ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুবলীগ নেতার গোডাউন থেকে ৩৫৫ কেজি সার জব্দ


যুবলীগ নেতার গোডাউন থেকে ৩৫৫ কেজি সার জব্দ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এক যুবলীগ নেতার গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ৩৫৫ কেজি সার জব্দ করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে উপজেলার পালুহাটি বাজারে ব্যবসায়ী ও অচিন্তপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুজনের (৪৫) গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। তিনি পালুহাটি গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে।
জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিস আফিয়া আমীন পাপ্পার নেতৃত্বে পালুহাটি বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কাওসার আহমেদসহ গৌরীপুর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উপজেলা কৃষি অফিসার ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযানের খবর পেয়ে এর আগেই যুবলীগ নেতা সুজন গোডাউনে তালা দিয়ে পালিয়ে যান।
উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কাওসার আহমেদ জানান, সুজন একজন খুচরা কীটনাশক ব্যবসায়ী। তবে খোলা বাজারে সার বিক্রি বা মজুত করার কোনো বৈধতা তার নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে সমাজসেবার এককালিন অনুদান বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শেরপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


শেরপুরে সমাজসেবার এককালিন অনুদান বিতরণ

শেরপুরের নকলায় সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও ব্যক্তির মাঝে বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত এককালীন আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। উপজেলার সুবিধাভোগী ১৩টি এতিম খানার মোহতামিম ও ৪টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতির হাতে এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫টি পরিবার প্রধান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৩ শিক্ষার্থীর হাতে প্রধান অতিথি নিজ হাতে বরাদ্দকৃত অনুদানের চেক ও নগদ অর্থ তুলেদেন।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রোমান হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমানসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রহমানসহ সুবিধাভোগী এতিম খানার মোহতামিমগন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুবিধাভোগী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবার প্রধান ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য সুদ এড়িয়ে বাড়ি-গাড়ি ও ক্রেডিট কার্ড কেনার বিকল্প ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য সুদ এড়িয়ে বাড়ি-গাড়ি ও ক্রেডিট কার্ড কেনার বিকল্প ব্যবস্থা

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য যারা সুদ এড়িয়ে চলতে চান, তাদের মাঝে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, গাড়ি কেনা এবং বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে অনেক সময় দ্বিধা দেখা দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে সুদ ছাড়াই এসব সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। ইসলামি স্কলার ও ফিকহ বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে কিছু বিকল্প ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যায়। কিন্তু প্রতিটি আর্থিক চুক্তির শর্ত আলাদাভাবে যাচাই করা আবশ্যক।

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমে একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে যে সুদ দিতে হবে, এমন নয়। যেসব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে, সেখানে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পুরো স্টেটমেন্ট ব্যালেন্স পরিশোধ করলে সাধারণ কেনাকাটার ওপর সুদ না দেওয়ার সুযোগ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রোটেকশন ব্যুরো জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটার জন্য গ্রেস পিরিয়ড থাকে। তবে সব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড থাকা বাধ্যতামূলক নয় এবং কার্ডভেদে শর্ত আলাদা হতে পারে।

অর্থাৎ, যদি কেউ এক মাসে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ১ হাজার ডলারের কেনাকাটা করেন এবং নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পুরো ১ হাজার ডলার পরিশোধ করেন, তাহলে গ্রেস পিরিয়ড প্রযোজ্য থাকলে ওই কেনাকাটার জন্য সুদ দিতে হবে না। কিন্তু যদি পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ না করে শুধু ন্যূনতম পেমেন্ট দেওয়া হয়, তাহলে সুদ আরোপ হতে পারে। ক্যাশ অ্যাডভান্সের ক্ষেত্রে সাধারণ কেনাকাটার মতো নিয়ম প্রযোজ্য নয় এবং সেখানে দ্রুত সুদ শুরু হতে পারে।

এই বাস্তবতার সঙ্গে ইসলামি ফিকহের কিছু মতামতেরও মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাসেম্বলি অব মুসলিম জুরিস্টস অব আমেরিকা বা এএমজেএর একটি ফতোয়ায় বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রয়োজনের বাস্তবতা বিবেচনায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ছাড় রয়েছে। ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত হতে হবে যে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন এবং সুদ কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি করবেন না। এএমজেএর আরেকটি সিদ্ধান্তে গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করার শর্তে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের অনুমতির কথা বলা হয়েছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ধরনের ক্রেডিট কার্ডকে ইসলামি স্কলাররা সুদমুক্ত বা শরিয়াহসম্মত বলে ঘোষণা করেছেন। বরং বিষয়টি শর্তসাপেক্ষ। বিশেষ করে যে চুক্তিতে বিলম্ব হলে সুদ দিতে হয়, সেটি গ্রহণ করা নিয়ে আলেমদের মধ্যে সতর্কতা রয়েছে। তাই কোনো কার্ড নেওয়ার আগে তার চুক্তি, সুদের শর্ত, গ্রেস পিরিয়ড, ক্যাশ অ্যাডভান্সের নিয়ম এবং বিলম্বিত পেমেন্টের শর্ত ভালোভাবে দেখা জরুরি।

গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন ক্রেতাদের জন্য কিছু বিকল্প রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা ও ডিলার নির্দিষ্ট গাড়ি, নির্দিষ্ট মেয়াদ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতার ক্রেতাদের জন্য শূন্য শতাংশ বা ০ শতাংশ এপিআর ফাইন্যান্সিং অফার করে। তবে এ ধরনের অফার সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। ভালো ক্রেডিট স্কোর, নির্দিষ্ট গাড়ির মডেল, ডাউন পেমেন্ট, ঋণের মেয়াদ কিংবা অন্য কোনো শর্ত থাকতে পারে।

ইসলামি ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মঞ্জের কাহফের প্রকাশিত ফতোয়াতেও যুক্তরাষ্ট্রে ০ শতাংশ গাড়ি ফাইন্যান্সিং নিয়ে ইতিবাচক মতামত পাওয়া যায়। তিনি এমন গাড়ি কেনার ব্যবস্থা অনুমোদনযোগ্য বলেছেন, যেখানে ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি চুক্তিতে সুদের অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নেই এবং ডিলার নিজস্ব খরচের অংশ হিসেবে অন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করে। তার ব্যাখ্যায় মূল বিষয় হলো ক্রেতার সঙ্গে করা চুক্তির প্রকৃতি।

আরেকটি ফতোয়ায় ড. মঞ্জের কাহফ যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সুদভিত্তিক ফাইন্যান্সিং এড়িয়ে চলার কথা বলেন এবং উল্লেখ করেন যে বিভিন্ন গাড়ি ডিলারের কাছ থেকে ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিংয়ের সুযোগ পাওয়া যায়। তবে বাজারের অফার এবং চুক্তির শর্ত সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট গাড়ির অফার শরিয়াহসম্মত কি না, তা চুক্তি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই নিরাপদ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ০ শতাংশ এপিআর লেখা থাকলেই কোনো গাড়ির ফাইন্যান্সিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইসলামি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। চুক্তিতে বিলম্বের সুদ, অতিরিক্ত চার্জ, মালিকানা, লিজের কাঠামো এবং অন্যান্য শর্ত কী আছে, তা দেখতে হবে। একইভাবে কোনো ডিলার যদি গাড়ির দাম বাড়িয়ে নির্দিষ্ট কিস্তিতে বিক্রি করে, সেটি সরাসরি সুদভিত্তিক ঋণের সমান কি না, তা চুক্তির কাঠামোর ওপর নির্ভর করে।

বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়েছে। প্রচলিত মর্টগেজের পরিবর্তে ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো মুরাবাহা, ইজারা এবং ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো কাঠামো ব্যবহার করে থাকে। ডিমিনিশিং মুশারাকায় সাধারণভাবে ক্রেতা এবং ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বাড়ির মালিক হন। ক্রেতা মাসিক পেমেন্টের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশ কিনে নেন। শেষ পর্যন্ত বাড়ির সম্পূর্ণ মালিকানা ক্রেতার কাছে চলে আসে। মুরাবাহায় ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান বাড়ি কিনে নির্ধারিত লাভ যোগ করে গ্রাহকের কাছে একটি নির্দিষ্ট মোট মূল্যে বিক্রি করে। আর ইজারায় লিজ বা ভাড়া ভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা থাকতে পারে।

বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে এএমজেএর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনার পর এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি কিছু প্রতিষ্ঠানের কাঠামো নির্দিষ্ট শর্তে শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাদের পর্যালোচনায় মুরাবাহা, ডিমিনিশিং মুশারাকা এবং ইজারার মতো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও সাম্প্রতিকভাবে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়া কোম্পানির ডিমিনিশিং পার্টনারশিপ বা ধীরে ধীরে মালিকানা হস্তান্তরভিত্তিক হোম ফাইন্যান্সিং চুক্তি পর্যালোচনা করে সেটিকে ইসলামি আইনের অধীনে গ্রহণযোগ্য বলে মত দিয়েছে। তবে কমিটি একই সঙ্গে স্বাধীন শরিয়াহ তদারকি বোর্ড রাখার পরামর্শ দিয়েছে এবং চুক্তিতে নির্ধারিত শর্তগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

এএমজেএর আগের পর্যালোচনায় মুবরাক মর্টগেজের মুরাবাহা চুক্তিকেও শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে। তবে একই প্রতিষ্ঠান স্পষ্ট করেছে, কোনো কোম্পানির চুক্তি পরিবর্তিত হলে আগের ফতোয়ার অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ইসলামিক ফাইন্যান্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলেই সেটির বর্তমান চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ধরে নেওয়া যাবে না।

এখানে ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসলামিক ফাইন্যান্স মানে শুধু প্রচলিত সুদের নাম পরিবর্তন করা নয়। প্রকৃত মালিকানা কার, সম্পদের ঝুঁকি কে বহন করছে, লাভ কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, বিলম্ব হলে কী হচ্ছে, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও ইন্স্যুরেন্সের দায়িত্ব কার এবং চুক্তি শেষ হলে সম্পদের মালিকানা কীভাবে হস্তান্তর হবে, এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য কিছু বাস্তব পথ রয়েছে। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ করে সুদ এড়ানোর সুযোগ কিছু ইসলামি ফিকহ বিশেষজ্ঞ শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন করেছেন। গাড়ির ক্ষেত্রে প্রকৃত ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিং কিংবা চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী শরিয়াহসম্মত বিকল্প বিবেচনা করা যেতে পারে। আর বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে মুরাবাহা, ইজারা ও ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো ফাইন্যান্সিং ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে চালু রয়েছে।

তবে এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের জন্য আর্থিক কিংবা ধর্মীয় সিদ্ধান্তের নির্দেশনা নয়। একজনের জন্য যে ব্যবস্থা উপযুক্ত হতে পারে, অন্যজনের জন্য তা নাও হতে পারে। বিশেষ করে ইসলামি ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং চুক্তির সামান্য পরিবর্তনেও ধর্মীয় সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে।

তাহলে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন কেউ ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি বা বাড়ির ফাইন্যান্সিং নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পুরো চুক্তি ভালোভাবে পড়ুন, মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে তা হিসাব করুন, সব ধরনের ফি ও জরিমানার শর্ত দেখুন এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য ও বিশ্বস্ত ইসলামি স্কলার বা ইসলামিক ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থার তথ্যও যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগ্রাসী উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব অসম্ভব : রাশেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


আগ্রাসী উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব অসম্ভব : রাশেদ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বলা হলেও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চলতে পারে না।

রোববার এক বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, “ভারত মুখে বলে বন্ধুত্বের কথা, আর সীমান্তে চালায় হত্যাকাণ্ড। ভারতের তথাকথিত বন্ধুত্ব আর সীমান্ত হত্যা একসঙ্গে চলতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরে বাংলাদেশ ২৩ বার বঞ্চনার শিকার হয়েছে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এখনও পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার পেছনে ভারতের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ছিল এবং দেশটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে আসছে। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, “তাই এই আগ্রাসী উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে কোনোভাবেই বন্ধুত্ব সম্ভব নয়।”

জাগপা মুখপাত্র জানান, তারা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চান না। সীমান্তে গুলি এলে পাল্টা জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত যদি বন্ধুত্ব চায়, তাহলে বন্ধুত্বের যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে এবং সম্মান চাইলে অন্যকেও সম্মান করতে হবে।

বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরকারকে মাথা উঁচু করে দেশের স্বার্থের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” নীতির কথা বলে ভারতের সামনে নতজানু হলে জনগণ রাজপথে তার জবাব দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃ-ত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


হবিগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃ-ত্যুদণ্ড

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জুবা আক্তার নামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির জন্য মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে, তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার খলিল উদ্দিন ও গোলাম হোসেন (৬০)। মামলার এজাহার এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের হরিনগর এলাকায় একটি জমি থেকে জুবা আক্তারের হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, ঘটনার রাতে কিশোরীটি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে ওই এলাকায় গিয়েছিল। সেখানে খলিল উদ্দিনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। মামলার তদন্ত এবং আদালতে দেওয়া জবানবন্দির বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, খলিল কিশোরীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে গোলাম হোসেন সেখানে উপস্থিত হন এবং কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। ঘটনার তিন দিনের মাথায় খলিল উদ্দিন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে গোলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার নথি ও সাক্ষ্য অনুযায়ী, ধর্ষণের একপর্যায়ে কিশোরীর মৃত্যু ঘটে। পরে ঘটনা আড়াল করতে তাঁর গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এরপর হাত-পা বেঁধে মরদেহটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম বলেন, "কিশোরী হত্যার মতো নৃশংস ঘটনায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%