ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেয়েছে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ মানুষ


সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেয়েছে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ মানুষ

সরকারি খরচে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে আইনি সহায়তা গ্রহণ করেছে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন মানুষ। এই সেবা আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, হেল্পলাইন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্যটি উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩১ হাজার ৪০৯ জন মানুষ সহায়তা গ্রহণ করেছে। দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৭ জন সেবা পেয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৬৫৮ জন মানুষ সহায়তা পেয়েছে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

এছাড়া, সরকারি আইনি সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন (টোল ফ্রি-১৬৬৯৯) কল সেন্টারের মাধ্যমে দুই লাখ ৭৪ হাজার ৭৯ জন সেবা গ্রহণ করেছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ৪৫৭ জন আইনি পরামর্শ পেয়েছে।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য আইনি সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর আওতায় সরকারিভাবে এই সেবাগুলি প্রদান করা হয়।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট শিগগিরই দাখিল হবে: কুমিল্লা পুলিশ সুপার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া বিনিয়োগের ফাঁদে ৭০০ কোটি ডলার ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


ভুয়া বিনিয়োগের ফাঁদে ৭০০ কোটি ডলার ক্ষতি

দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিজিটাল প্রতারণা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া বিনিয়োগের প্রস্তাব, শেয়ারের দাম বাড়ানোর গুজব এবং দ্রুত বিপুল মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ডিজিটাল প্রতারণার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭ বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য ৮১টি মেসেঞ্জার গ্রুপ, ১ হাজারের বেশি পেজ এবং ২৫টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিনিয়োগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব, দ্রুত মুনাফা অর্জনের প্রবণতা এবং যাচাই-বাছাই না করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরো কার্যকর করা জরুরি।

আলোচনায় ডিজিটাল প্রতারণার বিভিন্ন ধরন তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে অল্প সময়ে বিপুল মুনাফা বা লটারিতে পুরস্কার জেতার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নির্দিষ্ট শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়বে কিংবা প্রতিষ্ঠানের গোপন তথ্য রয়েছে বলে মিথ্যা প্রচার চালানো এবং আসল ব্রোকারেজ হাউস বা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের আদলে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে বিনিয়োগকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ চুরি করা।

চার্টার্ড ফাইন্যান্সিয়াল সোসাইটির সভাপতি মাহাতাব ওসমানী বলেন, "কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি বিনিয়োগে ধারাবাহিকভাবে প্ল্যাটফর্ম দুই অঙ্কের উচ্চ হারে মুনাফার নিশ্চয়তা দেয় এবং কখনো লোকসান হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তা সন্দেহের চোখে দেখা উচিত।" পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিশ্চয়তা বাস্তবসম্মত নয়। তাই অস্বাভাবিক মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফুর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ কম্পানির আর্থিক সক্ষমতা যাচাই না করেই শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেন। কম্পানির নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও আর্থিক বিবরণী না পড়া এবং নিরীক্ষকের পর্যবেক্ষণ উপেক্ষা করার কারণে বিনিয়োগের ঝুঁকি সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পান না তারা।

কম্পানির নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা পর্যবেক্ষণ, বিশেষ করে নিরীক্ষকের মতামত এবং গুরুত্বপূর্ণ নিরীক্ষাসংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের ঝুঁকি চিহ্নিত করা সম্ভব। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির আর্থিক অবস্থার দুর্বলতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। ফলে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন ভালোভাবে যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।

ডিজিটাল প্রতারণা প্রতিরোধে নজরদারি ও পর্যবেক্ষণব্যবস্থা আধুনিকায়নের উদ্যোগের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, "এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণামূলক কার্যক্রম শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা জানান তিনি।

আলোচকেরা বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণা ঠেকাতে শুধু নজরদারি বাড়ালেই হবে না, বিনিয়োগকারীদেরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কোনো শেয়ার কেনার আগে কম্পানি, ব্রোকারেজ হাউস কিংবা বিনিয়োগ পরামর্শদাতার পরিচয় ও নিবন্ধন যাচাই করা প্রয়োজন। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া লিংকে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা আর্থিক তথ্য সরবরাহ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা আরো জোরদার করতে একটি সমন্বিত পাবলিক ভেরিফিকেশন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার তাগিদ দেন বক্তারা। এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নিবন্ধন, পরিচয় এবং অনুমোদনের তথ্য সহজে যাচাই করতে পারবেন। এতে ভুয়া প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা এবং প্রতারণার ঝুঁকি কমানো সহজ হবে বলে মনে করেন তারা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং বিনিয়োগকারীদের আর্থিক শিক্ষার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও প্রতারণামূলক প্রস্তাব মোকাবিলায় দ্রুত তথ্য যাচাই এবং কার্যকর সতর্কীকরণব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাস আয় এক বছরে বেড়েছে ১৭.৩০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


প্রবাস আয় এক বছরে বেড়েছে ১৭.৩০ শতাংশ

দেশের অর্থনীতিতে নানা চাপের মধ্যে প্রবাস আয় স্বস্তি প্রদান করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১৭.৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে সৌদি আরবে সামরিক উত্তেজনা ও বিমান চলাচলে বিঘ্নের কারণে এই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন যে, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের ধীরগতি, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, শিল্পের শ্লথগতি ও মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যেও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। কিন্তু যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে কর্মসংস্থান, প্রবাসীদের আয় এবং দেশে অর্থ পাঠানোর প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্সের ১৬.১৩ শতাংশ সৌদি আরব থেকে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশটি থেকে প্রায় ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার এসেছে। এই সময়ে মোট প্রবাস আয়ে সৌদি আরবের অংশ বেড়ে প্রায় ১৯ শতাংশ হয়েছে। ফলে দেশটির শ্রমবাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সৌদি আরবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিমান চলাচলে বিঘ্নের কারণে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছতে না পারলে চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির কারণে রিয়াদ রুটের ফ্লাইট ২১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখতে হয়েছে। এ রুটে সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করে এয়ারলাইনসটি। ইতিমধ্যে প্রায় ১১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ঢাকা ও রিয়াদ মিলিয়ে আট থেকে নয় হাজার যাত্রী পরিবহনের অপেক্ষায় রয়েছেন। ফ্লাইট চালু হলেও সীমিত স্লটের কারণে আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিদেশে যাওয়া তিন লাখ ৩৩ হাজার ৪২৭ জন বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৬ জন সৌদি আরবে গেছেন। অর্থাৎ এ সময়ে বিদেশে যাওয়া মোট কর্মীর অর্ধেকের বেশি দেশটিকে বেছে নিয়েছেন। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা ৩৮.৫৩ শতাংশ কমেছে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে সংকটময় সময় পার করছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাস আয় ও শ্রমবাজারে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সংঘাত এবং নতুন শ্রমবাজার তৈরিতে সীমাবদ্ধতার কারণে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। সংঘাতের ফলে প্রবাসীদের আয় ও অর্থ পাঠানোর সুযোগ ব্যাহত হলে সরাসরি প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্সে।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন) শরিফুল ইসলাম হাসান বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতা বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার এবং প্রবাস আয়ের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। সংঘাত দীর্ঘ হলে কর্মীদের আয় কমে যাওয়া, কর্মহীন হয়ে দেশে ফেরা এবং রেমিট্যান্সের প্রবাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ও অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আটকে পড়া কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ জরুরি। পাশাপাশি ইউরোপ ও জাপানের মতো বিকল্প শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর সুযোগ বাড়াতে হবে।

রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমে গেলে ডলারের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। এতে জ্বালানি, খাদ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তবে এর প্রভাব নির্ভর করবে সংঘাতের স্থায়িত্ব, রপ্তানি আয় ও অন্যান্য বৈদেশিক অর্থপ্রবাহের ওপর।

এক বছরে ১৭.৩০ শতাংশ রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিকে স্বস্তি দিলেও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে অস্থিরতা সেই অর্জন ধরে রাখার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানিতে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৩ ভারতীয় প্রাণ হারালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


জার্মানিতে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৩ ভারতীয় প্রাণ হারালেন

জার্মানির বোখুম শহরের একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে বোখুমের হফস্টেড এলাকার একটি বহুতল ভবনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করে তদন্ত শুরু করেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দমকলকর্মীরা ভবনটির দ্বিতীয় তলার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহতদের মধ্যে দুজন তরুণী (বয়স ২৫ ও ২৭ বছর) এবং একজন পুরুষ (বয়স ২৬ বছর) রয়েছেন। তারা সকলেই ভারতীয় নাগরিক। অন্যদিকে, ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া আরও পাঁচজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহতদের জাতীয়তা সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

ভবনের সিঁড়িপথ ধরে দ্রুত আগুন উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। এর ফলে দমকলকর্মীদের জন্য অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে প্রবেশ করা এবং ওপরের তলার বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই ভবনের ৪১ বছর বয়সী এক রোমানিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন যে অগ্নিকাণ্ডটি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘটেনি। এটি একটি পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ নাকি কোনো দুর্ঘটনাবশত আগুন লেগেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট যেভাবে আপনাকে প্রতারকদের লক্ষ্য বানায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ এম


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট যেভাবে আপনাকে প্রতারকদের লক্ষ্য বানায়

প্রতারণা সন্দেহজনক ফোনকল বা ইমেইলের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক সময় অপরাধীরা কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রতারণার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট থেকে তারা একজন ব্যক্তির পরিবার, কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। পরে এই তথ্য ব্যবহার করে তারা বিশ্বাসযোগ্য পরিচয়ে প্রতারণা করে।

এনডিটিভি জানায়, জন্মদিনের পোস্ট, সন্তানের স্কুলে যাওয়ার প্রথম দিনের ছবি কিংবা নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার খবর—এসব তথ্য সাধারণ মনে হলেও প্রতারকদের কাজে লাগতে পারে। বিভিন্ন পোস্ট থেকে সংগৃহীত তথ্য একত্রিত করে তারা এমন গল্প তৈরি করতে পারে, যা দেখে সহজেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। পরিচিত বা বিশ্বস্ত কারও পরিচয় ব্যবহার করে তারা টাকা চাইতে পারে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান মিটিগাটার সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সার্তক দুবে এনডিটিভিকে বলেন, "অনলাইনে শেয়ার করা তথ্য প্রতারকদের লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে জানতে এবং আরো বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রতারণা করতে সাহায্য করে।" কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর ও পরিচয় নকল করা সহজ হওয়ায় এই ঝুঁকি আরো বেড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলে থাকা জন্মদিন, স্কুলের নাম, পরিবারের সদস্যদের নাম কিংবা পোষা প্রাণীর নামও প্রতারকদের কাজে লাগতে পারে। এসব তথ্য ব্যবহার করে তারা পরিচয় চুরি করতে পারে। এমনকি বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা প্রশ্নের উত্তর বের করা বা পাসওয়ার্ড অনুমান করার চেষ্টা করতে পারে।

যদি কোনো প্রতারক কারও সন্তানের নাম, স্কুল ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারে, তাহলে সে পরিবারের সদস্য পরিচয়ে বার্তা পাঠাতে পারে। ওই বার্তায় জরুরি পরিস্থিতির কথা বলে টাকা চাওয়া কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতে পারে।

বার্তায় ব্যক্তিগত জীবনের পরিচিত তথ্য থাকায় সেটিকে সত্যি বলে মনে হতে পারে। ফলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে না পেরে অনেকে টাকা পাঠিয়ে দেন বা ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে বসেন।

প্রতারকেরা শুধু ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, পেশাগত যোগাযোগের মাধ্যম থেকেও তথ্য সংগ্রহ করে। লিংকডইনে প্রকাশিত চাকরির পদবি, কর্মীদের দায়িত্ব, নতুন নিয়োগের খবর ও কাজসংক্রান্ত পোস্ট দেখে তারা একটি প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে।

এসব তথ্য থেকে বোঝা সম্ভব হতে পারে, প্রতিষ্ঠানে কে টাকা লেনদেন করেন, কে অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দেন এবং কে নতুন কাজে যোগ দিয়েছেন। নতুন কর্মীরা এ ধরনের প্রতারণার ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। কারণ, তারা তখনো প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও কাজের পদ্ধতি পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। এই সুযোগে প্রতারকেরা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে তাদের দ্রুত টাকা পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারে।

একইভাবে অর্থ ও হিসাব বিভাগের কর্মীদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তাদের ভুল বুঝিয়ে প্রতারকের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানোর চেষ্টা করতে পারে অপরাধীরা। কর্মীদের অফিসের ইমেইল ঠিকানাও ব্যবহার করা হতে পারে প্রতারণামূলক বার্তা পাঠানোর জন্য।

অনলাইনে পাওয়া ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে চুরি হওয়া পাসওয়ার্ড ও এআই প্রযুক্তি যুক্ত হলে প্রতারণার ঝুঁকি আরো বাড়ে।

বিভিন্ন সময়ে তথ্য ফাঁসের ঘটনায় প্রকাশ হয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড অনলাইনে থেকে যেতে পারে। অনেকে একাধিক অ্যাকাউন্টে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। ফলে একটি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি হলে অন্য অ্যাকাউন্টেও প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে অপরাধীরা।

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারও কণ্ঠস্বর নকল করাও সম্ভব। প্রকাশ্য ভিডিও, সাক্ষাৎকার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে পাওয়া কণ্ঠস্বরের নমুনা ব্যবহার করে এ ধরনের নকল তৈরি করা হতে পারে।

এরপর পরিবারের সদস্যের কণ্ঠস্বর নকল করে জরুরি প্রয়োজনে টাকা চাওয়া কিংবা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয়ে কর্মীকে টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

এআইভিত্তিক বিভিন্ন সরঞ্জাম সহজলভ্য হওয়ায় অন্যের কণ্ঠস্বর ও পরিচয় নকল করতে আগের তুলনায় কম সময়, অর্থ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা লাগতে পারে। তাই পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনলেই কাউকে আসল ব্যক্তি বলে বিশ্বাস করা নিরাপদ নয়。

প্রতারণা থেকে বাঁচতে পাঁচটি সতর্কতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টাকা বা তথ্য চাওয়ার অনুরোধ যাচাই করা জরুরি। প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

১. ব্যক্তিগত তথ্য সীমিত রাখুন : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন্মদিন, পরিবারের ছবি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য কারা দেখতে পারবেন, তা নির্ধারণ করুন। সংবেদনশীল তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত রাখবেন না।

২. টাকা চাওয়ার অনুরোধ যাচাই করুন : পরিবারের সদস্য পরিচয়ে কেউ জরুরি ভিত্তিতে টাকা চাইলে তার পরিচিত ফোন নম্বরে কল করে নিশ্চিত হোন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি গোপন সংকেত বা শব্দও ঠিক করে রাখা যেতে পারে।

৩. অফিসের আর্থিক নির্দেশ যাচাই করুন : নতুন করে টাকা পাঠানোর নির্দেশ বা ব্যাংক হিসাব পরিবর্তনের অনুরোধ এলে অন্য একটি যোগাযোগমাধ্যমে তা নিশ্চিত করুন। সন্দেহজনক বার্তায় দেওয়া নম্বরের বদলে আগে থেকে জানা বিশ্বস্ত নম্বরে যোগাযোগ করুন।

৪. অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ান : প্রতিটি অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। পাশাপাশি দুই বা তার বেশি ধাপে পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু রাখুন। সম্ভব হলে পরিচয় যাচাইয়ের নিরাপত্তা অ্যাপ বা নিরাপত্তা চাবি ব্যবহার করুন।

৫. পোস্ট দেওয়ার আগে সতর্ক হোন : ব্যক্তিগত তথ্য, ভ্রমণের পরিকল্পনা কিংবা নিরাপত্তা প্রশ্নের উত্তর অনুমান করতে সাহায্য করে—এমন তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। কর্মক্ষেত্রে নিজের দায়িত্ব ও কাজের ধরন সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশের বিষয়েও সতর্ক থাকুন।

প্রতারকেরা সাধারণত ভুক্তভোগীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। ফোন করে পরিবারের কোনো সদস্য বিপদে পড়েছেন বলে জানানো হতে পারে। আবার প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয়ে ইমেইল পাঠিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হতে পারে।

এ ধরনের অনুরোধের উদ্দেশ্য হলো, ভুক্তভোগী যেন চিন্তা করার বা তথ্য যাচাই করার সময় না পান। তাই জরুরি বলে চাপ দেওয়া হলে আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

প্রতারণা করতে অপরাধীদের সব সময় কারও অ্যাকাউন্টে প্রবেশের প্রয়োজন হয় না। মানুষ অনলাইনে স্বেচ্ছায় যেসব তথ্য প্রকাশ করে, সেগুলো দিয়েই তারা বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ও ঘটনার বিবরণ তৈরি করতে পারে।

জন্মদিনের তথ্য বা একটি ছবি একা বড় ঝুঁকি তৈরি না করলেও পরিবারের তথ্য, কর্মক্ষেত্রের পরিচিতি, ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ড ও নকল কণ্ঠস্বরের সঙ্গে যুক্ত হলে তা প্রতারণার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। তাই অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশে সতর্ক থাকা এবং টাকা পাঠানো বা সংবেদনশীল তথ্য দেওয়ার আগে পরিচয় যাচাই করাই প্রতারণা ঠেকানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%