মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১১:১৩ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর চাকলা এলাকায় মরা পদ্মা নদীর পানিতে গোসল করতে গিয়ে একইসঙ্গে পাঁচ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনার ফলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী নিহত শিশুদের বাড়িতে যান।
জেলা প্রশাসক শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
জেলা প্রশাসক পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।
এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন এবং দেবীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ শিশুর একসঙ্গে মর্মান্তিক মৃত্যুতে চর চাকলা এলাকা ও আশপাশের এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির জোড়গাছা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন উল্লাসকে সভাপতি এবং সাঁথিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট বাকশিস পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এই কমিটি গঠন করা হয়। এ উপলক্ষে বাকশিস সাঁথিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
জোড়গাছা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন উল্লাসের সভাপতিত্বে এবং পাবনা ইসলামীয়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির (বাকশিস) পাবনা জেলা শাখার আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন সাগর। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাকশিস পাবনা জেলা শাখার সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান মিল্টন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, পাবনা খতিব জাহিদ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম শফিক, পাবনা শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইসমাইল হোসেন, সাঁথিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মীর নাজমুল বারী নাহিদ, সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক ইকবাল রাসেল। এ সময় আরও বক্তব্য দেন, সাঁথিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলী, জোড়গাছা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফি কামাল, কাশিনাথপুর শহীদ নূরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহবুব হাসান, ধুলাউড়ি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ আলী, বাংলা খবর প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক এম এম আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারের মূল্য নিয়ে কারসাজি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির যুব মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, কৃত্রিম সার সংকট সৃষ্টির জন্য একটি অসৎচক্র ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। সার নিয়ে যারা কোনো ধরনের অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র করবে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) হালুয়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি ও সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি, অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, মজুতদারি কিংবা প্রকৃত কৃষকদের বঞ্চিত করার সুযোগ কেউ না পায়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
কৃষকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সার বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি। বলেন, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; রাজনৈতিক দল ও সমাজের প্রত্যেক সচেতন মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। কৃষক সময়মতো সার পেলে ফসল উৎপাদন বাড়বে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এ সময় সার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির এই নেতা। প্রকৃত কৃষকরা যাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় সার পান, তা নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এসব সভায় দলের ঘোষিত কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন এবং সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শনিবার বিএনপি আয়োজিত সভাগুলোতে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, ধোবাউড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ মোফিজ উদ্দিন, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক, হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার হাওয়া-বাতাস শুধু স্যোশাল মিডিয়া আর ভারত— এই দুইটা জায়গায় দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার হাওয়া-বাতাস শুধু দুইটা জায়গায় দেখা যায়। একটা স্যোশাল মিডিয়া, আরেকটা হয়তো ভারতে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ফেরার কোনো বাতাস আসার সুযোগ নেই।’
শেখ হাসিনার ফিরে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডে গণহত্যাকারী, খুনি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কিংবা কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফিরতে পারবে না। বাংলাদেশে যখন ঢুকবে, তখন জনগণ ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাবে।’
এরপর জ্বালানি সমস্যার কথা উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, যদি অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী এই কথা বলেন যে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাহলে এই সেক্টরগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক মন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। এখানে শুধু একজন মন্ত্রীকে দায় দিয়ে লাভ নেই।
এনসিপির এ নেতা বলেন, এই দায়ভার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনোভাবে এড়াতে পারেন না। তিনি যদি দেখেন যে একজন মন্ত্রী সঠিকভাবে তার মন্ত্রণালয় চালাতে পারছেন না, তাহলে অবশ্যই তাকে অপসারণ করতে হবে। সেটা না করে তাকে যদি বসিয়ে রাখেন এবং ব্যর্থতার নাটক দেখতে থাকেন; তাহলে এই দায়ভার আপনি এড়াতে পারেন না।
এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে সারজিস বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেন তার মন্ত্রণালয়ে একটু নজর দেন। তিনি তো বর্তমানে আসলে প্রধানমন্ত্রীর প্রক্সি হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু এটা করতে গিয়ে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি নজর দিতে পারছেন না। আমরা তাকে আহ্বান করব, তিনি যেন তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দিকে নজর দেন।
এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আশরাফ উদ্দিন মাহদি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক বাকের মজুমদার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলায় পরিবেশকর্মীদের উদ্যোগে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী জেলা শাখার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সভার পর, উপস্থিত পরিবেশকর্মীদের মতামত ও সম্মতিক্রমে বাপা মোহনপুর উপজেলার শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে পরিবেশকর্মী মো. মিরাজুল ইসলাম মতিন-কে আহ্বায়ক এবং সমাজকর্মী মো. আব্দুস সালাম-কে সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জামাত খান। সভার সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক সেলিনা বেগম, কোষাধ্যক্ষ জাহিদ হাসান, সদস্য শাহনাজ পারভীন এবং সেলিনা বেগম। সভাটি সঞ্চালনা করেন পবা উপজেলা শাখার সম্পাদক ইউসুফ আলী চৌধুরী।
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোলাম মোস্তফা বাবলু, সাদিকুল ইসলাম স্বপন, এম এম মামুন, রাবেয়া খাতুন সীমা, আজগর আলী, তোফাজ্জল হোসেন, মোস্তফা হোসেন ভিক্টর, হাসান মাহমুদ লিটন, বাবুল স্বর্ণকার, খায়রুজ্জামান লিটন, দুলাল হোসেন ফয়সাল, সারোয়ার হোসেন, কাওসার আলী প্রমুখ।
সভায় অতিথিবক্তাগণ আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন আহ্বায়ক কমিটি এই অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নদী ও জলাশয় রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ মাঠপর্যায়ে কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ “নদী বাঁচাও, পরিবেশ বাঁচাও, দেশ বাঁচাও” এই স্লোগানকে ধারণ করে নদী, জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ ধ্বংসকারী সব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত গড়তে এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ