বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:১৮ পি.এম
কক্সবাজারের মহেশখালী থানার বহুল আলোচিত রহমত উল্লাহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) র্যাব-৭ ও র্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার মো. এনাম (৩৫) মহেশখালী উপজেলার রাজুয়ারঘোনা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। তিনি মহেশখালী থানায় ২০২০ সালের ১৯ মে হওয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, ২০২০ সালের রহমত উল্লাহ হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি মো. এনাম হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ধলই এলাকার মাহাবুব মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন। পরে বুধবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কক্সবাজারের চকরিয়া থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় হঠাৎ করে আগুন লেগে যায়। এতে ১০ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের সবাইকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বোয়ালখালী থানার পশ্চিমবঙ্গ বানু মেম্বার টেক পৌরসভা এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা মেডিকেল ওয়ান এসআই আলা উদ্দিন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শ্রমিকরা যখন কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এই ঘটনায় ১০ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার রুহুল আমিনের ছেলে দিদারুল আলম (৩২), রাঙ্গুনিয়া থানার বিরাজ মোহন দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশ (৫৩), সদরঘাট থানার আবুল কালামের ছেলে মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগড়া থানার ছালে আহমদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজান থানার মৃত আমিনুল হকের ছেলে জাহিদুল আলম (৪২), বোয়ালখালী থানার মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), বোয়ালখালী থানার নূর চ্চাপার ছেলে নূর নবী (২৫), পটিয়া থানার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আলম (৪৫), পটিয়া থানার খায়ের আহমদের ছেলে মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশ থানার আলতাজ মিয়ার ছেলে সেলিম উদ্দিন (৩০)।
চিকিৎসকরা জানিয়েছে, দগ্ধদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তাদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মাদারীপুর জেলার কালকিনিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালকিনি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। সভাটির সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফীন।
এ সময়ে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শহিদ পরিবারের সদস্য এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় জুলাই আন্দোলনে শহিদ পরিবারের সদস্যরা তাঁদের স্বজন হারানোর বেদনাময় স্মৃতিচারণ করেন। বক্তব্য দিতে গিয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আবেগঘন মুহূর্তে, মাদারীপুরের শহিদ শিফাতের বাবা কামাল বেপারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনার বাহিনী আমার ছেলের বুক ঝাঁঝরা করে দিয়েছে। একজন বাবার জন্য এর চেয়ে বড় কষ্ট আর হতে পারে না।” তাঁর এই বক্তব্যে উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আনিছুর রহমান তালুকদার খোকনের ভূমিকা এবং গুমের সময় তাঁর ওপর চালানো নির্যাতনের ভিডিওচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওটি প্রদর্শনের সময় সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকেই দীর্ঘদিন গুম ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনাগুলো দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, “আমি গুম হয়েছিলাম, নির্যাতন সহ্য করেছি। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ফিরে এসেছি। আমার সন্তানরা আজ আমাকে দেখতে পায়। কিন্তু যারা গুম হয়ে আর ফিরে আসেননি, তাদের পরিবারের ত্যাগ ও কষ্ট অনেক বড়। আমরা সেই আত্মত্যাগ কখনো ভুলতে পারি না।”
তিনি আরো জানান, “১৬ জুলাই আবু সাঈদ নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে বুক পেতে বুলেট গ্রহণ করেছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সেই বীর শহিদদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন নতুন শক্তি পেয়েছে।”
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি আরো বলেন, “তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই আমি মনে করি, তিনি নির্যাতিত মানুষের প্রতিনিধি এবং নির্যাতিত মানুষের অভিভাবক।”
এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে ৪২তম ক্যাডেট এসআইদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমির প্যারেড মাঠে এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ সম্পন্ন হয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এবারের কুচকাওয়াজে ১৯ জন নারী এবং ৪৮১ জন পুরুষসহ মোট ৫০০ শিক্ষানবিশ ক্যাডেট এসআই অংশ নেন।
প্যারেডে পরিদর্শনের পর আইজিপি আলী হোসেন ফকির বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অ্যাডিশনাল আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান।
এক বছর মেয়াদি এই প্রশিক্ষণে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে শাহরিয়ার হাসান সিজান, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে সাইফুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ ক্যাডেট তৌকির আহমেদ, বেস্ট সুইমার আশরাফুল ইসলাম এবং বেস্ট শুটার কামরান শেখ পুরষ্কার পেয়েছেন।
পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির বক্তব্যে বলেন, ‘সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া, ফিশিং এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর মত অপরাধ বর্তমানে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এসব অপরাধ মোকাবেলায় দক্ষতার বিকল্প নেই। নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, প্রতিনিয়ত আপডেট হতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ফরেনসিকের মত জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য।’
আইজিপি আলী হোসেন ফকির আরও বলেন, ‘সব প্রকার ভয়ভীতি, অনুরাগ-অনুকম্পা ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে মামলা তদন্ত, সব শ্রেণিপেশার নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’
পুলিশের নবীন সদস্যদের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে নিরপরাধ, বিপন্ন ও বিপদগ্রস্ত মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। পুলিশ সদস্যদের আচরণ দ্বারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ দিতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা হবে বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।’
সারদা পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ৪২তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচে প্রশিক্ষণে মোট ৫০০ এসআই ছিলেন। তারা ২০২৫ সালে সারদায় বনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু করেন। আজ তাদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হলো। তার পর তারা মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে দুই বছরের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আর্থিক নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে আরো কার্যকর করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে ফেডটি বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য পাঁচটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে।
বর্তমানে এই টাস্ক ফোর্সে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের (আরবিআই) সাবেক গভর্নর রঘুরাম রাজন, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ রাজ চেটি এবং মাইক্রোসফটের শীর্ষ কর্মকর্তা আশা শর্মাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক গভর্নর মার্ভিন কিং, ওয়ালমার্টের সাবেক সিইও ডগ ম্যাকমিলন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ টমাস সার্জেন্ট এবং সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী মার্ক অ্যান্ড্রেসেনও এসব দলে রয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা হলো ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কাজ হলো দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সুদের হার নির্ধারণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা।
নবনিযুক্ত ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বৃহস্পতিবার বলেন, "বিভিন্ন ক্ষেত্রের শীর্ষ বিশেষজ্ঞদের একত্র করে ফেডের কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য।" তিনি জানান, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হবে।
ওয়ার্শ বলেন, "গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মুদ্রাস্ফীতি ফেডের লক্ষ্যমাত্রার ওপরে থাকায় নতুন চিন্তাভাবনা ও সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।" সে কারণে এই টাস্ক ফোর্সগুলো গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ১৫ জন অভিজ্ঞ ও বিভিন্ন মতাদর্শের বিশেষজ্ঞকে এই উদ্যোগে যুক্ত করা হয়েছে, যাতে নতুন ধারণা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।
ফেডের কাজের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল যোগাযোগ কৌশল, ব্যালেন্স শিট নীতি, অর্থনৈতিক তথ্যের ব্যবহার, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান এবং মুদ্রাস্ফীতির কাঠামো, এই টাস্ক ফোর্সগুলো পর্যালোচনা করবে। রঘুরাম রাজন হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ ক্যারেন ডাইনান এবং ফেডের সাবেক গভর্নর জেরেমি স্টাইনের সঙ্গে ব্যালেন্স শিট পলিসি টাস্ক ফোর্সে কাজ করবেন। এই দল ফেডের বর্তমান ব্যালেন্স শিট ব্যবস্থার ব্যয়, সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব মূল্যায়ন করবে। পাশাপাশি সম্পদ ধারণ এবং মুদ্রানীতি বাস্তবায়নে এসব সম্পদের ভূমিকা পর্যালোচনা করবে।
রঘুরাম রাজন ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আরবিআইয়ের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা পরিচালক ছিলেন। আর্থিক স্থিতিশীলতা ও মুদ্রানীতি নিয়ে তার কাজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। অন্যদিকে, রাজ চেটি ডেটা টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দেবেন। এই দলের কাজ হবে অর্থনৈতিক তথ্যের মান ও দ্রুতপ্রাপ্যতা উন্নত করা, যাতে ফেড আরো কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
অর্থনৈতিক সুযোগ, বৈষম্য ও শ্রমবাজার নিয়ে গবেষণার জন্য চেটি সুপরিচিত। মাইক্রোসফ্টের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এক্সবক্স প্রধান আশা শর্মা প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড জবস টাস্ক ফোর্সে কাজ করবেন। এই দল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ নতুন প্রযুক্তির উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করবে। ফেড বর্তমানে তার মুদ্রানীতি কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন করছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার ব্যালেন্স শিট প্রায় ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে সম্প্রসারণ করেছিল। এখন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সেই ব্যালেন্স শিট ধীরে ধীরে কমানোর প্রক্রিয়াও চলছে। এই প্রেক্ষাপটে গঠিত নতুন টাস্ক ফোর্সগুলো ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ