০২:২৫ পি.এম
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের বিজয়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পুরস্কারের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রতিযোগিতাটি শেষ হওয়ার প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গেলেও বিজয়ীদের হাতে এখনো পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে যে, পুরস্কার কেনার জন্য বরাদ্দকৃত ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা বিল-ভাউচারের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে বাকি বিল্লাহ ওই টাকা উত্তোলন করেন।
আরও পড়ুন: এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে ভৈরবে নারীর সংবাদ সম্মেলন, সামাজিক ও পারিবারিক সংকটে তানিয়া
কোটচাঁদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক কুমার অবসর নেওয়ার পর শৈলকুপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহ সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানুয়ারিতে কোটচাঁদপুরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৫টি ইভেন্টে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ক্রীড়া ও বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ীদের পুরস্কার ও সনদ দেওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে, এখনো তা দেওয়া হয়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ১ এপ্রিল পুরস্কার কেনার জন্য ৭৫ হাজার ৫০০ টাকার বিল-ভাউচার করে টাকা উত্তোলন করা হয়।
তবে, টাকা উত্তোলনের প্রায় পাঁচ মাস পরেও বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: তিস্তায় অভয়াশ্রম নেই, হারিয়ে যাচ্ছে দেশি মাছ
কোটচাঁদপুরের এনসিপি নেতা হৃদয় আহম্মেদ বলেন, জানুয়ারিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও বিজয়ীদের পুরস্কার ও সনদ এখনো দেওয়া হয়নি। অথচ পুরস্কারের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
কোটচাঁদপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান বলেন, ‘পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের।
কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও পুরস্কার দেওয়া হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
অভিযোগের বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহ বলেন, ‘বিল পেতে দেরি হয়েছে। ২৫ আগস্ট পুরস্কারের সামগ্রী অফিসে পাঠানো হয়েছে। আর আমি দুর্ঘটনায় পড়ে এক মাস ছুটিতে ছিলাম। তাই একটু দেরি হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে সরকারি খাল ভরাট করে ড্রেন নির্মাণ, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘বিল তোলার পরও পুরস্কার না দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন