রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে মধ্য সোনাকুর গ্রামে পাল পাড়ায় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড় ৬টার দিকে আকস্মিক তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বসতভিটা ও বিদ্যুৎ লাইন, যার ফলে পুরো এলাকা এখন বিদ্যুৎহীন ও চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে হঠাৎ নদীর তীরে ভাঙন শুরু হলে ঘরবাড়িতে থাকা মানুষজন তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। নদীভাঙনে স্থানীয় মনা মালোর বসতঘরটি চোখের পলকে নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী লোকনাথ মন্দির, কালী মন্দির, দুর্গা মন্দির, শীতল মন্দির ও গঙ্গা মন্দির মারাত্মক ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে এই মন্দিরগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে গ্রামের অমল পাল, পরিমল পাল, তৃপ্তি পাল, রবি মালো, বিপুল মালো, সুজন মালো, সঞ্জীব মালো ও রমেন পালসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি বসতবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভিটেমাটি হারানোর ভয়ে গৃহহীন ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। উল্লেখ্য, এর আগেও এই এলাকার ২০ থেকে ২২টি বসতবাড়ি সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত অমল পাল ও রবি মালো জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি আমাদের ঘরের ফাটল ধরেছে। প্রাণ বাঁচাতে কোনোমতে ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে আসি।
অপর ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল মালো হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গ্রামের পাঁচটি মন্দিরই এখন ভাঙনের মুখে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব আসন্ন দুর্গাপূজা আয়োজন করা নিয়ে আমরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছি।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গৃহহারা ও আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন সেই চিন্তায় তাদের চোখে-মুখে এখন শুধুই দিশেহারা ছাপ।
ভাঙনের খবর পেয়ে আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার জেলা পর্যায়ের একটি সভায় ব্যস্ত থাকায় আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সদর নরোত্তমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেন মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিরহাট উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুল বাছেত হিরণ, নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবলু, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাকি বিল্লাহ তুষার ও দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজসহ অনেকে।
বক্তারা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ, ব্যাগ, কলম ও ডায়েরি তুলে দেওয়া হয়। কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান ও বিকাশের জন্য চীনের সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক বন্ধুত্বকে জোরদার করা প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত চীনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, "১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের যে পথচলা শুরু হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে তা আরো সুদৃঢ় ও গতিশীল হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বড় চালিকাশক্তি চীনের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান তরান্বিত করা সম্ভব।
বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, "চীন থেকে প্রতিবছর ২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশে থেকে রপ্তানির পরিমাণ মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের নিচে।" এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে চীনা সরকার বাংলাদেশি পণ্যে প্রায় শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরে বিনামূল্যে একটি প্রদর্শন কেন্দ্র (ডিসপ্লে সেন্টার) ও ২ হাজার বর্গকিলোমিটার সুবিধার স্টোরেজ বরাদ্দ দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, "কুনমিং থেকে মিয়ানমার হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ও সড়ক যোগাযোগের নতুন অর্থনৈতিক করিডর উন্মোচিত হলে তা বাংলাদেশ ও চীন—উভয় দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।"
আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষে বিদায় নিতে যাওয়া রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের কূটনৈতিক অবদানের প্রশংসা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
সফররত চীনা প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য কমরেড ঝাও জুনমিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এমপি, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কন্যা দিবস উপলক্ষে বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন মেয়েদের প্রতিদিনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, বাইরে চলাফেরার সময় মেয়েদের কীভাবে বিভিন্ন ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে। তার মতে, এমন একটি সমাজের প্রয়োজন রয়েছে যেখানে মেয়েরা ভয় ছাড়াই স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম হবে।
কৃতি তার পোস্টে মেয়েদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কোনো মেয়ে যখন বাড়ি ফেরার পথে বুঝতে পারে যে কয়েকজন পুরুষ তাকে অনুসরণ করছে, তখন সেই পরিস্থিতির কেমন ভয়াবহতা হতে পারে, তা একবার কল্পনা করা উচিত। রাতে একা বাড়ি ফেরার সময় পেছনে বারবার তাকানো কিংবা ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার চিন্তা অনেক মেয়ের পরিচিত অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নিরাপত্তার জন্য মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় বলেও জানান কৃতি। পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা, হেঁটে যাওয়ার পরিবর্তে ক্যাব নেওয়া অথবা বাড়ি ফেরার সময় কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলা—এসব সতর্কতা অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।
কৃতির মতে, এসব বিষয়কে নারীদের জীবনের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে মেনে নেওয়ার পরিবর্তে নিরাপদ পরিবেশ তৈরির দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। একজন নারীকে বাইরে বের হওয়ার পর প্রতিটি মুহূর্তে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসাব করতে হয়—এমন পরিস্থিতি পরিবর্তন হওয়া দরকার।
তিনি আরো বলেন, এমন একটি দিন আসা উচিত, যেদিন কোনো মেয়ে রাতে একা বাড়ি ফিরতে পারবে, সন্ধ্যার পর পার্কে বসতে পারবে কিংবা নিজের পছন্দের পোশাক পরে বাইরে যেতে পারবে। গণপরিবহন ব্যবহার করার সময়ও যেন তাকে নিরাপত্তার কথা ভেবে আতঙ্কিত হতে না হয়।
জনসমাগমপূর্ণ কোনো স্থানে থাকার সময় একজন নারীকে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে না—এমন পরিবেশের প্রত্যাশাও জানিয়েছেন কৃতি। তার বক্তব্যে নারীদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং জনপরিসরে নিরাপদ থাকার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
‘পৌঁছে গেছি’ ফোনটিও যেন একদিন প্রয়োজন না হয়।
কন্যা দিবসের পোস্টে কৃতি পরিবারের সঙ্গে মেয়েদের যোগাযোগের একটি পরিচিত অভ্যাসের কথাও তুলে ধরেন। কোথাও একা যাওয়া বা রাতে বাইরে থাকার পর অনেক মেয়েই পরিবারকে ফোন করে জানান, ‘পৌঁছে গেছি।’ নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন জানিয়ে পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করতেই সাধারণত এমন ফোন বা বার্তা দেওয়া হয়।
কৃতির আশা, এমন একটি সময় আসবে যখন কোনো মেয়েকে একা কোথাও যাওয়ার পর পরিবারকে ফোন করে নিজের নিরাপত্তার খবর দিতে হবে না। কারণ তখন বাইরে চলাফেরা নিয়ে ভয় বা অনিশ্চয়তা থাকবে না।
মেয়েদের জন্য এমন একটি সমাজের প্রত্যাশা জানিয়েছেন কৃতি, যেখানে রাতে একা হাঁটা, গণপরিবহন ব্যবহার কিংবা জনসমাগমপূর্ণ স্থানে চলাফেরার সময় নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত হিসাব করতে হবে না। কন্যা দিবসের বার্তায় তিনি মূলত মেয়েদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কুমারুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজনের (৩৮) মুক্তির দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০০ শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে প্রধান শিক্ষককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। এই ঘটনার ফলে বিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশের এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজন নিজস্ব কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। সেখানে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিচার দাবি করলেও পরে জানা যায়, ভুক্তভোগী দাবি করা ছাত্রী এবং তার পরিবার এই অভিযোগটি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে। মেয়েকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারের মান সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার কারণে মেয়ের বাবা থানায় উল্টো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চান মিয়া নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার রাতে শিক্ষক সুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ হিসেবে দাবি করে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বাইরে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ও অন্যান্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাঁন মিয়া বলেন, "আমি মামলার বাদীর বিষয়ে কিছুই জানি না। থানায় ধরে নিয়ে আমাকে শুধু একটি সই দিতে বলেছে।"
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান জানান, প্রধান শিক্ষক সপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন। এখন তিনি মিথ্যা বলছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ