ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন চার বই প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা ও কর্মযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি: মাহ্দী আমিন


নতুন চার বই প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা ও কর্মযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি: মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কয়েক দশক ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে দেওয়া তার বক্তব্য ও নির্বাচনের আগে ইশতেহারে ফুটে উঠেছে।

সেই আলোকে আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। আমরা যে চারটি নতুন বই নিয়ে কথা বলছি, এগুলো প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘকালের শিক্ষাক্ষেত্র নিয়ে রুপকল্প, চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও কর্মযজ্ঞেরই প্রতিফলন।’

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি

মাহ্দী আমিন বলেন, “‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ একদিকে আমরা যেমন বলছি বাংলায় আনন্দময় শিক্ষা বা আনন্দময় শিখন।

একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য টিচার্স গাইড (টিজি) নিয়োগের বিষয়টি ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বইয়ের ক্ষেত্রে, অন্ততপক্ষে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি- এই দুইটি বইয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটিকে প্রচলিত বা ট্র্যাডিশনাল পাঠ্যবইয়ের তুলনায় আরো বেশি ব্যতিক্রমধর্মী ও ভিন্নধর্মী করা উচিত।”

তিনি বলেন, “যেমন আমরা সবসময় দেখি বইগুলো সাধারণত টেক্সট-ভিত্তিক হয়, অর্থাৎ অনেক বেশি লেখা থাকে।

ফলে অনেক সময় বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে ততটা আকর্ষণীয় মনে হয় না। অন্তত ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং আমরা ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যে আলোচনা করেছি, তাতে আমরা চাই বইটিতে আরো বেশি দৃশ্যমান উপস্থাপনা থাকুক। অর্থাৎ, আরো বেশি ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও ভিজ্যুয়াল উপাদান থাকুক, যাতে শিক্ষার্থীদের বইটি পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় এবং তারা আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে।”

আরও পড়ুন: গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর ক্ষেত্রে আরো কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘শুরুতে একটি বিস্তারিত ভূমিকা অধ্যায় থাকা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করতে চাই, শিক্ষা ব্যবস্থায় এর দার্শনিক ভিত্তি ও বাস্তব প্রয়োগ কী হবে এবং এর প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু,-এসব বিষয় নিয়ে যদি আরো কিছু যুক্ত করা যায়, তাহলে বইটি আরো সমৃদ্ধ হবে।’

কারিগরি শিক্ষা প্রসঙ্গে মাহ্দী আমিন বলেন, এ ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। কারিগরি শিক্ষা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। কিন্তু মূল সমস্যা হলো এ বিষয়ে একটা ট্যাবু বা স্টিগমা কাজ করে যে, কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য নয়। এক্ষেত্রেও যদি একটি অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড অধ্যায় রাখা যায়, যেখানে কারিগরি শিক্ষার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ কী এবং কেন কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে একজন মানুষ তার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা যদি তুলে ধরা হয় তবে ভালো হবে। কারণ, কারিগরি শিক্ষার মূল বিষয়ই হচ্ছে এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে মোটিভেশন তৈরি করা।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘বর্তমানে যেটা হয় অনেকে কারিগরি শিক্ষায় আসতে চায় না। আমাদের মূল দর্শন হলো, বাংলাদেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের স্কুল থেকে শুরু করে ঢাকার সেরা স্কুল পর্যন্ত, প্রত্যেকটি স্কুলেই কারিগরি শিক্ষার একটি ল্যাব বাধ্যতামূলক করা হবে। এমনকি বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম সারির শিক্ষার্থীও যেন অন্তত কিছুটা হলেও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে। সুতরাং, মোটিভেশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আনতে হবে, কেন বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীরই অন্তত কিছুটা হলেও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

মাহ্দী আমিন বলেন, ‘সব মিলিয়ে যে কাজটুকু হয়েছে, তা খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে হয়েছে। কারণ, আমরা শুধু এই চারটি বই নিয়েই কাজ করছি, বিষয়টি এমন নয়। এর পাশাপাশি আমরা জানি, ফ্যাসিবাদের সময়ে বিভিন্ন বইয়ে অসংখ্য ভুল ছিল। এ বিষয়ে আমাদের যেসব বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বসেছি। অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ভুল চিহ্নিত করেছেন। সুতরাং, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতিহাসেরও অনেক বিকৃতি ছিল। আমরা বলেছি, ইতিহাসের নির্মোহ বহিঃপ্রকাশ যেন থাকে। আমাদের ইতিহাসকে আমাদের মতো করে সাজানোর প্রয়োজন নেই।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের হিমছড়িতে সাগরে ডুবে ৪ পর্যটকের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ১

তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচিত সরকারই জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার। ইতিহাসের প্রতিটি পালাবদলে বিএনপি সঠিক অবস্থানে মানুষের পাশে ছিল। আমরা চাই, ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে যে সত্য, সেটিই উঠে আসুক। সেই কাজও সমান্তরালভাবে চলমান রয়েছে। সুতরাং, একটি কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় প্রতিবছরই যে অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্য সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন এবং পরিবর্ধনের প্রয়োজন হয়, সেসব কাজ ইতিমধ্যে করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরিমার্জনও অব্যাহত রয়েছে।’

নতুন চারটি বইয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক আবেগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি তার দীর্ঘদিনের কর্মপরিকল্পনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামনে যেহেতু প্রায় এক মাসের মতো সময় রয়েছে, তাই ডেভেলপমেন্ট বা রিভিশনের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, সেটুকু কাজ আরো করা উচিত। পুরো বাংলাদেশ এই বইগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, “অবশ্যই খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ, সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ, কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’। কারণ এটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক মূল্যবোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এই বইটিকে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় করা যায়, এর কারিকুলামকে কিভাবে আরো প্রাসঙ্গিক করা যায় এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এটি দেখতে চান, সেই লক্ষ্য ও ভাবনার সঙ্গে কিভাবে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করার জন্য পুরো টিমের প্রতি আহ্বান।”

মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য আগামী ১ জানুয়ারি যেন দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর দোরগোড়ায় পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া যায়। সে হিসেবে বই বিতরণের লজিস্টিকসের জন্য প্রায় এক মাস সময় প্রয়োজন হবে। যে ডেডলাইন রয়েছে, সে অনুযায়ী অন্তত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদের প্রায় ৩১ কোটি বই প্রস্তুত থাকতে হবে। এরপর সারা দেশে এই বিপুলসংখ্যক বই কিভাবে প্রকাশ, মুদ্রণ ও বিতরণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, সেই মহাযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।’

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল প্রকল্প ডিসেম্বরে চালুর পথে, ২২ জেলার যান চলাচল উন্নত হবে

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি-গুলশান লেক সংস্কারবিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি-গুলশান লেক সংস্কারবিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি জানান, বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ধানমণ্ডি লেকের সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ, নজরুল সরোবর নির্মাণ এবং ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনসংক্রান্ত প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

এছাড়া গুলশান ও বারিধারা লেকের সঙ্গে সংযুক্ত সব অবৈধ বর্জ্য নির্গমন লাইন আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুরোপুরি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ বলেন, বৈঠকে রাজউকের নেতৃত্বে গুলশান লেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিবেশগত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার লেকগুলো পুনরুদ্ধার ও পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়ে কয়েকটি উপস্থাপনা পর্যালোচনা করেন।

একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন ও রাজধানীর পরিবেশ ও জলাধার সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি পঞ্চম শ্রেণির মাদরাসার ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে শাহিন হোসেন রবিন (২০) নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতের ঘটনা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ৭ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আটি বউবাজার এলাকায়। সেখানে মনোয়ারা জুট মিলের ভেতরে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কোচিং শেষে মাদরাসার সামনে থেকে তাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন প্রতিবেশী যুবক শাহিন হোসেন রবিন। অভিযোগানুসারে, ওই যুবক প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ভুক্তভোগীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত শাহিন হোসেন রবিন দাবি করেছেন যে, তাদের মধ্যে একটি সাত থেকে আট দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে দিন তারা উভয়ের সম্মতিতেই ওই স্থানে বেড়াতে গিয়েছিল। সে সময় ওই শিক্ষার্থী তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে মেয়েটির স্বজনদের খবর দিয়ে তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ করেন শাহিন। শাহিন ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানিয়েছেন, ওই পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত যুবক রবিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোররুমে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোররুমে আগুন

সাভার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি স্টোররুমে ঘটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এতে মজুত থাকা সরকারি ওষুধ এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়িয়ে যায়।

রবিবার (১২ জুলাই) বেলা আড়াইটার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোররুমে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারী জুয়েল খান জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ করে স্টোররুমে আগুন ধরে যায়। পরে সাভার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলেও, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীরা নিজেদের উদ্যোগে চেষ্টা চালিয়েছেন এবং দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে বারী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে। স্টোররুমে থাকা বেশ কিছু সরকারি ওষুধ এবং অন্যান্য মালামাল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজন রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজন রিমান্ডে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামক পেজ ও গ্রুপ খুলে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আসামিদের ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশনের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর মধ্যে ছয় আসামিকে ইতোমধ্যে দুই দফায় রিমান্ডে পাঠানো হয়। রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

একইদিনে প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের প্রত্যককে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আবেদন করেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিরা হলেন- শাহ আমানত সাবির (২৩), মো. হোসাইন তানিম (২০), জুনায়েদ (২২), আতাউল্লাহ শাহ (৩২), মো. আবিদুর রহমান (২০), মো. বায়োজিত (৩০) এবং তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসায়াব (১৯)।

গতকাল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রিমান্ডপ্রাপ্ত ৭ জনসহ মোট ১৬ জন ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর এ বি সিদ্দিক মামলা করেন। আদালতে রাষ্ট্র পক্ষ থেকে আসামিদের রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয়। অপরদিকে আসামিপক্ষে মো. সাদ্দাম হোসেন ও রিয়াজ উদ্দিনসহ পৃথক আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই ভোর সাড়ে ৬ টার দিকে উগ্রবাদী ফাতাহ কমব্যাটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আরেক আসামি তাহসীনকে যশোর থেকে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আসামিরা ‘সাবির ভাইয়ের জামাত’ নামক একটি উগ্রবাদী সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামক ফেসবুক পেজ, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আসছিলেন। এসব প্ল্যাটফর্মের আড়ালে তারা উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমন্বয়, তরুণদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধকরণ এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের লিপ্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, এজাহারনামীয় পলাতক, অজ্ঞাত আসামিদের গ্রেপ্তার, ও ফাতাহ কমব্যাটে সিস্টেমের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%