ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘পেপারলেস পোর্ট’ বাস্তবায়নে আরও একধাপ এগোল চট্টগ্রাম বন্দর


‘পেপারলেস পোর্ট’ বাস্তবায়নে আরও একধাপ এগোল চট্টগ্রাম বন্দর

 দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর পেপারলেস হওয়ার পথে একটি ধাপ এগিয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দর সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ডেলিভারি ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়ার সব ধরনের ম্যানুয়াল বা কাগজ ভিত্তিক কাজ বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত গেট আউট পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর ২০১১ সাল থেকে ভেসেল মুভমেন্ট ও বন্দরের ভেতরে কনটেইনার মুভমেন্ট কার্যক্রম টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালনা করে আসছে, তবে পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়করণ না থাকায় পরিপূর্ণ ব্যবহার কঠিন ছিল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানান, পূর্বে কেবল ইলেকট্রনিক ডেলিভারি অর্ডার (ইডিইউ) আবেদন এবং ইডিইউ জেনারেশন এই দুটি ধাপ অনলাইনে সম্পন্ন করা হত, আর বাকী সব কার্যক্রম ম্যানুয়ালি করতে হতো। তবে এখন থেকে অনলাইন ডেলিভারি ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও জানান, আপগ্রেডেড সিস্টেমের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো সিস্টেমের প্রতিটি ধাপ সম্পূর্ণ পর্যায়ক্রমিকভাবে হবে। কোনো গ্রাহক বা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের একটি ধাপ বাদ দিয়ে বা স্কিপ করে পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। পূর্ববর্তী ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন ও যাচাই হওয়ার পরেই পরবর্তী ধাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেম দ্বারা আনলক হবে। নিরাপত্তা ও আইনি কমপ্লায়েন্সকে জোরদার করার জন্য বন্দরের টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের সাথে রিয়্যাল-টাইমে যুক্ত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ যদি কোনো কনটেইনার বা মালামাল ব্লক বা হোল্ড করতে চায়, তবে সেই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিয়্যাল-টাইমে পোর্টের টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমে চলে আসবে।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ঘিরে আবাসন সংকট, ২৩–২৪ অক্টোবর হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে কক্ষ খালি নেই

ডেটা আসার সাথে সাথেই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই ফাইলের পরবর্তী সব প্রসেস লক করে দেবে, এবং কাস্টমসের চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্স না পাওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি সেখানেই থমকে থাকবে। এই স্বয়ংক্রিয় রূপান্তরের ফলে সামুদ্রিক বাণিজ্য ইকোসিস্টেমে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর সম্পূর্ণ 'পেপারলেস পোর্ট' হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল; যার ফলে দাপ্তরিক কাজের প্রচুর কাগজ ও প্রিন্টিং সংক্রান্ত খরচ সাশ্রয় হবে এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, ডেস্কে ডেস্কে সশরীরে যাওয়ার ঝামেলা দূর হয়ে যাওয়ায় এখন ডকুমেন্টেশনের কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হবে, যা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, ব্যবসায়ী এবং চট্টগ্রাম বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সবার মূল্যবান সময়ের সাশ্রয় করবে। প্রতিটি ধাপ ডিজিটাল সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হওয়ার ফলে সব ধরনের জাল-জালিয়াতি, ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার এবং প্রশাসনিক অনিয়ম পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব হবে।

বন্দরের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানান, প্রতিটি স্টেপ অনলাইনে হওয়ার ফলে ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় এবং যেকোনো স্থান থেকে তাদের নিজস্ব প্যানেলে লগ ইন করে তাদের নথিপত্র বা ফাইলটি কখন কোন পর্যায়ে আছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে সক্ষম হবেন। এই ডিজিটাল রূপান্তর চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য একটি যুগান্তকারী সাফল্য, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও দক্ষ প্রবেশদ্বার হিসেবে এর অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসী কাদায়, অহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন তার আব্দুল হালিম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


চাঁদপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে বুধবার (০১ জুলাই) বিকালে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান।

সভায় পুলিশ সুপার বিভিন্ন অপরাধ দমনমূলক কার্যক্রমের উপর আলোকপাত করেন। তিনি মাদক, কিশোর গ্যাং, এবং সামাজিক অবক্ষয়ের মতো বিষয়গুলোতে আলোচনা করেন এবং জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত কার্যক্রমের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি, সাংবাদিকদের সাথে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও মত বিনিময় হয়। তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, যেন তারা বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করেন। এসময়, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সবসময় সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য সহযোগিতারও আশ্বাস দেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মাহির আসেফ এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মিয়াজী আলিফ ইমরানসহ চাঁদপুর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। এছাড়াও, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও সভায় অংশ নেন। চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী এবং সাধারণ সম্পাদক এমএ লতিফসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ভোটের রায়ের পর রাজপথে আগুন

সীতাকুণ্ডে নেতা-কর্মীদের আবেগ ও ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


সীতাকুণ্ডে নেতা-কর্মীদের আবেগ ও ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা

উচ্চ আদালতের সাম্প্রতিক একটি রায়কে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ক্ষোভের এক অভূতপূর্ব বিস্ফোরণ ঘটেছে। রায়ের পরপরই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম সিটি গেইট থেকে শুরু করে বড়দারোগারহাট পর্যন্ত অন্তত ২০টি পয়েন্টে বিক্ষুব্ধ জনতা এবং বিএনপির তৃণমূলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী যুগপৎভাবে রাজপথে নেমে আসেন।

তারা মহাসড়কের পিচঢালা রাজপথে টায়ার জ্বালিয়ে, গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং ব্যারিকেড তৈরি করে দীর্ঘ সময় ধরে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সংকটময় মুহূর্ত থেকে শুরু করে বিগত স্বৈরাচার বিরোধী তীব্র গণতান্ত্রিক আন্দোলনের দিনগুলোতে বছরের পর বছর ধরে চলা অবর্ণনীয় ত্যাগ, মামলা-হামলা এবং রাজপথের মরণজয়ী লড়াইয়ের পুঞ্জীভূত বেদনার প্রেক্ষাপট থেকেই তৃণমূলের এই মরণপণ দ্রোহের চিত্র ফুটে উঠেছে।

এ সময় বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লায়ন আসলাম চৌধুরীকে ঘিরে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক গভীর আবেগ, পরম বিশ্বস্ততা এবং নিঃশর্ত সমর্থনের চিত্র দেখা যায়। মহাসড়কের উত্তাল আগুনের লেলিহান শিখার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনীতিতে যখন আইনি মারপ্যাঁচ আর ক্ষমতার কঠিন সমীকরণ সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে যায়, ঠিক তখনই মাঠের কর্মীরা তাদের নেতার অভিভাবকত্বের মর্যাদা দিতে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

২০১৬ সালে একটি বিতর্কিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘ প্রায় নয়টি বছর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটানো এবং ৭৬টিরও বেশি মামলার অবর্ণনীয় নির্যাতন সহ্য করেও আসলাম চৌধুরী কখনো তাঁর মাঠের কর্মীদের ভুলে যাননি। বন্দি থেকেও অত্যন্ত বিশ্বস্ত মাধ্যমে আইনজীবীদের খরচ জোগানো, হামলা-মামলায় জর্জরিত নিঃস্ব কর্মী পরিবারগুলোর চিকিৎসা এবং ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া এবং কারামুক্তির পর বহু কর্মীকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ার পেছনে তাঁর যে নীরব অবদান ছিল, সীতাকুণ্ডের মানুষ আজ রাজপথে নেমে তারই সরাসরি জবাব দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের পর তাঁর সংসদীয় আসন এবং রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার চেয়েও তৃণমূলের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে তাদের শেষ আশ্রয়স্থলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঋণখেলাপির বিষয়টিকেও মাঠের কর্মীরা ভিন্ন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন, তাদের স্পষ্ট দাবি, তিনি যদি আজ ঋণের জালে জড়িয়েও থাকেন, তবে তা কোনো ব্যক্তিগত বিলাসিতা বা আয়েশের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ এক দশক ধরে সীতাকুণ্ডের হাজার হাজার কর্মীর আইনি লড়াইয়ের ব্যয়ভার বহন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সচল রাখার এক ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি জনগণের রায় নিয়ে রাজকীয় ব্যবধানে জয়ী হওয়ার পরও যখন আইনি মারপ্যাঁচে তাঁর পথ অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়, তখন মাঠের কর্মীদের মনে জমে থাকা দীর্ঘদিনের অভিমানই মহাসড়কে আছড়ে পড়ে, যা কেবল কোনো তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ ছিল না, বরং নেতার অবর্ণনীয় ত্যাগের বিপরীতে তৃণমূলের এক পরম অগ্নিপরীক্ষা। রাজপথের রক্ত এবং ঘামে গড়ে ওঠা আসলাম চৌধুরী নামক যে অনন্য কর্মী-বান্ধব ভাবমূর্তি সীতাকুণ্ডের মানুষের হৃদয়ে খোদাই করা আছে, তা মুছে ফেলার সাধ্য কোনো আইনি জটিলতার নেই এবং এটাই সীতাকুণ্ড বিএনপির তৃণমূলের সবচেয়ে বড় এবং বাস্তব না-বলা সত্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ক্লাবের সঙ্গে ‘চুক্তি হয়ে গেছে’ ক্যাসেমিরোর, কেন ঘোষণা দিতে পারছে না মায়ামি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


মেসির ক্লাবের সঙ্গে ‘চুক্তি হয়ে গেছে’ ক্যাসেমিরোর, কেন ঘোষণা দিতে পারছে না মায়ামি?

ক্যাসেমিরো তার ঘোষণাটি গত জানুয়ারিতে দিয়েছিলেন। ২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে তিনি আর ম্যানচেস্টারে থাকছেন না এমন কথা তিনি মার্চেও একইভাবে বলেছেন। জুনে বিভিন্ন গুঞ্জনে শোনা যায়, লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি তাকে কিনে ফেলেছে।

মায়ামি সরকারি ঘোষণা না দিলেও স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কার রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়ে গেছে আরও কয়েক মাস আগে। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার আগামী তিন মৌসুম পর্যন্ত ম্যসির দলে খেলবেন। যদিও এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তার কারণ হচ্ছে ডিসকভারি রাইটস।

মেজর লিগ সকারে ডিসকভারি রাইটস হলো একটি আনুষ্ঠানিক নিয়ম, যা খেলোয়াড় সই করার ক্ষেত্রে ‘আগে দাবি জানানো’ পদ্ধতির মতো কাজ করে। যদি কোনো ক্লাব এমন একজন খেলোয়াড়কে, যিনি বর্তমানে কোনো চুক্তির অধীনে নেই এবং এমএলএসের কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নন, তাদের গোপন ডিসকভারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে সেই ক্লাব ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে একচেটিয়াভাবে আলোচনা করার এবং তাকে দলে ভেড়ানোর অধিকার লাভ করে।

এমএলএসের নথি অনুযায়ী, রীতিমতো ডিসকভারি রাইটস বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির কাছে রয়েছে। সুতরাং তারা এই অধিকার ইন্টার মিয়ামির কাছে হস্তান্তর করার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি এই অধিকার ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে প্রায় ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার দাবি করছে। সাধারণত এই ধরনের অঙ্ক নিয়ে দুই ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা হতে তেমন সমস্যা হয় না, এবং খুব শিগগিরই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি ঘটেনি।

যদি ক্যাসেমিরো মায়ামিতে যোগ দিয়েই থাকে, তাহলে তার জন্য শেষ হচ্ছে ১৩ বছরের ইউরোপ অধ্যায়। ২০১৩ সালে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়ে ২০২২ সালের মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসেন। রিয়ালের জার্সিতে তিনি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, তিনবার করে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন।

ওল্ড ট্রাফোর্ডে চার বছরের ক্যারিয়ারে অবিশ্বাস্যভাবে মোট ১৬০ ম্যাচ খেলে এখন পর্যন্ত ২৬টি গোল করেছেন এবং ১৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ২০২৩ সালে লিগ কাপের ফাইনালে নিউক্যাসেলের বিপক্ষে একটি গোল করেন এবং ২০২৪ সালে এফএ কাপ জিতে নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের চেষ্টায় ৩ নৌকা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের চেষ্টায় ৩ নৌকা জব্দ

সুন্দরবনে মাছ ধরার ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা বজায় রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় বিষ দিয়ে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছিলেন কিছু ব্যক্তি। বন বিভাগ তাদের এই অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ এলাকার এক স্থান থেকে ২৪ বোতল কীটনাশক ও শুঁটকি তৈরির সরঞ্জামসহ তিনটি নৌকা জব্দ করেন বনরক্ষীরা। কিন্তু বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত জেলেরা দ্রুত গহীন বনে পালিয়ে যায়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা বৃহস্পতিবার সকালে একটি নিয়মিত টহলে বের হন। টহলকালে চাঁদপাই রেঞ্জের শিয়ালা এলাকার একটি সাইড খালে তিনটি সন্দেহজনক জেলে নৌকা দেখতে পেয়ে তারা সেগুলোর দিকে অগ্রসর হন। তখন নৌকায় থাকা অজ্ঞাত পরিচয়ের জেলেরা বনরক্ষীদের সামনে পড়েই নৌকা ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যান।

এরপর বনরক্ষীরা পরিত্যক্ত নৌকাগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে মাছ ধরার অবৈধ সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেন। জব্দকৃত দ্রব্যের তালিকায় রয়েছে ২৪ বোতল কীটনাশক (বিষ), তিনটি টোনা জাল, বনের ভেতর মাছ শুকানোর প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত শুঁটকি তৈরির চাটাই এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম।

এ বিষয়ে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরার ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য রয়েছে। এই সময়কালে অজ্ঞাত জেলেরা অবৈধভাবে বনের খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করে, যা পরে বনের মধ্যেই শুঁটকি করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেছিল। সকালের বনরক্ষীদের কার্যক্রমের ফলে বিষ দিয়ে মাছ ধরার এই অপচেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%