০৯:২৫ পি.এম
রাজশাহীর বাঘায় মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতাকে চেক জালিয়াতির অভিযোগে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এই রায় ঘোষণা করেন।
ফাতেমা খাতুন লতা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাঘা পৌরসভার নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
আরও পড়ুন: মদনে বাছুরকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তাঁর নিকটতম আত্মীয় নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর জন্য তিনি একটি চেক প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় নুরুজ্জামান আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর ২১৩০/২০২৪।
প্রায় আড়াই বছরের বিচারিক প্রক্রিয়ার পর সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। আদালত ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম জানান, মামলার বিচার চলাকালীন ফাতেমা খাতুন লতা নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে তিনি আদালতে হাজির না হয়ে আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেন।
ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে আরো দুটি চেক প্রতারণা মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ফাতেমা খাতুন লতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তিনি ১০ দিন হাজতবাস শেষে আপিলের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হন।
আরও পড়ুন: নড়াইল জেলা জাপার নবগঠিত কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে প্রতিবাদ সভা
নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাম্মি হোসেন জানান, ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে বলে মামলার বাদী মামুন হোসেন জানান।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মিস অরিন এবং বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন