০১:০০ এম
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধ থাকা সত্ত্বেও, ইরান কিছু তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও জেট ফুয়েল রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। দেশটি ওমান উপসাগরে ক্রমবর্ধমান জাহাজ-থেকে-জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাহাজের পণ্য আড়াল করছে। এ তথ্য জানানো হয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রপথে অবরোধের কারণে ইরানের জ্বালানি রফতানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার কথা থাকলেও, বিকল্প কৌশলে কিছু চালান বিদেশে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে তেহরান। বিশেষ করে, এলপিজি ও জেট ফুয়েলের চালান শনাক্ত করা কঠিন করে তুলতে জাহাজের মধ্যে পণ্য স্থানান্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
মার্কিন সংস্থা ইউনাইটেড এগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের (ইউএএনআই) জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অন্তত আটটি ইরানি এলপিজিবাহী ট্যাংকার ওমান উপসাগর ছেড়েছে। এছাড়া, স্যাটেলাইট চিত্র ও সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা সিনম্যাক্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের জেট ফুয়েলবাহী একটি ট্যাংকার সেপ্টেম্বরে মিয়ানমারে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কিছু ট্যাংকার ওমানের শিনাস ও সোহর উপকূলীয় এলাকার কাছে অন্য জাহাজে পণ্য স্থানান্তর করেছে। অন্য কয়েকটি জাহাজ ওমান উপসাগরে অপেক্ষা করার পর মার্কিন অবরোধ অতিক্রম করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে, এসব চালান ইরানের আগের জ্বালানি রফতানির তুলনায় খুবই সামান্য। বিশ্লেষকদের মতে, এই রফতানি অবরোধ পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো নতুন ধারার প্রমাণ নয়; বরং সীমিত পরিসরে রফতানির সুযোগ কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) অবরোধকে ‘অটুট’ বলে দাবি করেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কার্যকরের তিন মাসে মার্কিন বাহিনী চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অযোগ্য করে দিয়েছে এবং ১৩৫টি জাহাজকে ফিরিয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জাহাজ চলাচলের তথ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু জাহাজ নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে ভুল তথ্য দিতে পারে অথবা পণ্য বোঝাইয়ের সময় ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করতে পারে।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন