০১:৩০ এম
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এনজিও খাতে টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য সময়সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা শুধু শুনতে চাই না, তার কার্যকর রেসপন্স করতে চাই।” তিনি বলেন, মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন। সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। এই অংশীদারত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এনজিওদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ঢাকায় জরুরি অবতরণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে গেল, রোগীর মৃত্যু
শীতলপাটিসহ দেশের স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন এবং মার্কেটিং প্রমোট করতে হবে। প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রেও চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এগুলো হলো- ভ্যালু ফর মানি, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই চার শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না।
সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন