মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২২ পি.এম
ভারতের সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যাতে দাবি করা হয়েছে যে, দেশের বাজারে ইলিশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা এবং বাংলাদেশি ইলিশ বিদেশে পুনঃরপ্তানির অভিযোগ তুলে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করা উচিত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ একটি মূল্যবান ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সম্পদ। বর্তমানে দেশের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম দুই হাজার ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা সাধারণ ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ইলিশ কেনা কঠিন করে তুলেছে।
এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে সংকট ও উচ্চমূল্য থাকা সত্ত্বেও অতীতে তুলনামূলক কম দামে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আবার, ভারতীয় কিছু আমদানিকারক বাংলাদেশ থেকে কম দামে ইলিশ এনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বেশি দামে পুনঃরপ্তানি করে মুনাফা করছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, এর ফলে বাংলাদেশ সম্ভাব্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হতে পারে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়টি সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে তুলে ধরা হয়েছে।
এতে আগামী সাত দিনের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানিসংক্রান্ত কোনো প্রশাসনিক বা নীতিগত সিদ্ধান্ত না নেওয়া, দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা এবং মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি রপ্তানির স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান মন্তব্য করেছেন, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারকে ঘৃণা ও সহিংসতার উসকানি দেওয়ার পরিবর্তে টেকসই উন্নয়নের কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে মানবাধিকার, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
আইরিন খান বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সকল মানুষের বৈচিত্র্য এবং মর্যাদা রক্ষা করা হবে।
সোমবার জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান উল্লেখ করেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল- জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় বা জাতীয় বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ব এখনও অনেক দূরে রয়েছে। এ সময় তিনি ডিডিপিএর পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিকতা এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক অবিচার থেকে উদ্ভূত কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় ন্যায়বিচার, শিক্ষা, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগণ, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা মানুষের অধিকার সুরক্ষা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি মন্তব্য করেছেন যে, মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে অনেক এগিয়ে রয়েছে এবং এই অবস্থানকে আরও উন্নত করতে হবে।
আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভাটি মৎস্যবিজ্ঞান ভবনের প্রফেসর মোহাম্মদ শফি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ফিসারিজ সেক্টরের পরিধি ব্যাপক এবং এ খাতে কর্মসংস্থানও অনেক বিস্তৃত। এক সময় মানুষ এই সেক্টরকে তেমন গুরুত্ব দিত না, তবে বর্তমানে এর গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তিনি খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে মৎস্য খাতকে উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং মৎস্য চাষে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মৎস্য পক্ষের সূচনা করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
দেশের নদ-নদীর নাব্যতা ও দূষণের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের অনেক নদীর নাব্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীগুলোকে কীভাবে দূষণমুক্ত করা যায় এবং নাব্যতা ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের ক্ষেত্রেও সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ যদি গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণে সক্ষম হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে এটি ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে।
মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী বাংলাদেশে মৎস্য খাতে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্র ও জীবন গঠনের ক্ষেত্রে এ খাতে নিজেদের এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বর্তমানে মৎস্য খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, মৎস্য খাত সম্পর্কে জ্ঞানচর্চা করে এর সম্ভাবনা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হবে। ভবিষ্যতে মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও উন্নয়নে মৎস্য শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়াহিদা হক। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওয়ায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৮ হাজারেরও বেশি এবং মৃতের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজারে পৌঁছেছে। কঙ্গো সরকারকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
কঙ্গোর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ইবোলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮,০৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৩,৯০১ জনের মৃত্যু ঘটেছে, যা শতকরা হিসেবে প্রায় ৪৮.৪ শতাংশ। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাইরাসের ‘বুন্ডিবুগিও’ (Bundibugyo) নামক একটি বিশেষ ধরনের স্ট্রেন ছড়িয়ে পড়ছে, যার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট টিকা বা প্রতিষেধক অনুমোদিত হয়নি। যদিও বিভিন্ন পরীক্ষামূলক টিকাদান কর্মসূচি ও চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে, তবে টিকার তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় চোপো (Tshopo) প্রদেশে পরীক্ষামূলক টিকার সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অসন্তোষ ও অবিশ্বাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। গণসচেতনতা তৈরির কাজে স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন। উত্তর কিভু প্রদেশের বুতেম্বো শহরে ইবোলা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে রেডিওতে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার পর শাসকদল ইউডিপিএস-এর এক জ্যেষ্ঠ নেতাকে ক্ষুব্ধ জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই মহামারি এখনই শেষ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এটি ২০১৪-২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ছড়ানো ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের রেকর্ডকে অতিক্রম করতে পারে। কঙ্গোর দুর্বল স্বাস্থ্য অবকাঠামো, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সশস্ত্র সংঘাত এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ২৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আরও ফান্ড সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুর থেকে এক মাস আগে ছুটিতে এসেছিলেন রোকন আহমেদ জয়; হত্যার অভিযোগ স্বজনদের, তদন্তে পুলিশ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রোকন আহমেদ জয় (২৬) নামে এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্ব নয়াহাটী এলাকায় নিজ বাড়ির উঠান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোকন আহমেদ জয় কালিকাপ্রসাদ পূর্ব নয়াহাটী এলাকার মো. সাত্তার মিয়ার ছেলে। তিনি জীবিকার তাগিদে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় দুই বছর থাকার পর এক মাস আগে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি।
স্থানীয় ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বাড়ির উঠানে একটি গাছের সঙ্গে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রোকনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি ভৈরব থানা-পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা রোকনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাঁর হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান মিয়া বলেন, রোকন প্রায় এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, রাত আনুমানিক ২টার দিকে রোকনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাঁকে হত্যা করে বাড়ির উঠানের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি বলেন, ‘এভাবে একজন প্রবাসী যুবককে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
নিহতের বাবা মো. সাত্তার মিয়া বলেন, আগের দিন কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য কিছু কাপড় কিনবে বলে টাকা নিয়ে ঢাকায় যায়। আর সে ঢাকা থেকে মার্কেটও করে বাড়িতে আসে কিন্তু রাতের কোন একসময় তাকে কে বা কারা ডেকে নিয়ে যায় আর সকালে আমার একজন জন বলতেছে তুমি তাড়াতাড়ি বাড়িতে যাও কিছু একটা হয়েছে। বাড়িতে এসে দেখি আমার ছেলে আর নাই।
তিনি প্রশাসনের কাছে তাঁর ছেলের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত, হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
নিহতের মা ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, কালিকাপ্রসাদ এলাকায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা এক যুবকের মরদেহ গাছে ঝুলছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ