ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের জোরালো আহ্বান


চূড়ান্ত বাজেটে তামাক করকাঠামো সংস্কারের জোরালো আহ্বান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটের প্রেক্ষাপটে সিগারেটের মূল্য স্তরকে কমানো, সুনির্দিষ্ট শুল্কের প্রবর্তন এবং সমস্ত ধরনের তামাকপণ্যের দাম কার্যকরভাবে বৃদ্ধি করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থনীতিবিদ ও তামাকবিরোধী নেতারা এই আবেদন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে (সাময়িক) জনগণের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ। তবে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান রাশেদ খাঁনের

এদিকে, সিগারেট বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশ দখলে থাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম মাত্র ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা শলাকা প্রতি ২০ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে, মধ্যম, উচ্চ এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যথাক্রমে ১৫ শতাংশ, ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ১৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

করহার অপরিবর্তিত থাকলে কেবল দাম বৃদ্ধির ফলে বর্ধিত মূল্যের একটি অংশ তামাক কোম্পানির পকেটে চলে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি প্রিমিয়াম স্তরের প্রতি প্যাকেটের দাম ২৫ টাকা বাড়ানো হয়, তবে কোম্পানি ৪ দশমিক ২৫ টাকা পাবে। কিন্তু যদি কর বৃদ্ধির মাধ্যমে দাম বাড়ানো হয়, তবে গোটা ২৫ টাকাই সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

বাজেটে বিড়ি, জর্দা, গুলের দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, পাশাপাশি নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপর শুল্কায়নের মাধ্যমে নতুন আপদ কার্যত আইনসিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে মাথাপিছু আয়বৃদ্ধি ও নিত্যপণ্যের তুলনায় তামাকপণ্য অধিক সহজলভ্য ও সস্তা হয়ে যেতে পারে। এর ফলে সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সিগারেটসহ সব ধরনের তামাকপণ্যের ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাবে, এবং সরকার বর্ধিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে, তামাক কোম্পানিগুলো লাভবান হবে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেছেন, সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্র করে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ এবং বিদ্যমান শুল্কের সাথে সবস্তরে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ করা হলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা পাবে।

ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আকতার মালা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব ধরনের তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ২০ শলাকা ফিল্টারযুক্ত এবং ফিল্টারবিহীন বিড়ির অভিন্ন মূল্য ৩০ টাকা ধার্য করা এবং ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয়া হয়। পাশাপাশি, জর্দা ও গুলের ক্ষেত্রে যথাক্রমে প্রতি ১০ গ্রাম ৬০ টাকা এবং ৩০ টাকা মূল্য নির্ধারণের সাথে ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়।

সব তামাকপণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বজায় রাখার প্রস্তাব করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যদি তামাকবিরোধীদের কর ও মূল্য প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ধূমপান হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি সরকারের ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। একইসাথে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ত্যাগে উৎসাহিত হবে এবং ৩ লক্ষ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবে।

আত্মার কো-কনভেনর নাদিরা কিরণের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশের হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট আয়েশা সুহায়মা রব, আত্মার কনভেনর মতুর্জা হায়দার লিটন, কো-কনভেনর মিজান চৌধুরী এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরসহ আরও বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের নেতারা।

প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণ এবং দাবি তুলে ধরেন প্রজ্ঞার হেড অব প্রোগ্রামস হাসান শাহরিয়ার।

আরও পড়ুন: যশোরের বাঘারপাড়া আওয়ামী লীগ নেতা দিলু পাটোয়ারী আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেক জালিয়াতি মামলায় প্রক্সি কাণ্ড, নারী ও আইনজীবীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৬ এম


চেক জালিয়াতি মামলায় প্রক্সি কাণ্ড, নারী ও আইনজীবীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা শহরের একটি আদালতে ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় আসল আসামির পরিবর্তে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আসা মনোয়ারা বেগম (৫০) নামের একজন নারীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতকে বিভ্রান্ত করা, জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে দায়েরকৃত এই মামলার অন্য আসামিরা হলো মূল মামলার আসামি নাসরীন সিকদার এবং আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসেন।

এছাড়া মামলায় একাধিক অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিয়া মো. ইব্রাহিম খলিল অপু বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় এই এজাহার দাখিল করেন। এর আগে এদিন দুপুরে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ-৪-এর বিচারক তানিয়া সুলতানা লিপির আদালতে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এনআই অ্যাক্ট-এর ১৩৮ ধারায় দায়েরকৃত মামলাটি উক্ত আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মূল আসামি নাসরীন সিকদারের হয়ে মনোয়ারা বেগম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু, জিজ্ঞাসাবাদে মনোয়ারা তার নাম-পরিচয় এবং মামলার বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন। বিচারকের সন্দেহ হলে আদালতের নথি ও পরিচয়পত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি প্রকৃত আসামি নন।

ঘটনার পরপরই মূল আসামির আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসেন কৌশলে এজলাস ত্যাগ করে পালিয়ে যান। আটক মনোয়ারা বেগম আদালতে জানান, তিনি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করেন। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমি কিছু জানি না। ঢাকা জজ কোর্টের এক আইনজীবী আমাকে নিয়ে এসেছেন। স্যার ডাকছে, আমি এসেছি, এটা যে অপরাধ আমি তা বুঝিনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অর্থ প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে মূল আসামি নাসরীন সিকদার এবং আইনজীবী হাম্মাদ এমদাদ হোসেন তাকে প্রক্সি দিতে বাধ্য করেন। আইনজীবী হাম্মাদ এমদাদ হোসেন মামলার নথিতে ভুয়া ওকালতনামা তৈরি করে নিজের হাতে নাম লিখে আদালতে জমা দিয়েছিলেন, যা পরিচালনার কোনো আইনগত এখতিয়ার তার নেই। মূল মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী নিবেদিতা আহমেদ তুলি এবং আসামি নাসরীনের পারিবারিক সম্পর্কের সূত্রে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ২৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়। কিন্তু পরবর্তীতে আসামির দেওয়া ব্র্যাক ব্যাংকের চেক ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ থাকায় ডিজঅনার হয়। এই চেক জালিয়াতি মামলায় জালিয়াতি করে জামিন নেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটি দণ্ডবিধির ২০৫, ৪১৯, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৩৪ ধারার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭৬ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ৩ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরের টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষককে আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৫ এম


গাজীপুরের টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষককে আটক

গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কামরুজ্জামান (৫৪) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে টঙ্গীর নামাবাজার এলাকার আছহাবে সুফফা ইসলামিয়া নুরানি মাদ্রাসা থেকে তাকে সম্পূর্ণ গতিতে আটক করে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ। তিনি ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক।

পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষক মাদ্রাসার ক্লাস রুমের পাশে একটি দোকানের ভিতরে ছাত্রীকে বসতে বলেন। কিছুক্ষণ পরেই দোকানে গিয়ে শিক্ষক কামরুজ্জামান ছাত্রীর শরীরে স্পর্শকাতরস্থানে তার হাত দেন। পরে, বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার ছুটি হলে ওই শিক্ষার্থী তার বাসায় গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার মাকে বিষয়টি জানায়। ঘটনাটি যখন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন ক্ষুব্ধ বস্তিবাসী ওই শিক্ষককে আটক করেন। এরপর টঙ্গী পশ্চিম থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ সম্পর্কে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে সিনথেটিক মাদক, ঝুঁকিতে তরুণ সমাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে সিনথেটিক মাদক, ঝুঁকিতে তরুণ সমাজ

 

ল্যাবে তৈরি সিনথেটিক বা কৃত্রিম মাদকের ‘নীরব সুনামি’ বাংলাদেশে মাদকের অন্ধকার জগতে শুরু হয়েছে। ইয়াবা এবং গাঁজার চিরাচরিত বলয় ভেঙে এখন বাজারে অত্যন্ত শক্তিশালী ও মরণনেশা সব সিনথেটিক মাদক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গত ছয় বছরের পরিসংখ্যান নির্দেশ করছে, দেশে সিনথেটিক নেশায় আসক্তের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। এই সময়ে দেশে মাদকের বহরে এমডিএমবি, এমডিএমএ বা ডিএমটির মতো অপরিচিত মাদক যুক্ত হয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লা বলেছেন, ‘পুরো বিশ্বে সিনথেটিক মাদক আসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক মাফিয়ারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মাদক ল্যাবে তৈরি করছে। সেই ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশেও।’

সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটোয়ারী মন্তব্য করেছেন, ‘ল্যাবে তৈরি সিনথেটিক মাদক দ্রুত আসক্তি তৈরি করে। দ্রুত ক্রেজ সৃষ্টি করে। আসক্তরা প্রাকৃতিক মাদকের চেয়ে সিনথেটিক মাদক দিকে ঝুঁকছেন। তাই ল্যাবে তৈরি মাদক আসক্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।’

দেশে সিনথেটিক মাদকের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপপরিচালক মানজারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ল্যাবে তৈরি নতুন সিনথেটিক মাদক শিডিউলভুক্ত না হওয়ায় পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা কিছুটা জটিল। শিডিউলভুক্ত মাদকের তুলনায় বেচাবিক্রি এবং বহন করা অনেকটা সহজ। এছাড়া, প্রাকৃতিক মাদকের চেয়ে সিনথেটিক মাদক দ্রুত আসক্তি তৈরি করে। এ কারণে দেশে সিনথেটিক মাদকের চাহিদা বাড়ছে।’ সিনথেটিক মাদক ব্যবহার বৃদ্ধির ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০০ কোটি রুপির মানি লন্ডারিং মামলায় জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৬ এম


২০০ কোটি রুপির মানি লন্ডারিং মামলায় জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের নাম ২০০ কোটি  অর্থ পাচার মামলায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জ্যাকুলিনকে তার 'স্পেশাল লিভ পিটিশন' বা বিশেষ অনুমতি আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছেন। এই আবেদনটি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযোগপত্র খারিজ এবং ট্রায়াল কোর্ট কর্তৃক অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদনটি প্রত্যাহারের অনুমতি দেন।

সামাজিকভাবে পরিচিত এই মামলায় মধ্যস্থ হিসেবে কথিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের নাম জড়িত। শুনানির সময় বিচারপতি বি.ভি. নাগারথ্না এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী গঠিত বেঞ্চ জ্যাকুলিনের আবেদন শুনানির জন্য উঠলে প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হয়।

এর আগে, ১১ জুন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি অতুল এস. চন্দুরকরের বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল। তবে বিচারপতি মিশ্র নিজেকে শুনানি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। তিনি পক্ষগুলোর কাছে জানিয়েছিলেন যে, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্য একটি বিষয়ে তার ছেলে সরকারের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, যখন জ্যাকুলিন সুপ্রিম কোর্ট থেকে তার আবেদনটি প্রত্যাহারের জন্য অনুমতি চাইলে সর্বোচ্চ আদালত তা মঞ্জুর করে। এর আগে, জ্যাকুলিন দিল্লি হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, যেখানে হাইকোর্ট ইডির অভিযোগপত্র বাতিল করতে অস্বীকার করেছিল।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে, এই অভিনেত্রী দিল্লির একটি ট্রায়াল কোর্টের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বিচার ফেস করার করুণাময় ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ৩ জুন পাতিয়ালা হাউজ কোর্টে হাজির হয়ে জ্যাকুলিন 'প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট'-এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মামলাটি মেধার ভিত্তিতে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আদালত এই মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখর, তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পল এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ গঠন করেছে। তারা সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বিচার চেয়েছেন। আগামী ১৬ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

মামলায় জ্যাকুলিনের 'অ্যাপ্রুভার' বা রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়ার আবেদন প্রত্যাহারের কয়েক সপ্তাহ পর এই নতুন সিদ্ধান্তটি এসেছে। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শুরু থেকেই জ্যাকুলিনের সাক্ষী হওয়ার আবেদনের বিরোধিতা করে আসছিল।

ইডির দাবি, তদন্তের সময় জ্যাকুলিনের আচরণ 'সন্তোষজনক ছিল না' এবং পিএমএলএ-এর ধারা ৫০ এর অধীনে রেকর্ড করা জবানবন্দিতে তিনি 'সম্পূর্ণ এবং সত্য তথ্য প্রকাশ' করেননি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, সুকেশ চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক অতীত জানার পরেও তিনি তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং অপরাধলব্ধ আয়ের তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করেননি।

তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চন্দ্রশেখর তার অর্থ পাচার কার্যক্রমের মাধ্যমে উপার্জিত টাকা দিয়ে জ্যাকুলিনের জন্য বিলাসবহুল উপহার ও মূল্যবান সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছিলেন।

ইডির অভিযোগ, এই অভিনেত্রী সুকেশের কাছ থেকে প্রায় ৭ কোটি টাকার বিলাসবহুল উপহার নিয়েছেন। তবে জ্যাকুলিন বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, সুকেশের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উপহারের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%