ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্তে জর্জরিত, তবুও ডিসেম্বরে উদ্বোধনের আশা বিমান প্রতিমন্ত্রীর


জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্তে জর্জরিত, তবুও ডিসেম্বরে উদ্বোধনের আশা বিমান প্রতিমন্ত্রীর

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার ক্ষেত্রে জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান একের পর এক শর্ত যুক্ত করছে। এর ফলে উদ্বোধন ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে যেতে পারে। তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, জুলাইয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে। আর নির্ধারিত সময়েই টার্মিনাল চালু হবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্যে সরকার আগের মতো এগিয়ে যাচ্ছে আসছে ডিসেম্বরে। কিন্তু জাপানের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের একের পর এক নতুন শর্তে জটিলতা বাড়ছে। সরকার জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আয় ভাগাভাগি নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। সিভিল এভিয়েশন ইতোমধ্যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক চুক্তির প্রস্তাব বা আরএফপি দিয়েছে। ৪২ দিনের মধ্যে চুক্তি সই হওয়ার কথা থাকলেও জাপানি প্রতিষ্ঠান নতুন নতুন শর্ত দিচ্ছে। এতে নির্ধারিত সময়ে টার্মিনাল চালু নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও বিমান প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, চুক্তি জুলাইয়ের মাঝামাঝি হবে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে, তাদের যেসব সক্ষমতা আছে সেগুলো দিয়ে চেষ্টা করা। চুক্তি সই হলে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জটিল প্রক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকবে। প্রযুক্তিগত সব ফাংশন নভেম্বরের মধ্যেই অপারেশন র‌্যাডিয়্যান্স অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফারের আওতায় টার্মিনাল টু থেকে স্থানান্তর করা দরকার।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

বিমান প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেসব কার্যক্রম শেষ হবে, তারা অক্টোবরের মধ্যে বুঝে নিবে। নভেম্বর মাসটি পুরো ট্রায়ালে চলবে, যাতে ডিসেম্বরে উদ্বোধন করা সম্ভব হয়। তিনি আশা করেন, নভেম্বরে তারা বুঝে নিতে পারবে।

যদি থার্ড টার্মিনালের অপারেশন শুরু হয়, তাহলে শাহজালাল বিমানবন্দরে বছরে যাত্রীসেবা ৮০ লাখ থেকে বেড়ে প্রায় ২ কোটিতে উন্নীত হবে। এটি এয়ারলাইন্সের সংখ্যা বাড়াবে এবং ভাড়া কমাবে। পণ্য আমদানি-রফতানি বেড়ে রাজস্বে গতি আসবে। তাই স্থাপনা দ্রুত কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দ্যা বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, টার্মিনাল উদ্বোধন হলে যাত্রীরা সাশ্রয় বোধ করবে, তারা এখানে নিরাপত্তা বোধ করবে এটি একটি বড় ব্যাপার। যেসব এয়ারলাইন্স সার্ভিস দেয়, তাদের সার্ভিসেও উন্নতি ঘটবে। নতুন নতুন এয়ারলাইন্সগুলো নিরবচ্ছিন্ন সার্ভিস দিতে পারবে। নতুন এয়ারলাইন্স আসা মানে নতুন রেভিনিউ আসবে এবং চাকরির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বিশ্বমানের সেবা দিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই টার্মিনালে রয়েছে ১১৫টি চেক-ইন, ১২৮টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার, ১৬টি লাগেজ বেল্ট, ৪০ হাজার বর্গমিটার বিশাল বহির্গমন লাউঞ্জ এবং ১ হাজার ২০০টি গাড়ি পার্কিং অবকাঠামো। এছাড়া, একসঙ্গে ৩৪টি উড়োজাহাজ পার্কিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এদিকে এর আগে শনিবার (২০ জুন) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল আলোচিত থার্ড টার্মিনাল (তৃতীয় টার্মিনাল) আগামী ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য চালু

এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা নীতি চালু করতে যাচ্ছে। এই নতুন ভিসা নীতির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৈধভাবে বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনার অনুমোদন এসেছে। সম্প্রতি, হোয়াইট হাউজ এমন একটি প্রস্তাবিত বিধিমালার অনুমোদন দিয়েছে যা আইনগতভাবে কার্যকর হবে। এতে দীর্ঘদিনের ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস ব্যবস্থা বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রস্তাব করা নতুন ভিসা নীতি অনুমোদন করেছে। নতুন ভিসা নীতির আওতায় শিক্ষার্থী, এক্সচেঞ্জ ভিজিটর এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের জন্য উন্মুক্ত মেয়াদের ভিসা বাতিল হবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির আওতায়, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা আর ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস বা খোলা মেয়াদের ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন না। সর্বোচ্চ চার বছরের ভিসা দেয়া হবে তাদের। আর ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়নের জন্য ডিএইচএসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

এছাড়া দেশটিতে বর্তমানে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যদি পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত থাকেন এবং নিয়ম অনুযায়ী পড়ালেখা করেন, তাহলে তাদের কোর্স শেষ হওয়া পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন। তবে নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকতে বৈধতার অনুমোদন প্রদান করা হবে। সময় শেষ হলেও পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চাইলে তাদের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নতুন করে আবেদনের প্রয়োজন হবে। অন্যথায়, তাদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে।

নতুন ভিসা নীতির প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, অধিকাংশ এফ-১ শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ চার বছর থাকার জন্য অনুমতি পাবেন। চার বছরের বেশি সময়ের শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রে (গবেষণাভিত্তিক স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি প্রোগ্রাম) অতিরিক্ত সময়ের জন্য অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে।

পড়ালেখার সময় প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা যাবে না। একটি স্তর শেষ করার পর তবেই উচ্চতর স্তরে ভর্তি হওয়া যাবে। একই বা নিম্ন স্তরে পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না। পড়ালেখা বা ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর নিজ দেশে ফেরার প্রস্তুতির সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যতদিন ভিসার শর্ত পূরণ করেন, ঠিক ততদিন সেখানে অবস্থান করতে পারেন। তবে নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে কলেজ ও মেডিকেল সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছেন, নতুন এই নিয়মে অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই নতুন নিয়ম শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সম্পন্ন করা এবং গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি পড়ালেখার জন্য আসা শিক্ষার্থীদের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরিণতি গাজার মতো হতো ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে: পেজেশকিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


ইরানের পরিণতি গাজার মতো হতো ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মঙ্গলবার মন্তব্য করেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া তার দেশের পরিণতি ‘গাজার মতোই’ হতো। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাদের ব্যালিস্টিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে স্থায়ী অবসান নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনা চলাকালে পাকিস্তান সফরের সময় তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষার ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে গাজার মতোই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করত। তখন তারা বৃদ্ধ বা তরুণ, কাউকেই রেহাই দিত না।’

 তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো অবস্থাতেই, কখনো, কারোর সঙ্গেই আলোচনা করব না।’

 এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ নিশ্চিত করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী পক্ষগুলো অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক চুক্তিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো উল্লেখ ছিল না।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরান তার উপসাগরীয় প্রতিবেশী ও ইসরায়েল দিকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও হাজার হাজার ড্রোন ছুড়ে ফেলেছে। ১৯৮০ দশকে ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধকালে ইরানের দুর্বল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি পূরণের জন্য প্রাথমিকভাবে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছিল এবং তারপর থেকে এগুলোর পাল্লা ও নির্ভুলতা কেবল বেড়েছে।

 

ইরান থেকে এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার (৯৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত ইসরায়েল, দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচিকে একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে দেখছে।

 

যুদ্ধের পূর্বে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের আলোচনা করতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং সশস্ত্র প্রক্সিদের প্রতি তেহরানের সমর্থন অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল।

 

সাম্প্রতিক দিনে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তার অবস্থান কিছুটা নরম করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু বলছি, অন্য দেশগুলোর কাছে যদি এসব অস্ত্র থাকে, তাহলে কিছু দেশের কাছে একেবারেই না থাকা কিছুটা অন্যায়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৯ পি.এম


জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বিপন্ন লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষায় বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান।

তিনি বলেছেন, 'এখন সময় এসেছে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিকে কাজে এবং অঙ্গীকারকে ফলাফলে পরিণত করার, যেন বিশ্ব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎকে আলিঙ্গন করতে পারে।'

প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, 'আমরা আশা করি, কপ-৩১ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে এবং বাংলাদেশ তার ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।'

মঙ্গলবার দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ১৭তম ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’-এ 'শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপে ক্লাইমেট লিডারশিপ' শীর্ষক এক অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, 'বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়, আমরা এটিকে সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং একটি যৌথ ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।'

তিনি আরও বলেন, 'কোনো দেশ একা জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে পারে না। এর জন্য প্রয়োজন অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকার।'

প্রধানমন্ত্রী কপ-৩১ এবং কপ-৩২ এর দিকে তাকিয়ে তিনটি অগ্রাধিকারের ওপর জোর দিতে চান। প্রথমত, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য ও অনুমানযোগ্য সহায়তাসহ ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনতে হবে।

দ্বিতীয়ত, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য হতে হবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও ত্বরান্বিত হওয়া উচিত।

তৃতীয়ত, প্রশমনের পাশাপাশি অভিযোজনও অপরিহার্য। বাংলাদেশের জন্য অভিযোজন কোনো নীতিগত বিকল্প নয়, এটি একটি অপরিহার্য বিষয়।

ইউএনসিটিএডি’র মতে, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের নতুন সম্মিলিত পরিমাণগত লক্ষ্যমাত্রা (এনসিকিউজি) উন্নয়নশীল দেশের প্রয়োজনীয়তা পূরণে অপর্যাপ্ত।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'আমরা আজ এখানে শুধু জলবায়ু সংকটে একটি সম্মুখসারির রাষ্ট্র হিসেবেই নয়, বরং বৈশ্বিক সমাধানে আগ্রহী একটি জাতি হিসেবেও সমবেত হয়েছি।'

বাংলাদেশ সরকার একটি অগ্রণী জলবায়ু-সহনশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবুজ প্রবৃদ্ধি এখন আমাদের জাতি গঠন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে।

জলবায়ু সংক্রান্ত বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আসন্ন ৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া প্রধান নদীর উপর পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, 'আমরা আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছি।'

বাংলাদেশ সরকার বন, জলাভূমি এবং উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার নিয়েছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানায়, 'আমরা সবুজ উৎপাদন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছি।'

তিনি বিশ্বনেতৃবৃন্দকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'কপ-৩১ এর উচিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশন এবং প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য পুনঃনিশ্চিত করা।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনবো: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনবো: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। শিক্ষামন্ত্রী তার এই ঘোষণা দিতে গিয়ে বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বুধবার (২৪ জুন) সকালে আজিমপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষামন্ত্রী এসময় বলেন, নকল নেই, তবে নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাইবার আইন পরিবর্তন হচ্ছে যাতে নকলের সহযোগীরা পার পেতে না পারে। শিক্ষামন্ত্রী আরও মন্তব্য করেন, এ জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে অতীতে ১০ বছর ধরে ষড়যন্ত্র চলছে।

মন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেয়া হবে। একইসঙ্গে ২০২৭ সালে কারিকুলাম পরিমার্জনসহ ২০২৮ সালে তা পরিবর্তন করার কথাও বলেন তিনি।

অতिरिक्त, শিক্ষামন্ত্রী ২০২২ সালের পর থেকে যে সকল শিক্ষক অবসর ভাতা পাননি, তাদের জন্য জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা চালুর কথাও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%