ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন


বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

ভ্যাট ও করব্যवস্থার ওপর প্রস্তাবিত বিষয়গুলোর মধ্যে কিছু সংশোধনী আনা হবে, আবার কয়েকটি বিষয় প্রত্যাহার হতে পারে। এ ছাড়া, ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা এবং সঞ্চয়পত্রের ওপর করারোপ থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার।

পাশাপাশি, সরকার ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এসব সংশোধনসহ আজ সোমবার প্রস্তাবিত অর্থ বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। পরে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে বাজেট ২০২৬-২৭ পাস করা হবে, যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তি, অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ এবং বাস্তবায়নের সক্ষমতার বিষয়ে প্রশ্নের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর ও ভ্যাটব্যবস্থার পুনঃবিবেচনা করতে যাচ্ছে সরকার। খুচরা ব্যবসায় প্যাকেজভিত্তিক ভ্যাট, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা, আয়কর স্ল্যাব এবং জমির মূলধনী মুনাফা কর—এই পাঁচটি বিষয় আলোচনায় রয়েছে।

আরও পড়ুন: অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি - মো. তমিজ উদ্দিন এমপি

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, সংসদে বাজেট পাসের আগেও এবং অর্থ বিলের চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় এসব প্রস্তাবে সংশোধন আসতে পারে। বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছিল যে, বছরে ৫০ লাখ টাকার কম বিক্রয় বা টার্নওভার রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দিষ্ট বা ‘স্পেসিফিক’ ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হবে।

ব্যবসার ধরন এবং অবস্থান অনুযায়ী মাসিক এক হাজার থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট নির্ধারণের পরিকল্পনা ছিল। তবে এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে খুচরা ব্যবসায়ীদের হয়রানির আশঙ্কা এবং বাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার আপাতত এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে, এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশে বিপুলসংখ্যক জনগণের করযোগ্য আয় নেই, কিন্তু তাদের ব্যাংকিং সেবা প্রয়োজন। টিআইএন বাধ্যতামূলক হলেই সাধারণ গ্রাহকদের ওপর অযথা প্রশাসনিক চাপ তৈরি হতে পারে।

করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সূত্র জানায়, করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকা হতে পারে এবং এটি ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও বহাল থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: মাদ্রাসা ও মানবিক বিভাগে পড়েও জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন ইবি শিক্ষার্থী জাহিদ

করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়করের বিভিন্ন স্তর বা স্ল্যাবেও পরিবর্তন আনার আলোচনা চলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ কমাতে কিছু সমন্বয় আনা হতে পারে। জমির মূলধনী মুনাফা কর কমানোর বিষয়েও চিন্তা করা হচ্ছে। জমি উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমির মালিকদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

যতদূর জানা গেছে, উচ্চ কর হার বহাল থাকলে ভূমি উন্নয়ন ও আবাসন খাতে বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ব্যবসায়ীদের মতে, হঠাৎ করে নতুন কর এবং ভ্যাট ব্যবস্থা চালু হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বেশি সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদরা কর ও ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা জানালেও, বাস্তবায়নের আগে যথাযথ গবেষণা এবং প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন।

সামগ্রিকভাবে বাজেটের বিতর্কিত কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে সরকারের নমনীয় অবস্থান ব্যবসায়ী ও করদাতাদের মধ্যে স্বস্তি তৈরির সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি সংসদে অর্থ বিল পাস এবং সরকারের শেষ মুহূর্তের পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে নির্ভর করবে।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে ছয় বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কামরুলের ১০ বছরের কারাদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ রানের রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


১ রানের রোমাঞ্চে ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড

আয়ারল্যান্ড পরপর দুই ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষ ওভারের শ্বাসরুদ্ধকর নাটকের পর স্বাগতিকরা ১ রানের জয় পায়।

ভারত ১৫৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৪ রানে থেমে যায়। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছে আইরিশরা।

প্রথম ম্যাচে গত শুক্রবার ৩৪ রানের ব্যবধানে জয় পেয়ে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয় অর্জন করেছিল আয়ারল্যান্ড। এবার সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পূর্ণশক্তির ভারতীয় দলকে হোয়াইটওয়াশ করে আরও বড় কীর্তি গড়ল।

লর্কান টাকারের নেতৃত্বাধীন এই দলটি পাঁচ পেসারকে চোটের কারণে হারিয়েও এরকম সাফল্য লাভ করেছে।

অন্যদিকে ভারতের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের জন্য এই শুরু হলো হতাশার মধ্যে।

রান তাড়ায় ভারতের শুরু ছিল খুবই ভীতিকর। প্রথম ওভারেই জেয় মুন্ড্রার শিকার হন দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মা, দুজনই শূন্য রানে আউট হন।

পাওয়ার প্লের মধ্যেই তারা ৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। এরপর তিলাক ভার্মা ৪৬ বলে ৫৫ রান করে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন, তবে প্রয়োজনের মুহূর্তে আউট হয়ে যান।

শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। নাটকীয় সেই ওভারে হার্শিত রানা ঝড় তুললেও পঞ্চম বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। শেষ বলে অভিষিক্ত প্রিন্স যাদব ছক্কা মারলেও জয় থেকে ১ রান দূরেই থেমে যায় ভারত।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড ১৫৪ রান তোলে। হ্যারি টেক্টর ৪৭ বলে ৫৩ রান, বেন কালিটজ ২৩ বলে ৩৭ রান এবং জর্জ ডকরেল ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত জেয় মুন্ড্রা ৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা এবং সিরিজসেরার পুরস্কার অর্জন করেন। ম্যাট হলার্ডও ৩ উইকেট নেন। এই পরাজয়ের ফলে ভারতের টানা ১৬ টি-টোয়েন্টি সিরিজ অপরাজিত থাকার রেকর্ডেরও সমাপ্তি ঘটল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বণিক কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ এম


বণিক কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে আলীবাজার বণিক কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে জাফর উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জামসেদুল ইসলাম টুটুল।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ রোববার (২৮ জুন) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কার্যকরী ছিল। এই নির্বাচনে বাজারের ১২৪ জন বৈধ ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন।

গত ১১ জুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ১১টি পদে মোট ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৭টি পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যায়।

পরে রোববার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য ৪টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হরিণ প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জাফর উল্লাহ। আর আনারস প্রতীক নিয়ে ৭৮ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জামসেদুল ইসলাম টুটুল।

এছাড়া সহসভাপতি পদে মো. রাশেদ ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং ক্যাশিয়ার পদে ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন।

নির্বাচনের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও মো. আলী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আজমীর হোসেন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গণনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় মাছ হুমকির মুখে নিষিদ্ধ জালে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


দেশীয় মাছ হুমকির মুখে নিষিদ্ধ জালে!

‘চায়না দুয়ারি’ জালটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সিলেটের বিশ্বনাথের অঞ্চলে এর অবাধ বিপনন এবং ব্যবহার থামছে না। এর অধিক ব্যবহারের কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং অন্যান্য জলজপ্রাণীর অস্তিত্ব সংকটে পরেছে। কারেন্ট জালের তুলনায় এটি আরও বিপজ্জনক, চায়না দুয়ারি জল বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধ করতে স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের ভূমিকা নির্বিকার। সচেতন মহল দেশীয় মাছের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে ভয়ংকর এ জাল ব্যাপকভাবে বিভিন্ন নদী, হাওর, খাল ও জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় শিকারীরা অল্প পানিতে জাল পাতে। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে, অর্ধেক পানির নীচে এবং অর্ধেক ডাঙ্গায় জাল বিছানো হয়েছে। হালকা ও সরু বুননের ছোট ফাঁসের লম্বা জালে ধরা পড়ছে নানা প্রজাতির দেশীয় ছোট এবং বড় মাছ। জলজ প্রাণীও বাদ পড়ছে না। এই জালের কারণে প্রকৃতির উপকারী প্রাণী যেমন ব্যাঙ, সাপ, কুচিয়া, শামুক, কাঁকড়াসহ নানা ধরনের পোকা-মাকড় মারা পড়ছে।

মৎস্য শিকারীরা জানাচ্ছেন, তারা নিষিদ্ধ জানার পরও জীবিকার তাগিদে মাছ শিকারে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করছেন। কারণ এর মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে অধিক পরিমাণ মাছ ধরা সম্ভব। এছাড়া, এটি গোপনে গভীর জলে পাতা যায়। এজন্য চায়না দুয়ারি জালের প্রতি সকলেই ঝুঁকছেন।

বিশ্বনাথের মৎস্য উদ্যোক্তা দিলদার খান মন্তব্য করেছেন, দেশের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করতে একটি অসাধু চক্র ভংয়কর নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে চায়না দুয়ারি জালে শুধু দেশীয় মাছই নয়, সব ধরনের জলজপ্রাণীও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এর বিরুদ্ধে এখনই স্থানীয় প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার ধর ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেছেন, ‘চায়না দুয়ারি জাল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ। মৎস্য আইনে এটির বিপণন ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে এই জালের ক্ষতিকর প্রভাব ও ব্যবহার নিয়ে প্রচারণার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তাসহ দেশের চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


তিস্তাসহ দেশের চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে

তিস্তাসহ দেশের চারটি নদীর পানি বর্তমানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। রংপুর অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায়, এই অঞ্চলের নদ-নদীর পানির স্তর আরও বাড়তে সক্ষম হতে পারে। রবিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই তথ্যটি প্রকাশ করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বর্তমানে তিস্তা নদী ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর স্টেশনে সতর্কসীমায় অবস্থান করছে। তাছাড়া, সুরমা নদী ছাতক এবং সুনামগঞ্জ স্টেশনে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচদিন ধরে এ নদীগুলোর পানির স্তর আরও বৃদ্ধি হতে পারে। তবে, পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। তবে, আগামী তিন দিনে এই অববাহিকার পানির স্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হয়ে সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে একটি স্বল্পমেয়াদী বন্যাবাহিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। সিলেট বিভাগের সারিগোয়াইন, মনু ও যাদুকাটা নদীর পানি হ্রাস পেলেও ধলাই এবং খোয়াই নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন ধরে বৃদ্ধি পেয়ে চলতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায়, রংপুর বিভাগের উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তিস্তা নদীর পানির স্তর কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আগামী দুই দিন এই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় দিনে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে, নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, ভুলাই এবং কংস নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে নদীগুলো নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলায় সতর্কসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলস্বরূপ, নদীসংলগ্ন কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেয়েছে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিনদিনের মধ্যে এই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি অত্যন্ত দ্রুতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%