ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তুরস্কের তৈরি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন স্মার্টফোন আসছে বাজারে


তুরস্কের তৈরি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন স্মার্টফোন আসছে বাজারে

তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান আসেলসান (ASELSAN) এবং রাষ্ট্রীয় টেলিকম অপারেটর তুর্ক টেলিকম ও টিটিটি ইনোভেশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে তুরস্কের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তির স্মার্টফোন। এই ব্র্যান্ডের প্রথম তিনটি মডেল জানা যায়, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতেই বাজারে আনা হবে।

তিনটি মডেলের মধ্যে একটি উচ্চমানের এনক্রিপ্টেড হ্যান্ডসেট সরকারি কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য, একটি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মডেল এবং অন্যটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রিমিয়াম ভার্সন থাকবে।

ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে তিনটি মডেলেই স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা যুক্ত থাকবে। ডিভাইসগুলো ধুলো এবং পানিনিরোধী হবে। পাশাপাশি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংবেদনশীল সফটওয়্যারগুলো দেশীয় প্রযুক্তিতে এনক্রিপ্ট করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

আসেলসান ও তুর্ক টেলিকমের যৌথ প্রকল্পটির গতিবিধি সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে। আইদিন এরকোচ জানান, ফোনগুলোর দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা হচ্ছে, যাতে প্রসেসিং ক্ষমতা, মেমোরি ও ব্যাটারি লাইফে আন্তর্জাতিক মান বজায় থাকে।

স্মার্টফোন তৈরির প্রথম কারখানা ইস্তাম্বুলে স্থাপন করা হচ্ছে এবং আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দ্বিতীয় কারখানা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শুরুর দিকে লোকাল সফটওয়্যার থাকবে, তবে পরবর্তী সময়ে তুরস্কের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

প্রকল্পের প্রাথমিক অগ্রাধিকার এনক্রিপ্টেড মডেলটি, যা সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সবার আগে ডেলিভারি করা হবে। পরে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য এগুলো খোলা বাজারে পাওয়া যাবে। তাছাড়া, তুরস্কের তৈরি প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘টগ’-এর ডিজিটাল ইন্টারফেসের সাথে সংযোগের সুবিধাও থাকবে।

নতুন এই ব্র্যান্ডের নাম চূড়ান্ত করা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ২০২৭ সালের শুরুতে এক জমকালো অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের উপস্থিতিতে ফোনগুলোর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হতে পারে।

আরও পড়ুন: আম্বানির শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীদের ঢল, প্রথম ঘণ্টাতেই রেকর্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী: দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতায় আস্থার প্রতীক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী: দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতায় আস্থার প্রতীক

জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুপ আলী প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় প্রদান করে চলেছেন। ২৭তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিতে গিয়ে তিনি সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনে বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাঁর কর্মপদ্ধতিতে নিয়ম-শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং জনসেবার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে জানা গেছে।

জেলা প্রশাসক হিসেবে একজন কর্মকর্তার ওপর জেলার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির সমন্বয় এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভালের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে। মোহাম্মদ ইউসুপ আলীও এসব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে জামালপুরের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা তৈরি করেছেন।

তাঁর কর্মদক্ষতা এবং পেশাদারিত্বকে ইতিবাচকভাবে দেখতে পছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব প্রশাসন আরও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশা জামালপুরবাসীর।

জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুপ আলীর আগামী দিনের কর্মযাত্রা সফল হোক—এমন শুভকামনা জানিয়েছেন জেলার সচেতন মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন শশীভুষন থানার ফিরোজ আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


দ্বিতীয় বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন শশীভুষন থানার ফিরোজ আহমেদ

দ্বিতীয় বারের মত ভোলা জেলার ১০ টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মনোনীত হয়েছেন শশীভূষণ থানার ওসি ফিরোজ আহমেদ।

প্রতি মাসের ন্যায় আজ ১৮ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় ভোলা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার,পিপিএম বার এর সভাপতিত্বে জুলাই মাসের পুলিশের মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে,অনুষ্ঠানে ভোলা জেলার ১০ টি থানার মধ্যে শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আহমেদ কে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসাবে মনোনীত করা হয়েছে।
এসময় তাকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এবিষয়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আহমেদ বলেন সেবা ই পুলিশের ধর্ম এই স্লোগান কে মনে ধারণ করে ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় সঠিক ভাবে জনগণের সেবা দিয়ে আসছি।আমার কর্মকাণ্ডে খুশি হয়ে ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার,পিপিএম মহোদয় স্যার আমাকে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে মনোনীত করেছেন। আমার এই প্রাপ্তির জন্য জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়,চরফ্যাশন সার্কেল অফিসার মহোদয় সহ সকল সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সমস্যা সমাধানে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও দায়িত্ব নিতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


‘সমস্যা সমাধানে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও দায়িত্ব নিতে হবে’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, রাস্তার সমস্যা, কোথায় অন্য কোনো সমস্যা সেগুলো সম্পর্কে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে। বিশেষ করে ওয়ার্ড সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিজ নিজ এলাকায় আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে খালেদা জিয়ার ৮২তম এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, নেতাকর্মীদের জনগণের আবেগ ও সমস্যাগুলো সরাসরি শুনে তা আমার কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা এই সমস্যাগুলো আমার কাছে নিয়ে আসবেন, আমি সেগুলোর সমাধানের চেষ্টা করব। যেকোনো সময় এবং যেকোনো জায়গায় আমাকে ডাকলে পাওয়া যাবে।

ঢাকা মহানগরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জন্য আগামী শনিবার নগর ভবন খোলা থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ নিয়ে আসতে পারবেন।

তিনি বলেন, বিএনপির সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি, বরং সংগ্রামের একটি পর্যায় শেষ করে দলটি আরেকটি পর্যায়ে এসেছে। সংগ্রামের একটি পর্যায় শেষ হওয়ার পর আমরা নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি। দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করতে যে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটি শুধুই সরকারের নয় বরং বিএনপিকেই দলের আদর্শ ও সংগঠন শক্তি দিয়ে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

ঢাকা শহরের আসন্ন নির্বাচন বিএনপির জন্য একটি পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, এই পরীক্ষায় সফল হতে হলে নেতাকর্মীদের এখন থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করতে হবে। নিজেদের এলাকার মানুষের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। মাঠপর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে নতুনভাবে সাজানোর কাজ শুরু করে দেশের লিগ্যাল প্রফেশনকে এমন একটি অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম এই গুরুত্বপূর্ণ পেশায় আসতে আগ্রহী হয়। এজন্য আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং বার কাউন্সিলের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনা এলাকায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে ঢাকা ব্যাংকের নতুন সাব-ব্রাঞ্চ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, অন্যান্য পেশাজীবীদের ন্যায় আইনজীবীদেরও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এই বছরে আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তিনি আরও জানান, একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকরিতে প্রবেশের পর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, বিচারকদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে; কিন্তু আইনজীবীদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের কাঠামো সীমিত। সার্টিফিকেট গ্রহণের পর একজন আইনজীবী মূলত সিনিয়রের supervision এ কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরও পরিশীলিত করার জন্য একটি কার্যকর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা প্রয়োজন, যা বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করবে।

ব্যাংকিং খাতের প্রসঙ্গেও আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঋণের সব شرط পূরণ করার পরও কোনো উদ্যোক্তা যদি সময়মতো ঋণের অর্থ উদ্ধার না করেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ব্যাংক ওই উদ্যোক্তার সম্পত্তি মর্টগেজ হিসেবে ব্যবহার করে, এবং চেকও নেন। এই অবস্থায় অসহায় মানুষ কোথায় যাবে, সেই প্রশ্নের সমাধান খুঁজে বের করা অপরিহার্য।

আইনমন্ত্রী ব্যাংকিং খাতের নিম্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঝুঁকি সম্পর্কেও দিয়েছেন। তিনি বলেন, অনেক সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ পালন করতে গিয়ে ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তা ফাইল ইনিশিয়েট করেন। পরবর্তী সময়ে ঋণ বা অর্থের অনিয়মের ঘটনায় মামলা হলে ওই জুনিয়র কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকার কারণে তাকেই আইনি জটিলতায় পড়ে যেতে হয়। চাকরি রক্ষার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালনে থাকা কর্মকর্তাদের এ ধরনের ঝুঁকি থেকে কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের ভাবনা চিন্তা করতে হবে।

বার কাউন্সিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বার কাউন্সিলের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছতার আওতায় নিয়ে আসতে অভ্যন্তরীণ অডিটের পাশাপাশি বহিরাগত অডিটের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বার কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার বার কাউন্সিলকে একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় ‘রুলস অব বিজনেস’-এর আওতায় বার কাউন্সিলের কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত। দেশের লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য বার কাউন্সিলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে যা কিছু সম্ভব, তা করার জন্য সরকার প্রস্তুত।

তিনি বলেন, বার কাউন্সিলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু বা দুর্নীতির স্থান করে তোলে কিছু করার প্রয়োজন নেই। বরং শিক্ষা, মেধা, প্রজ্ঞা, শ্রম ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয়ে বার কাউন্সিলকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যা আগামী প্রজন্মের আইন পেশায় আসার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের বর্তমান নেতৃত্ব তরুণ, গতিশীল ও দক্ষ। সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে বার কাউন্সিলকে আইন শিক্ষার্থী ও তরুণ আইনজীবীদের জন্য স্বপ্নের ঠিকানায় পরিণত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল এবং ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকারসহ অন্যান্য অতিথিরা বক্তৃতা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%