদ খাঁন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন একমত নন। তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি করেননি, তবে এনসিপিতে তাঁর দুর্নীতির বিষয়টি একটি ওপেন সিক্রেট।

বুধবার রাতে, রাশেদ খাঁন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসে এই মন্তব্য করেন। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি করে নাই! শুধু জিজ্ঞেস করেন, জামায়াতের আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়ে নাই? নাহিদ ইসলাম এ বিষয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপ করে বলেছে, জামায়াতের আমির অনেক দরকষাকষির পরেও আসিফ মাহমুদের আসনটা ছাড়েনি! জামায়াতের আমিরের মন্তব্য এমন ছিল, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে রাজি হয়নি।’

রাশেদ খাঁন আরো বলেন, নাহিদ ইসলাম বিষয়টি নিয়ে কিছু মানুষের কাছে আক্ষেপ করেছিলেন এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদের আসনটি ছাড়তে রাজি হননি। তাঁর মতে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় নিতে জামায়াতের অনাগ্রহই এখানে কাজ করেছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘এমনকি আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে কল করলে জামায়াতের আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে আরও ২-৩টা আসন বেশি ছাড়ব, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিষয়ে আপনি অনুরোধ করবেন না! আমি জামায়াতের সমালোচনা করলেও, জামায়াতের আমিরের এই অবস্থানের জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আজকের (বুধবার) সংবাদ সম্মেলনটা লক্ষ্য করেন, সিনিয়র কোনো নেতা আসিফের পাশে নাই কেন? এর মূল কারণ হলো আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টা এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট! এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মী কষ্টে জীবন অতিবাহিত করে, সেখানে আসিফ মাহমুদ মাত্র ১৮ মাসের উপদেষ্টা হয়ে আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুদকের কোনো কর্মকর্তার শব্দের হেরফের হওয়ার কারণে আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস পেয়ে যায় না! সে অন্তত একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করেছিল, যেটা আমি নিজে জানি। এ বিষয়ে আমি একজন উপদেষ্টাকে জানালে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বেতন থেকে তো কেউ এত টাকা দিতে পারে না।’

রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ‘আসিফ মাহমুদ তো ওমরাহ করে এসেছে, তার উচিত ছিল অল্প বয়সের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা। আমি অন্তত তার এই ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতাম। কিন্তু বিরোধিতার কারণে, বিরোধী দলের সবাই আসিফ মাহমুদের পক্ষে অবস্থান করলেও, আমার কাছে যতটুকু তথ্য আছে, তাতে আমি সবসময় বলে যাব, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিল।’

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বক্তব্যের বিষয়ে রাশেদ খাঁনের এসব মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরে চরম বিশৃঙ্খলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


ইরান যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরে চরম বিশৃঙ্খলা

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনে গভীর প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশের ভেতরে নেতৃত্বের সংকট এবং বিদেশে সামরিক সক্ষমতার ওপর বাড়তে থাকা চাপ—দুইয়ের সমন্বয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর ছয় মাসের মাথায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, যখন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত কমে এসেছে এবং মন্ত্রীর জবাবদিহিতার মাত্রা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সামরিক নেতৃত্বে সর্বশেষ বড় পদত্যাগের ঘটনা ঘটে সোমবার। ওই দিন আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের উদীয়মান তারকা হিসেবে বিবেচিত ড্রিসকলকে ইউক্রেন-সংক্রান্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক দায়িত্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব ও আধুনিকায়ন নিয়ে হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাসের মতবিরোধের পর তিনি পদ ছাড়েন।

এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ বরখাস্ত করেন। ড্রিসকলের পদত্যাগের ফলে ইরান যুদ্ধের মধ্যেই সেনাবাহিনী সিনেট-অনুমোদিত বেসামরিক বা সামরিক নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। হেগসেথ এরই মধ্যে প্রায় সব বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা পদচ্যুত করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল এবং সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ।

ওয়াশিংটন পোস্টের হিসাবে, হেগসেথের দায়িত্ব গ্রহণের পর পেন্টাগনের দুই ডজনের বেশি শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন। তিনি প্রায় পুরো জয়েন্ট চিফসকেই নতুন করে সাজিয়েছেন। তার অধীন থাকা মেরিন কোর ও স্পেস ফোর্সের প্রধানরাই কেবল এখনো নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চলতি বছর পদোন্নতির তালিকা থেকে হেগসেথ ব্যক্তিগতভাবে অন্তত ৪৫ জন কর্মকর্তার নাম বাদ দিয়েছেন। ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকা পদোন্নতি ব্যবস্থায় এটিকে ব্যতিক্রমী হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এনবিসি নিউজ মঙ্গলবার জানায়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতেও হেগসেথ আরও কয়েকটি পদোন্নতি আটকে দিয়েছেন। এসব কর্মকর্তার মধ্যে বিভিন্ন বাহিনীর এক ডজনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্পানিক ও নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। এর ফলে ইরান যুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কমান্ড কাঠামো আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপ, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও লাতিন আমেরিকার দায়িত্বে থাকা কমান্ডাররা ইরান যুদ্ধের জন্য সেনা মোতায়েন বাড়ানোর বিষয়ে নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের কারণে অন্যান্য অঞ্চলের হুমকি মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

হেগসেথকে নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল জানিয়েছেন, তাদের ডেস্ট্রয়ারগুলোর মাত্র এক-চতুর্থাংশ মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র বিশেষায়িত বিমানবাহী রণতরীও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মজুতের ৬৫ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে। এতে ন্যাটোর সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে—এমন অস্ত্রও পেন্টাগনকে বর্তমান সংঘাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এক সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা রয়েছে এবং সামরিক শিল্পের সঙ্গে কাজ করে সেই সক্ষমতাকে কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন—এমন গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের থাকা অত্যন্ত জরুরি। তার ভাষায়, ‘খেয়ালখুশিমতো এই লোকগুলোকে বরখাস্ত’ করলে বিভ্রান্তি ও শূন্যতা তৈরি হয়। তার মতে, মার্কিন সেনাবাহিনী বর্তমানে এমনই এক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দপ্তরটি বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে—এমন ধারণাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ধারণা পেন্টাগনের প্রত্যেক নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার ও যোদ্ধার জন্য অপমানজনক, যারা প্রতিদিন দেশ রক্ষায় কাজ করতে আসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের নজর, ডেনমার্কের নতুন সামরিক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের নজর, ডেনমার্কের নতুন সামরিক প্রস্তুতি

ডেনমার্ক এবার আর্কটিকের বরফঢাকা ভূখণ্ডে নিজেদের উপস্থিতি আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করছে। কোপেনহেগেন, সাম্প্রতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় নিয়োগ পাওয়া সৈন্যদের গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিগ্রহণের দাবি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের পর এই দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্ব নতুন তাৎপর্য পেয়েছে।

ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড শুরু থেকেই সেই প্রস্তাবকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এরই মধ্যে, ডেনমার্কের সম্প্রসারিত বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা কর্মসূচির প্রথম ব্যাচের সৈন্যরা গ্রিনল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে। কোপেনহেগেনের উদ্দেশ্য হলো, আর্কটিকের মতো কঠিন এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কাজ করার উপযোগী দক্ষ সৈন্য তৈরি করা এবং সেখানে ডেনমার্কের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা। ১৯ বছর বয়সী সৈনিক ডেভিড বলেছেন, ‘এর মাধ্যমে আমাদের উপস্থিতি জানান দেওয়া হয় যে আমরা এখানে আছি। আমরা কেবল নিজেদের স্বার্থ নয়, গ্রিনল্যান্ডের মানুষের কথাও ভাবছি।’

বরফের দেশে কঠিন সামরিক প্রশিক্ষণ

গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছানো সৈন্যরা বর্তমানে চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ার মধ্যে যুদ্ধ এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ‘আর্কটিক অ্যান্ডুরেন্স’ নামের সামরিক মহড়ায় ন্যাড়া পাথর ও গাছপালাহীন বিস্তীর্ণ খোলা এলাকায় চলছে তাদের কঠোর অনুশীলন। সৈন্যদের কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন লরা জেপসেন জানিয়েছেন, বিশাল কৌশলগত যোগাযোগ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিকূল ভূখণ্ড ও চরম জলবায়ুতে সৈন্যদের অভিজ্ঞতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

এই প্রশিক্ষণ ন্যাটোর ‘আর্কটিক সেন্ট্রি’ মিশনেরও অংশ। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মন্তব্যের পর আর্কটিক অঞ্চলে জোটের উপস্থিতি বাড়ানো এবং নিজেদের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে এ বছর এই মিশন শুরু হয়েছে।

রাশিয়া-চীনের দিকেও নজর

আর্কটিক অঞ্চল কেবল রাজনৈতিকভাবেই নয়, খনিজ সম্পদের কারণে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই এলাকায় ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতি বাড়াকে সরাসরি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখছে রাশিয়া। বর্তমানে আর্কটিকে সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে মস্কোর। অন্যদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের কার্যক্রমও বাড়িয়েছে চীন। ফলে অঞ্চলটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটো, রাশিয়া ও চীনের স্বার্থের সংঘাত আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

এতদিন আর্কটিকে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না করার বিষয়টি স্বীকার করেছে ডেনমার্কও। অঞ্চলটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহের পর আর্কটিকে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার পথে হাঁটছে কোপেনহেগেন। ২২ বছর বয়সী সৈনিক আন্তনের ভাষায়, ‘এটি এই বার্তাই দেয় যে, ডেনমার্ক ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে শক্তিশালী করছে।’

তথ্য সূত্র-

রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%