মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৭ এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের ঘটনা নিয়ে দলটি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এনসিপির অভিযোগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতার পরিচালিত অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক এই অনুসন্ধান শুরু করেছে। দলটি এই উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও উল্লেখ করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেন এসব কথা তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পতিত আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ছড়ানো গুজব ও রাজনৈতিক প্রচারণাকে কাজে লাগিয়ে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এনসিপি দাবি করেছে যে, এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির দলীয়করণের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
দলটি অভিযোগ করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হেয় করতে দুদককে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের কর্মীদের তথ্যসূত্রহীন সংবাদকে ভিত্তি করে যদি কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধান শুরু করে, তাহলে সেই অনুসন্ধানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে।
এনসিপি মনে করে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তবে, এনসিপি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুদকের যেকোনো অনুসন্ধানে সহযোগিতার কথা জানিয়েছে। দলটির নেতাদের বক্তব্য, জুলাই সনদে ঘোষিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুদক পুনর্গঠন করা হলে তারা যে কোনো অভিযোগের তদন্তে সহযোগিতা করবেন।
এনসিপি জুলাই সনদের আলোকে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত দুদক পুনর্গঠনের দাবি তুলেছে। এই দাবি পূরণ না হলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দলটি।
বিবৃতিতে সরকারকে পতিত ফ্যাসিবাদীদের পথ অনুসরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের তিন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এতে অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলুর
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, সোমবার সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ শহর লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। হামলায় আহতদের অবস্থা গুরুতর নয়; তাদের আঘাত সামান্য থেকে মাঝারি মাত্রার।
এ ছাড়া হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আল-মালিকি অভিযোগ করেন, হুথিরা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
এর আগে সোমবার হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে সৌদি যুদ্ধবিমান ৫৪টি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সেইসঙ্গে হুথিদের ওপর চালানো এসব হামলার ‘জবাব দেওয়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন সারি।
সোমবারই হুথিরা খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে। পাশাপাশি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আরও বড় পরিসরে অভিযান চালানোর হুমকিও দেয় তারা।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের সংঘাতের মধ্যে সম্প্রতি পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জুলাইয়ের শুরু থেকে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছে।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা ও দেশটির বেশ কয়েকটি প্রদেশ দখল করার পর ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্পিডবোট ও স্টিলের বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালিয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় গ্রামের রায়হান ভূঁইয়ার ছেলে দয়াল মিয়া এবং কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বরারচর গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দিয়ে স্পিডবোটটি যাত্রী নিয়ে চাতলপাড়ের দিকে ফিরছিল। পথে খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালিয়া নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি স্টিলের বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দয়াল ও সজীবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, দুজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অপর আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের একটি অঞ্চলে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর, আহত অবস্থায় প্রায় ৫০ ঘণ্টা পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন এক মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্নেল। ভাঙা পিঠ, হাত ও কাঁধের চোট নিয়ে তিনি উদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করেন, কোনো সহায়তা আসবে কি না—এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।
নিরাপত্তার কারণে ওই কর্মকর্তার প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হয়নি। তিনি ছিলেন দুই আসনের এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যার মিশন কল সাইন ‘ব্রাভো’ ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ এপ্রিল ইরানের ইসফাহানের কাছে একটি অভিযানের সময় বিমানটি একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়। বিমানটির মিশন কল সাইন ছিল ‘ডুড ৪৪’।
জানা যায়, বিমানটি ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনায় হামলা চালানোর মিশনে ছিল।
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পর, দুই ক্রু সদস্যই বিমান থেকে বেরিয়ে প্যারাসুটে নামার চেষ্টা করেন। তবে আকাশে নামার সময় ব্রাভো এবং পাইলট ‘আলফা’ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান।
ঠিকমতো খুলল না প্যারাসুট
ব্রাভোর বিপদ আরও বেড়ে যায় যখন তার প্যারাসুট ঠিকভাবে খুলতে ব্যর্থ হয়। তিনি ঘণ্টায় আনুমানিক ৭০ থেকে ১০০ মাইল বেগে মাটির দিকে পড়ে যান।
পাহাড়ি মরুভূমি এলাকায় আছড়ে পড়ার পর, তার পিঠ, হাত ও কাঁধে গুরুতর আঘাত লাগে।
‘৬০ মিনিটস’-কে ব্রাভো বলেন, ‘একসময় ওপরে তাকিয়ে যখন দেখলাম প্যারাসুট নেই, সেটিই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত।’
আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি দুর্ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। পরে প্রায় ৭ হাজার ফুট উঁচু একটি পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছে ভূখণ্ডের আড়ালে লুকিয়ে থাকেন।
সেই সময় তিনি প্রার্থনা করে বলেন, ‘প্রভু, আপনার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক। তবে যদি আমাকে এখান থেকে বের হতে হয়, আমার সাহায্য দরকার।’
উদ্ধারকারী দলও প্রথমে তাকে খুঁজে পায়নি।
ব্রাভো যে এলাকায় অবতরণ করেছিলেন, সেটি পাইলট আলফার অবস্থান থেকে প্রায় পাঁচ মাইল দূরে ছিল। আলফাকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী খুঁজে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ব্রাভোকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
একপর্যায়ে উদ্ধারকারী দলকে ফিরে যেতে হয়। এরপর শুরু হয় সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযান। কারণ একই এলাকায় ইরানি বাহিনীও ভূপাতিত মার্কিন বিমানকর্মীদের খুঁজছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে বিমানটি হারানোর খবর জানানোর পর, তিনি ক্রুদের উদ্ধারে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বলেছিলেন, ‘তারা জীবিত থাকুক বা না থাকুক, আমরা তাদের ফিরিয়ে আনব।’
মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ইরানি স্থলবাহিনী ব্রাভোর অবস্থানের মাত্র কয়েকশ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল।
ব্রাভোকে খুঁজে বের করতে সিআইএর অভিযান শুরু হয়।
একপর্যায়ে ব্রাভো মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। তিনি জানান, তিনি আহত হলেও এখনও চলাফেরা করতে পারছেন।
সিবিএস নিউজ বলছে, এরপর সিআইএ গোয়েন্দা তথ্য ও একটি বিভ্রান্তিমূলক অভিযান কাজে লাগিয়ে তার অবস্থান শনাক্ত করে।
উদ্ধার অভিযান শুরুর আগে, ব্রাভো যে এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন, তার কাছাকাছি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীর অবস্থানে মার্কিন হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে মাটিতে ৯০ জনের বেশি মার্কিন সেনা অংশ নেন। আকাশপথে আরও কয়েকশ সদস্য এবং সহায়তায় কয়েক হাজার সেনা যুক্ত ছিলেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ব্রাভোর কাছে পৌঁছাতে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী বিমান এবং ছোট হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়।
উদ্ধারকারীদের দেখে বলেছিলেন, ‘চলুন’
প্রায় ৫০ ঘণ্টা একা ও আহত অবস্থায় থাকার পর, অবশেষে ব্রাভো উদ্ধারকারী দলকে তার দিকে এগিয়ে আসতে দেখেন। সেই মুহূর্তকে তিনি ‘জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
উদ্ধারকারীরা তার কাছে পৌঁছালে ব্রাভোর মুখে ছিল মাত্র দুটি শব্দ—‘চলুন (লেটস গো)’।
তবে তখনও অভিযান পুরোপুরি শেষ হয়নি। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, দুটি মার্কিন বিমান একটি অস্থায়ী মরুভূমির রানওয়েতে অবতরণ করলেও বালিতে আটকে যায়।
পরে সংবেদনশীল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের হাতে পড়ার আশঙ্কায়, আটকে পড়া বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো মার্কিন বাহিনী ধ্বংস করে দেয়।
অবশেষে ইস্টার সানডের সূর্য ওঠার সময়, ব্রাভোকে ইরান থেকে নিরাপদে বের করে আনা হয়। যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হওয়ার প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর শেষ হয় তার ভয়াবহ অপেক্ষা ও উদ্ধার অভিযান।
তথ্যসূত্র: মিন্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আগামী বছর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অ্যাশেজ সিরিজে তার অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি নিজেই নিশ্চিত নন। স্মিথ জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সিরিজ ধরে ধরে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করছেন। তার সামনে এখন প্রধান লক্ষ্য ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক।
৩৭ বছর বয়সী স্মিথ বর্তমানে ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে (ইটিপিএল) খেলছেন। সেখানে তার দলে রয়েছে আমস্টারডাম ফ্লেমস। এই ডানহাতি ব্যাটার এখন পর্যন্ত ১২৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এবং তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ৩৭টি। বর্তমানে টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিনি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তার উপরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক।
সোমবার ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেছেন, ‘আমি এখনও জানি না আমি সেখানে থাকব কিনা। অনেকদিন ধরেই আমি সিরিজ ধরে ধরে এগোচ্ছি, আর সেটা এখনও আমার কাছে বেশ দূরের ব্যাপার। তাই হ্যাঁ, ওখানে একটা জিততে পারলে ভালো লাগত বা আগেই জিতে ফেলতে পারলে ভালো হত। কিন্তু সেটা সত্যি হয় কিনা, দেখা যাক।’
অলিম্পিক নিয়ে তার ভাবনার কথাও স্মিথ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সম্ভবত অলিম্পিকটাই (লক্ষ্য), ওটার অংশ হতে চাই। আমস্টারডামের হয়ে এখানে খেলতে চাওয়ার একটি বড় কারণ ছিল যতটা বেশি সম্ভব টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে যাওয়া।’
অবসরের নির্দিষ্ট দিন এখনও ঠিক করেননি স্মিথ। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, সামনে তার খেলার ঝোঁক ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টির দিকে বেশি থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমার এখনও মনে হয় আমি আরও কিছুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতে পারব। খেলা ছাড়ার পর আমার জন্য পরের ধাপ কী? সেটা আমি নিশ্চিত নই, তবে আশা করি খেলার জন্য আরও কিছুটা সময় বাকি আছে।’
নিজের ১৫ বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেছেন স্মিথ। তিনি বলেন, ‘এই খেলায় আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি। গত ১৫ বছর বা তার কাছাকাছি সময়টা দারুণ কেটেছে। আমি অনেক মজা করেছি। এখনও উপভোগ করছি, তাই আমার কোনও শেষ দিন ঠিক করা নেই, দেখা যাক কী হয়। তবে সময়টা ভালোই কেটেছে।’
আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা যাবে। ২০১৮ সালের বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা সফর টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন স্মিথ। ওই ঘটনার কারণে তাকে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
তবে সেই অতীত নিয়ে আর ভাবছেন না স্মিথ। তিনি বলেন, ‘ওহ, আমার কাছে এটা আর পাঁচটা সিরিজের মতোই। যা হয়েছে অনেক আগে হয়েছে, আর আমরা এরপর অনেক ক্রিকেট খেলেছি — একদিনের ম্যাচ খেলতে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েওছি। ওরা এখন ভালো দল — বোঝাই যাচ্ছে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওরা আমাদের হারিয়েছে। ওদের পেস আক্রমণও দারুণ। তাই সিরিজটা জমজমাট হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ