সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৮ পি.এম
দশ বছর আগে সিঙ্গাপুরে কাজ করার সময় মোহাম্মদ আতাউর রহমানের শরীরের ৭৩ শতাংশ ঝলসে গিয়েছিল একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে, এবং তিনি এক কানে শ্রবণশক্তিও হারিয়েছেন। সেই মুহূর্তে আতাউর ভেবেছিলেন, জীবন বোধহয় সেখানেই শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে প্রবাস ফেরত আতাউর আজ নিজ গ্রামে পাবনায় সফল সমাজসেবক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন।
৩১ বছর বয়সী আতাউর স্মৃতিচারণ করে বলছিলেন, “ভেবেছিলাম ওটাই আমার জীবনের শেষ দিন, আর বাঁচব না।”
সিঙ্গাপুরে পাওয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ এবং নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘আল-শোহাগ কিন্ডারগার্টেন’, যেখানে নতুন ভবনে প্রায় ৪০০ শিশু পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।
কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া ১৩৭,০০০ সিঙ্গাপুরি ডলারের (প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার) একটি অংশ দিয়ে তিনি এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ ডলার খরচ হয়েছে ‘আল-সোহাগ কিন্ডারগার্টেন’ চালুর জন্য এবং নতুন ভবনের জমি কেনায় আরও ৩০,০০০ ডলার ব্যয় হয়েছে।
শিক্ষা বিষয়ক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে গিয়ে আতাউর বলেন, “আমার মতো যেন আর কাউকে অল্প বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে না হয়। তারা যেন শিক্ষা চালিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমি নিশ্চিত করতে চাই।”
২০১৫ সালে প্রায় ১৬ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার ঋণ নিয়ে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন আতাউর। কিন্তু ২০১৬ সালের জুলাইয়ে গাছের ডাল ছাঁটাইয়ের কাজ করার পর তাকে একটি ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাংক পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রথমে রাজি না হলেও চাকরি হারানোর ভয়ে বাধ্য হয়ে ট্যাংকিতে নামেন আতাউর। আলো জ্বালাতেই ভেতরে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে।
তিন মাস কোমা এবং ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর ত্বক প্রতিস্থাপন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হলেও সিঙ্গাপুর সরকার তদন্তে পায়, কোম্পানিটিতে কোনো সুরক্ষাব্যবস্থা বা প্রশিক্ষণ ছিল না। পরে কোম্পানিটিকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়।
দুর্ঘটনার পর পাওয়া ক্ষতিপূরণের অংশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার ডলার দিয়ে তিনি নিজের গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার আলো ছড়াতে ‘আল-শোহাগ’ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ১০ বা ১১ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেই দারিদ্র্যের কারণে আতাউরের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের হাল ধরতে মাঠে ধান ও সবজি চাষের কাজ শুরু করেন তিনি। নিজের গ্রাম পাবনায় (ঢাকা থেকে প্রায় ১৫০ কিমি দূরে) বহু শিশুর ভাগ্যেই এমনটা ঘটে। সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও শুভানুধ্যায়ীদের সহায়তা
স্কুল কীভাবে পরিচালনা করতে হয় তা শিখতে আতাউর সিঙ্গাপুরের বেশ কয়েকটি স্কুল পরিদর্শন করেন। সেখানে সিঙ্গাপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ই ইয়েন জং এবং তার স্ত্রী আতাউরের পাশে দাঁড়ান। ২০২০ সালে টিনের ছাদের একটি ঘরে শুরু হয় এই স্কুলের যাত্রা। এই স্কুলে গরমের দিনে শিশুদের টিকে থাকা কঠিন ছিল। এমনকি কম্পিউটার চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিজের বাড়ি থেকে কম্পিউটার এনে শিশুদের কাজ শেখাতেন আতাউর। পরে প্রচন্ড গরম ও স্থানসংকুলান না হওয়ায় একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এই নতুন তিনতলা ভবন নির্মাণে প্রায় ১,৫০,০০০ সিঙ্গাপুরি ডলার খরচ হয়, যার বড় একটি অংশ এসেছে সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন দাতাসংস্থা, ব্যক্তিগত অনুদান এবং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান 'ওহ আপ'-এর সৌজন্যে। খরচ বাঁচাতে আতাউর নিজে রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে থেকে তদারকি করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের নতুন ভবনে স্থানান্তর করেন।
বাস্তবমুখী শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আল-শোহাগ স্কুলে প্রথাগত পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষি কাজ, হাঁস-মুরগি পালন এবং কম্পিউটার শিক্ষার মতো ব্যবহারিক বিষয় শেখানো হয়। এলাকার দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য এখানে পড়ার খরচ মাত্র ৩ ডলার (প্রায় ২৭০ টাকা) রাখা হলেও, যারা দিতে পারে না তাদের বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বর্তমানে এই স্কুলের দৈনিক পরিচালন খরচের ৮০ শতাংশ আসে অনুদান থেকে। প্রতিদিনের পরিচালন ব্যয় মেটাতে এবং স্কুলটিকে স্বাবলম্বী করতে আতাউর এখন নতুন একটি উদ্যোগের কথা ভাবছেন। তিনি চান সিঙ্গাপুরগামী কর্মীদের জন্য এখানে সঠিক কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও ইংরেজি শিক্ষার ব্যবস্থা করতে, যাতে তারা দালালের প্রতারণা ছাড়া নিরাপদে বিদেশে যেতে পারেন।
আতাউরের আশা, তার স্কুলের শিক্ষার্থীরা একদিন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করবে। আতাউর রহমান বলেন, "নিজের পড়ার ক্ষুধা মেটাতে পারিনি, কিন্তু আমি চাই এই শিশুরা অনেক দূর এগিয়ে যাক।" নিজ ভবনের ৩য় তলায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাসকারী আতাউরের স্বপ্ন অনেক বড়। তার স্কুলের একজন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই স্থানীয় সেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সরকারি স্কলারশিপ পেয়েছে। আতাউর বলেন, “হয়তো ১০ বছরে সম্ভব হবে না, তবে ভবিষ্যতে আমি আমার শিক্ষার্থীদের বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে দেখতে চাই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের কারণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড। গাজার মানবিক পরিস্থিতির সংকট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটি।
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার্স ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন স্যারের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই উদ্বেগ তুলে ধরেন। নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার্স শিগগিরই ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্সেন আগাবেকিয়ান শাহিনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।
বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনে দশকের পর দশক ধরে চলমান ইসরায়েলি অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সমালোচনা বর্তমানে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের উপস্থিতি এবং দখলদারিত্বকে ‘অবৈধ’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদও এক বছরের মধ্যে এই অবৈধ দখলদারিত্ব অবসানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরোধের ফলে চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই সমুদ্রপথটি যুদ্ধের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে আরব রাষ্ট্রগুলোকে ইরানের সাথে নতুন অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক সমঝোতা করতে হবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত মন্তব্য করেন, "বর্তমান বাস্তবতায় হরমুজ প্রণালী আগের মতো স্বাভাবিক হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। চলমান পরিস্থিতির পর ইরান আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সম্পর্কিত সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক জাহাজগুলোকে এই প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচল করতে দেবে না।"
অধ্যাপক বারাকাত আরও উল্লেখ করেন, চলমান অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো। তাদের রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই বর্তমানে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। বিশ্ববাজার কেবল উপসাগরীয় পণ্যের ওপর নির্ভর করে বসে থাকবে না; আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ইতিমধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে নিতে শুরু করেছে। যদিও সাময়িকভাবে পণ্যের দাম বেড়েছে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এখন পর্যন্ত মারাত্মক সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী এই স্থবিরতা এড়াতে আরব দেশগুলোকে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে এবং নিজেদের অর্থনীতি রক্ষায় সমঝোতার পথ বেছে নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় হৃদয় আহমেদ রাজু (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক অনলাইন বেটিং অ্যাপ এবং জুয়ার ওয়েবসাইট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময় মোবাইল ফোন ও ১৬ পাতার স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে গ্রেফতার হৃদয় আহমেদ রাজুকে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ধামদী মোড়লের বিট এলাকার কালামের চায়ের দোকানের পাশে অভিযান চালিয়ে হৃদয়কে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকার বেশ কয়েকজন অনলাইন জুয়াড়ি জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ রোমনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে হৃদয় আহমেদ রাজুকে আটক করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা মোবাইল ফোনে একাধিক অনলাইন বেটিং অ্যাপ এবং অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, হৃদয় এলাকায় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে অংশ নিতেন এবং অন্যদেরও এতে অংশ নিতে সহায়তা করতেন।
এ ঘটনায় হৃদয় আহমেদ রাজুসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে ঈশ্বরগঞ্জ থানার একজন এসআই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মামলায় হৃদয় ছাড়া জুয়া খেলায় জড়িত আরও ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পলাতক রয়েছে। তাঁদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হৃদয় (২৪) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার অধিবাসী ছিলেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টা ১০ মিনিটে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হৃদয়কে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত অবস্থায় রোববার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র একদিনের ব্যবধানে তার মৃত্যু ঘটে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ১৮ জন রোগী ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এই সময়ে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু ঘটেছে।
সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৮২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব অনুযায়ী, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তিনজন বেড়েছে।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামিম আহমেদ জানান, "হাসপাতালে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ