সাব্বির হাসনাত,রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
১১:৫৯ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ- 2026 অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শাহজাদপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবা ছাত্রদলের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় বিকাল 4টার এই ম্যাচে প্রধান অতিথি ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর তাহমিনা আখতার। আরও অতিথি বৃন্দ হলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড সুমন কান্তি বড়ুয়া।
সমগ্র শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে টানটান উত্তেজনার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় ম্যাচটি। প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধের তুমুল লড়াই শেষে ব্রাজিলকে হারিয়ে 2-0 গোলে ম্যাচ বিজয়ী হয় আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠী।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর, সহকারী প্রক্টর বৃন্দ এবং অস্থায়ী হল প্রভোস্ট ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
রবিবা ছাত্রদলের পৃষ্ঠপোষকতায় আনন্দঘন এ আয়োজনের শেষাংশে বিজয়ী দলের হাতে মেডেল এবং প্রাইজমানি হস্তান্তর করেন রবিবা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সহ প্রক্টর ও প্রভোস্ট স্যার।
এসময় রবিবা ছাত্রদলের সভাপতি মো পিয়াস উদ্দিন বলেন "ক্রিড়া মেধা ও মানসিক উন্নয়নের অগ্রদানী পাথেয়। আমরা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সর্বদা একটি সুস্থ সুন্দর এবং পরিশীলিত ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছি, সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের শিক্ষার্থী বান্ধব পরিকল্পনার একটি হল আজকের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। ইনশাআল্লাহ সামনে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা গঠনমূলক কাজ করার চেষ্টা করবো।"
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শেষে উপস্থিত ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর জনাব নজরুল ইসলাম বলেন "ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই, নিশ্চয়ই এই ধরনের শিক্ষার্থী বান্ধব কর্মসূচী ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে এবং শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।" অস্থায়ী ছাত্রহল প্রভোস্ট জনাব ইয়াত সিংহ শুভ বলেন "আজকের এই ফুটবল ম্যাচের মধ্য দিয়ে, শিক্ষার্থীদের বন্ধন আরও দৃঢ় হলো। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবার আশাবাদ জানাই এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করি।"
অনুষ্ঠানের শেষাংশের সঞ্চালনা শেষে রবিবা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো হৃদয় সরকার বলেন "আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমরা আজকের এই বিশাল আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি। আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমরা সামনের দিনে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কাজ করতে চাই।"
এরপর রানার্সআপ টিমের হাতে মেডেল ও প্রাইজমানি তুলে দিয়ে ম্যাচ সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার দৌলতপুরে এনা পরিবহনের একটি কাউন্টারের বাথরুম থেকে গলাকাটা অবস্থায় ইমন (২০) নামের এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই ঘটনায় কাউন্টারের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা লুটের অভিযোগও উঠেছে। তবে, পুলিশ এখনও নিশ্চিত হতে পারে না যে এটি ডাকাতি, পরিকল্পিত হামলা নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা।
এই ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যার পর নগরীর নতুন রাস্তার মোড় এলাকায়।
আহত ইমন খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি এলাকার শাহজাহান সাজুর ছেলে। তিনি বিএল কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্বজনদের দাবি, ঘটনার দিন রাতেই ইয়েদাকুল এনা পরিবহনের ওই কাউন্টারে কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন।
জানা গেছে, মাগরিব নামাজের সময়, কাউন্টারের অন্যান্য কর্মীরা বাইরে চলে গেলে ইমন একা দায়িত্বে ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে, সহকর্মীরা ফিরে এসে তাকে কাউন্টারে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কাউন্টারের বাথরুমের ভেতরে গলাকাটা অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে, স্থানীয় লোকজন এবং সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
এনা পরিবহনের সংশ্লিষ্টদের দাবি, হামলার সময় কাউন্টারের ক্যাশবাক্স থেকেও টাকা চুরি হয়েছে।
এনা পরিবহনের নতুন রাস্তার মোড় কাউন্টারের একটি মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে, একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, "আমাদের কিছু ক্যাশ চুরি হয়েছে। আমরা এখন পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।"
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইমনকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার গলায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
দৌলতপুর থানার পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, তারা ঘটনাস্থলে গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ দেড় যুগের পর অবশেষে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক (২০২৬-২৮) নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত 'বাদল-হিরু প্যানেল' নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছ।
সভাপতি ও সহসভাপতিসহ কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সব পদে এই প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। রবিবার (৫ জুলাই) শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চেম্বারের মোট ১ হাজার ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট কাস্টের হার ৮৬ দশমিক ৩ শতাংশ। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা জটিলতা ছাড়াই ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।
সর্বশেষ ২০০৭ সালে বগুড়া চেম্বারের সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বিনা ভোট বা সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই ভোটের আয়োজন করা হয়।
ভোট গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের আতিকুর রহমান বাদল। 'গোলাপ ফুল' প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬৯৬ ভোট। জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মো. সেলিম রেজা 'ছাতা' প্রতীকে পেয়েছেন ২২৭ ভোট। নির্বাচনে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।
সহসভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। 'আনারস' মার্কায় তিনি সর্বোচ্চ ৭২৬ ভোট পেয়েছেন। সহসভাপতি পদের অন্য বিজয়ী মো. মামদুদুর রহমান শিপন 'খেজুর গাছ' প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯১ ভোট।
কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক পদে ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে বাদল-হিরু প্যানেলের বিজয়ী ৯ জন পরিচালক ও তাদের প্রাপ্ত ভোট হলো: শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস (ফুটবল- ৫৯৬), খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি- ৬১২), মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ- ৫৭৯), শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ-পিরিচ- ৫৬৯), এস এম নূর-ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ- ৫৫৭), মো. রাসেদুল ইসলাম (মই- ৫৫৩), মো. শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত কলম- ৫৩২), শামসুল হক বেনু (চেয়ার- ৫১২) এবং মো. মতিউর রহমান (চশমা- ৪৬৬)।
এর আগে সকালে শহীদ টিটু মিলনায়তন চত্বরে নির্বাচনী উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট দেন। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১২টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, "অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যে বিদেশি কর্মীদের ব্যাপারে নিয়োগকর্তাদের দায়িত্ব ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের এক পডকাস্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ফাজিলা রিজওয়ানের সাথে আলাপচারিতায় তেরেঙ্গানু রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি বিন মোহাম্মদ নর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সতর্কবার্তা তুলে ধরেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, অনেক নিয়োগকর্তাই মনে করেন বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) পেয়ে গেলেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়, যা সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। মূলত পারমিট পাওয়ার পর থেকেই নিয়োগকর্তাদের আসল দায়িত্ব শুরু হয়।
পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি সতর্ক করে বলেন, বিদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের সব নিয়ম ও শর্তাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার। ইমিগ্রেশন বিভাগের বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে, অনেক নিয়োগকর্তা তাদের নিবন্ধিত কর্মীদের অন্য কোথাও খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) কাজ করার অনুমতি দিচ্ছেন; যেমন দিনের বেলা নির্মাণ খাতে কাজ করে রাতে অন্য পেশায় নিয়োজিত হওয়া, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
এছাড়া, এক কোম্পানির নামে আনা কর্মী অন্য বন্ধুর কোম্পানিতে ধার দেয়া বা কাজ করতে পাঠানোর মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডও ধরা পড়ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি কোনো বিদেশি কর্মী কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান বা নিখোঁজ হন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানানো নিয়োগকর্তার আইনি কর্তব্য। অনেক সময় নিয়োগকর্তারা এই রিপোর্ট করেন না, যা পরবর্তীতে অভিযানে সেই কর্মী ধরা পড়লে নিয়োগকর্তাকে বড় ধরনের আইনি শাস্তির মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। মালয়েশিয়ার আইন ও শর্ত লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাই বিদেশি কর্মীদের দেখভালের বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম দেশে ফিরে এসেছেন। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আজ রাত ১১টায় ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
স্পিকার গত ২ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করে তেহরানের উদ্দেশ্যে যান। সেখানে তিনি ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্য আয়োজিত রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষকৃত্যানুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তেহরানের গ্র্যান্ড মসাল্লায় আয়োজনটি ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ছিল। সেই অনুষ্ঠানে নিহত আলী খামেনির বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করা হয়।
স্পিকার সেখানে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত ইরানি জাতির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে শোকবার্তা পৌঁছে দেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সম্প্রতি ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ইরানের স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও জানান।
আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহাদাত বরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ