মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০০ পি.এম
বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু দীর্ঘ ছয় বছরের বিরতির পর অভিনয়ে ফিরছেন। তিনি নির্মাতা হংসল মেহতার পরিচালনায় একটি নাম এখনও চূড়ান্ত না হওয়া ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু করেছেন। এই সিরিজে সানি কৌশল ও বিশাল জেঠওয়া অভিনয় করছেন। সিরিজটি মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম প্রাইম ভিডিওতে। তবে, সিরিজের নাম, বিপাশার চরিত্র এবং মুক্তির তারিখ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, সিরিজটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন কাশ্যপ কাপুর ও রাঘব রাজ কাক্কার। প্রযোজনা করছেন প্রভলীন সান্ধু। এটি তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলমাইটি মোশন পিকচার্সের ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে।
ছোট শহরের অপরাধ ঘিরে কাহিনি
নতুন সিরিজটির কাহিনী একটি ছোট শহরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, যা ধীরে ধীরে মহাদেশের হেরোইন ব্যবসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠছে। অপরাধজগতের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।
সিরিজে সানি কৌশল একজন সৎ ও আপসহীন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করছেন। দায়িত্ব পালনের সময় তাকে নিজের বিভাগের ভেতরে ও বাইরে থাকা ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মোকাবেলা করতে হয়। নিজের সততা রক্ষা করার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় তাকে।
তবে বিপাশা বসু এবং বিশাল জেঠওয়ার চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি। তাদের চরিত্র কাহিনীর কোন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, সে সম্পর্কে নির্মাতারা কোনো মন্তব্য করেননি।
সংসারে মনোযোগী ছিলেন বিপাশা
বিয়ের পর থেকে বিপাশা বসুকে অভিনয়ে তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। ২০১৬ সালের এপ্রিলে অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি বেশিরভাগ সময় পরিবারকে সময় দিয়েছেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে এই দম্পতির ঘরে কন্যাসন্তান দেবীর জন্ম হয়।
এর আগে ২০২০ সালে করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে ‘ডেঞ্জারাস’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছিলেন বিপাশা। ক্রাইম থ্রিলারধর্মী সিরিজটি ছিল তার অভিনীত সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি। এর আগে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়া ভৌতিক সিনেমা ‘অ্যালোন’-এ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ছবিতে সঞ্জনা ও অঞ্জনা নামের যমজ দুই বোনের ভূমিকায় দেখা যায় তাকে। বিপাশার বিপরীতে ছিলেন করণ সিং গ্রোভার।
দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সিরিজের শুটিংয়ে অংশ নেওয়া তার অভিনয়জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। তবে, এই কাজে তাকে ঠিক কী ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে, তা জানার জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য প্রণোদনা প্রদান করলেও, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে তা যথাযথভাবে পৌঁছায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই মন্তব্য করেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘সরকারি সেবা ও সহায়তা জনগণের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছাতে প্রশাসনিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু রাজনৈতিক সংস্কার যথেষ্ট নয়; আমলাতন্ত্র, সিভিল প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।’
এছাড়া, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন এবং নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশ গঠনে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি কাপড়ের মার্কেটে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় মো. জুয়েল আহমেদ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করার সময় তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পিবিআই গাজীপুর জেলা মো. রকিবুল আক্তার পিপিএম সেবা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৬ অক্টোবর বিকাল ৫টা ১৯ মিনিটের দিকে বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তার হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি মার্কেটে অবস্থানকালে মার্কেট পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিলটন হোসেনের মোবাইল ফোনে কল করেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। ফোনে তিনি এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মার্কেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার এবং সুযোগ পেলে তাকে খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মিলটন হোসেন বাদী হয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানায় ৬ অক্টোবর মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২ অক্টোবর রাত ১২টা ৫০ মিনিটে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন দিঘীরচালা এলাকা থেকে জুয়েল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানায় পিবিআই।
জুয়েল আহমেদের বাড়ি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কাঠারবিল এলাকায়। তার বাবার নাম সাদা মিয়া এবং মায়ের নাম জমিলা বেগম। তিনি প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে গার্মেন্টস কারখানায় চাকরি করছিলেন। এই সময় তিনি অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ায় আসক্ত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিচিতজনের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ করেন।
ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি মার্কেটের সামনের সাইনবোর্ড থেকে ফোন নম্বর সংগ্রহ করে মার্কেট কর্তৃপক্ষের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে তদন্তে উঠে আসে। টাকা না দিলে মার্কেটে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।
পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভয়ে বাদী প্রথমে বিকাশের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা দেন। পরে আরও দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর সোমবার ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই পিবিআইয়ের অভিযানে গ্রেফতার হন জুয়েল।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর ওই মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মার্কেটের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায় এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়। অতীতের ওই অগ্নিকাণ্ডের কথা স্মরণ করিয়েই চাঁদা দাবির সময় মার্কেটে আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে পিবিআই জানিয়েছে।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় মার্কেট ও জনসমাগমস্থলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মার্কেটের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তাপ্রহরী নিয়োগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
তিনি বলেন, অনলাইন গ্যাম্বলিং, ক্যাসিনো ও প্রচলিত জুয়া থেকে মানুষকে দূরে রাখতে রাষ্ট্রীয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিপর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআই গাজীপুর জেলার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল রানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতী অঞ্চলে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের কারণে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে আব্দুল সালাম (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ দাফন করতে তার স্বজনরা বাধার সম্মুখীন হন। পরে স্থানীয় জনগণ রাস্তার ওপর অবস্থিত একটি ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে মরদেহ দাফন সম্পন্ন করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আব্দুল সালাম ওই গ্রামের একাব্বর আলীর পুত্র।
স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় আব্দুল সালাম মারা যান। তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর রাতে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরে সোমবার সকালে মরদেহ দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন জানান, কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার জন্য রাস্তা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনো সাড়া দেননি।
মৃত আব্দুল সালামের ভাই, পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় রাস্তা বন্ধ থাকায় স্থানীয় লোকজন একত্রিত হন। এরপর তারা রাস্তার ওপর অবস্থিত ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তার ভাইয়ের মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের কারণে প্রায় দুই বছর ধরে মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন।
বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহজালাল বলেন, প্রতিপক্ষ রাস্তার ওপর ঘর নির্মাণ করেছিল। ফলে মরদেহ নিয়ে কবরস্থানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘরটি ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন। এরপর মরদেহ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়।
কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা নিয়ে বিরোধের কথা তিনি শুনেছেন। এ বিরোধের কারণে ক্ষুব্ধ লোকজন ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন করেছেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি কারাগার থেকেই ভার্চুয়ালি মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার বিরুদ্ধে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই শুনানিতে জিয়াউল আহসান ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে কারাগার থেকে অংশ নেবেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে তার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ কারণে আজ তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছিল, জিয়াউল আহসানকে একক প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়া নিরাপদ না হলে তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
সেদিন শুনানিতে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহার মন্তব্য করেন, অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়া করা হলেও গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে জিয়াউল আহসানকে একা একটি প্রিজন ভ্যানে করে আনা হচ্ছে। এতে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নাজনীন নাহার আরও বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে একা আনা-নেওয়ার সময় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। তাই তাকে অন্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্য আসামিদের একা আনা না হলেও জিয়াউল আহসানকে কেন একা আনা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জবাবে বলেন, যদি জিয়াউল আহসানের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা থাকে, তবে তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে না এনে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, কারাগার থেকেই ভিডিওর মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপক্ষের এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন নাজনীন নাহার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউল আহসানকে আনা হলে নিরাপত্তার সমস্যা কোথায়।
শুনানির একপর্যায়ে কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউল আহসান নিজেও কথা বলার অনুমতি চান। ট্রাইব্যুনালের অনুমতি পেয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে একা গাড়িতে আনার উদ্দেশ্য হলো নিজেদের দ্বারা কোনো ঘটনা ঘটিয়ে পরে তার ওপর দায় চাপানো।
রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ পর্যায়ে
শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন তার জেরা শুরু হওয়ার কথা।
এই মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ