ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদের অধিবেশন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি


সংসদের অধিবেশন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি

সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এই মুলতবি ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে জেল পলাতক আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ এম


ভৈরবে জেল পলাতক আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জীবন ওরফে দুখু মিয়া (৩৬)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জীবন ওরফে দুখু মিয়া ভৈরব পৌর শহরের মালগুদাম বস্তিতলা এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে।
র‌্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যায় জীবন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল সে।
র‌্যাবের দাবি, জীবনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানা, জামালপুর রেলওয়ে থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার যাবজ্জীবন ও আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজাও রয়েছে।
বুধবার ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার বদরুদ্দৌজার দিকনির্দেশনায় এএসআই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার বদরুদ্দৌজা বলেন, “৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যায় জীবন ওরফে দুখু মিয়া। এরপর দীর্ঘ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল সে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং যাবজ্জীবন ও আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজাও রয়েছে।”
গ্রেপ্তারের পর বুধবার বিকেল ৫টার দিকে জীবন ওরফে দুখু মিয়াকে ভৈরব থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় দম্পতি ও নবজাতক হত্যা: পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দিলশান আরা অনিমা স্টাফ রিপোর্টের

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ এম


আশুলিয়ায় দম্পতি ও নবজাতক হত্যা: পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত

ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআই জানিয়েছে, নিহত নাজমা খাতুনের সঙ্গে হৃদয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বিয়ের আগে থেকেই। এই সম্পর্কের কারণে নাজমার স্বামী আলমগীর কবিরের সঙ্গে হৃদয়ের বিরোধ সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক তদন্ত ও গ্রেপ্তার অভিযুক্তের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে পিবিআই বলছে, পূর্বের সম্পর্কসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

গত ৫ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার হযরত আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে আশুলিয়া থানা-পুলিশ কক্ষের তালা খুলে ভেতর থেকে আলমগীর কবির (৪৫), তার স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩৯) এবং তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আলমগীর ও নাজমার বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন এবং আলমগীর ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এ ঘটনায় নিহত নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই পিবিআই ঢাকা জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করে। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ৮ সেপ্টেম্বর সংস্থাটি স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।

একই দিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসা থেকে নিহত নাজমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও হ্যান্ড পার্স উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

পিবিআইয়ের তদন্ত ও গ্রেপ্তার অভিযুক্তের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানা গেছে, নাজমার সঙ্গে হৃদয়ের বিয়ের আগেই প্রেমের সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। নাজমার সঙ্গে আলমগীরের বিয়ের পর বিষয়টি জানতে পেরে আলমগীরের সঙ্গে হৃদয়ের বিরোধ তৈরি হয়।

পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর হৃদয়ের বাসায় গিয়ে তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে পূর্বের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, ধস্তাধস্তির সময় নাজমা হৃদয়কে ঝাঁটা দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে হৃদয় নাজমাকে ধাক্কা ও লাথি মারেন বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন। এতে নাজমা ও তার গর্ভে থাকা সন্তান মারা যায় বলে পিবিআই জানিয়েছে।

এরপর আলমগীর খুন্তি ও পাইপ দিয়ে হৃদয়কে আঘাত করলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে হৃদয় গামছা দিয়ে আলমগীরের গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে।

হত্যাকাণ্ডের পর তিনজনের মরদেহ খাটের ওপর রেখে হৃদয় কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

আদালতে স্বীকারোক্তি

গ্রেপ্তারের পর মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই সংস্থাটি ছায়া তদন্ত চালিয়ে আসছিল। ঘটনার তিন দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পিবিআই।

তিনি বলেন, তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআই ঢাকা জেলার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান।

পিবিআই আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হৃদয়ের বিরুদ্ধে এর আগে একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে অভিযোগপত্রে নাম উঠেছিল।ইউএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় ৯১৯টি হোটেল বন্ধের নোটিশ জারি করেছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


কলকাতায় ৯১৯টি হোটেল বন্ধের নোটিশ জারি করেছে সরকার

বীরভূমের তারাপীঠ ও কলকাতার নিউমার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাত বাংলাদেশিসহ মোট ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যজুড়ে কঠোর অভিযান শুরু করেছে। পৌরনিগম (পৌরসভা) কলকাতার ৯১৯টি আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউস বন্ধের নোটিশ জারি করেছে, কারণ যৌথ পরিদর্শনে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি এবং বৈধ লাইসেন্সের অভাব দেখা গেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পৌর কমিশনার স্মিতা পান্ডে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পালিত খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহের অংশ হিসেবে পার্ক স্ট্রিট, ট্যাংরা ও বড়বাজারের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে পচা মাংস এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ৪০টি খাবারের দোকানের লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

স্মিতা পান্ডে আরও বলেন, ‘কলকাতায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ গেস্টহাউস বা লজ রয়েছে। এর মধ্যে ৯৬০টি গেস্টহাউসে পৌরনিগম, ফায়ার সার্ভিস এবং সিইএসসি-র যৌথ দল পরিদর্শন করেছে। ৯৬০টি গেস্ট হাউসের মধ্যে ৯১৯টি গেস্ট হাউসকে বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ৪১টি গেস্টহাউস ঠিক আছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেসব গেস্ট হাউসে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। কিছু হোটেল বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। তবে উৎসবের মৌসুমে পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে শর্তাবলি মেনে এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত করে আবেদন জানালে পুনরায় হোটেল খোলার অনুমতি দেওয়া হবে।’

এদিকে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে পালিত ‘খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ’ উপলক্ষে কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির কারণ অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির কারণ অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার

প্রতিদিন প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে অটোরিকশা চার্জিংয়ের জন্য। এই বিশাল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে দেশ বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্প্রতি জাতীয় সংসদে উল্লেখ করেছেন, সারা দেশে ৩ হাজার ৩০০টি অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট বিদ্যমান। ঢাকায় এই সংখ্যা ৪৮ হাজারেরও বেশি। এসব পয়েন্টে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে। গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চার্জ দেওয়ার জন্য দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ বা তারও বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া, একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যান চার্জ দেওয়ার ফলে স্থানীয় বিতরণব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। আবাসিক সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং ট্রান্সফরমারের ওপর বাড়তি লোড তৈরির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবাসিক এলাকার বিদ্যুতের লাইন, গ্যারেজ মালিকের বিদ্যুতের লাইন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবৈধভাবে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে বিদ্যুৎ চুরি করে চালকরা তা যানগুলোর ব্যাটারি রিচার্জ করতে ব্যবহার করছেন। ঢাকা এবং তার আশপাশে বিভিন্ন এলাকায় এসব গাড়ির চার্জ দেওয়ার জন্য আলাদা ঘর বা দোকান তৈরি করে ব্যবসা শুরু করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যানগুলো শুধু বিদ্যুতের অপচয় করছে না, বরং এগুলো পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। সাধারণত একটি ইজিবাইকের জন্য ৪-৫টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি প্রয়োজন। প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৮০০ থেকে ১১০০ ওয়াট হিসেবে ৫ থেকে ৬ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, যা দিনে বা রাতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা লাগে। কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, শহর ও গ্রামে যেহেতু এই যানগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তাই অফ পিক আওয়ারে এগুলো চার্জ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে এগুলোকে সোলার চার্জিং সিস্টেমের আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুতের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনব্যবস্থা যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, তা লক্ষ্য রাখতে হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিভাগীয় ও জেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভাড়া অন্যান্য যানের তুলনায় কম হওয়ার কারণে মূল শহর এবং তার বাইরের যাত্রীদের কাছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশা এখন জনপ্রিয় বাহনে পরিণত হয়েছে। বেশিরভাগ চালকই সামান্য অর্থের বিনিময়ে অবৈধ বৈদ্যুতিক লাইন থেকে গাড়িগুলোতে চার্জ নিচ্ছেন।

বিডি প্রতিদিন/এনইউ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%