ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইংল্যান্ডের প্রস্তাব ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচিংয়ে যোগ দিলেন মিস্টার ক্রিকেট


ইংল্যান্ডের প্রস্তাব ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচিংয়ে যোগ দিলেন মিস্টার ক্রিকেট

মাইক হাসি, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে বাদ দিয়ে নিজের দেশ অস্ট্রেলিয়াকে বেছে নিয়েছেন। কিংবদন্তি এই ব্যাটার অস্ট্রেলিয়ার কোচিং প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন ২০২৭ সালের অ্যাশেজ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে। ক্রিকেটের জগতে ‘মিস্টার ক্রিকেট’ হিসেবে পরিচিত হাসি, অস্ট্রেলিয়ার জন্য পরামর্শক ও কোচ হিসেবে কাজ করবেন।

সম্প্রতি, ইংল্যান্ড টেস্ট দলের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের কাছ থেকে মাইক হাসি একটি প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তবে, তিনি শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার নতুন দায়িত্ব শুরু হবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। আগামী ১২ মাস তিনি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের জন্যও কাজ করবেন।

নতুন দায়িত্ব পেয়ে হাসি উচ্ছ্বসিত, তিনি বলেছেন, “তিন সংস্করণেই দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি রোমাঞ্চিত। সামনে গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং সময়। এই সময়ে অবদান রাখতে পারব বলে আশা করছি।”

আরও পড়ুন: রোনালদোকে নিয়ে ইনফান্তিনোর আবেগঘন বার্তা

অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডও হাসিকে পেয়ে খুশি, তিনি মন্তব্য করেছেন, “তার (হাসির) অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আমাদের বর্তমান কোচ এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে দারুণভাবে মানানসই। দলে তার অন্তর্ভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

অস্ট্রেলিয়া, ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটানোর এবং বড় টুর্নামেন্টগুলোতে সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে হাসির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩০২ ম্যাচ খেলেছেন হাসি। তিনি ৪৯ গড়ে ১২৩৯৮ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ৭২টি ফিফটি এবং ২২টি সেঞ্চুরি। তিনি একটি বিশ্বকাপ এবং দুটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছেন।

আরও পড়ুন: ভুটানের বিরুদ্ধে জয়ে দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ ডুলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ বোতল কোডিন মিশ্রিত সিরাপ ও ২ লাখ টাকা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ বোতল কোডিন মিশ্রিত সিরাপ ও ২ লাখ টাকা উদ্ধার

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচারাধীন ৭টি মাদক মামলা, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর অভিযোগ**

বরিশাল মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে কোডিন মিশ্রিত ১০ বোতল সিরাপ ও মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মো. আজিজ তালুকদার (৪৮) পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন একতা সড়ক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বরিশাল মহানগর পুলিশ (বিএমপি) মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট জোন) পবিত্র কুমার হালদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল আজিজ তালুকদারের বসতঘরে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে ৯ বোতল উইনসেরেক্স (Wincerex) সিরাপ, আরও ১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ এবং মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আজিজ তালুকদার কৌশলে পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে সাতটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় পলাতক আজিজ তালুকদারের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রে সিসা মিশছে, গবেষণায় উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রে সিসা মিশছে, গবেষণায় উদ্বেগ

স্থানীয়ভাবে তৈরি অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র থেকে মানবদেহের জন্য বিষাক্ত সিসা মিশতে পারে। বিশেষ করে নতুন পাত্র প্রথম কয়েকবার ব্যবহারের সময় খাবারে সিসার পরিমাণ বেশি পাওয়া গেছে। এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায়।

সিসা একটি মারাত্মক বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি সাধন করে। গবেষকেরা এই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে নিরাপদ রান্নার পাত্র উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং পরিবার পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

সম্প্রতি নেচার পাবলিশিং গ্রুপের ‘জার্নাল অব এক্সপোজার সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এপিডেমিওলজি’-তে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র থেকে খাবারে সিসার পরিমাণ, খাবারের অম্লতা (অ্যাসিডিটি), পাত্র মাজার ধরণ ও রান্নার পদ্ধতির প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

গবেষকেরা দেশীয় বিভিন্ন পরিবার থেকে ব্যবহৃত ৭টি পুরোনো এবং বাজার থেকে কেনা ২০টি নতুন পাত্র নিয়ে পরীক্ষা চালান। প্রথমে পাত্রগুলোর ধাতুতে সিসার মাত্রা যাচাই করা হয়। এরপর সেগুলোতে সাদা ভাত ও খিচুড়ি রান্না করে বিশেষ পরীক্ষাগারে খাদ্য ও পানিতে সিসার পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান অ্যান্ড প্ল্যানেটারি হেলথের ‘প্রজেক্ট আনলেডেড’-এর পরিচালক ড. জেনা ফরসিথ বলেন, "আমরা রান্নার পাত্র এবং তাতে রান্না করা খাবার—উভয় ক্ষেত্রেই সিসার মাত্রা পরীক্ষা করেছি। এর মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত একটি সাধারণ পাত্র কীভাবে মানুষের শরীরে সিসা প্রবেশের কারণ হতে পারে।"

গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা প্রতিটি পাত্র থেকেই খাবারে সিসা নির্গত হয়েছে—তা পাত্রটি নতুন হোক বা পুরোনো। নতুন পাত্রে প্রথমবার রান্নার সময় প্রতি কেজি সাদা ভাতে সর্বোচ্চ ৩০৫ মাইক্রোগ্রাম এবং খিচুড়িতে সর্বোচ্চ ৪২০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত সিসা শনাক্ত হয়েছে। অথচ শিশু ও ছোট বাচ্চাদের খাবারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) নির্ধারিত নিরাপদ সীমা হলো প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ মাইক্রোগ্রাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বারবার ব্যবহারে খাবারে সিসার মাত্রা কিছুটা কমলেও তা কখনোই নিরাপদ মাত্রার নিচে নামে না। এমনকি পূর্বব্যবহৃত সাতটি পাত্রের মধ্যে ছয়টিতে রান্না করা ভাতেও সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এছাড়া রান্নার পাত্র কীভাবে পরিষ্কার করা হচ্ছে, তার ওপরও সিসা মিশে যাওয়ার মাত্রা নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন পাত্র স্টিলের তারের মাজুনি দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করলে, না ঘষে ব্যবহারের তুলনায় খাবারে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সিসা মেশে। আবার রান্নার সময় ধাতব খুন্তি দিয়ে নাড়াচাড়া করলেও সিসা নির্গমনের পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের শিশুরা সাধারণত প্রতিদিন যে পরিমাণ ভাত খায়, তা বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা খাবার খেলে একটি শিশু এফডিএ নির্ধারিত দৈনিক সহনীয় সীমার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে।

আইসিডিডিআর,বি-র এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ওয়াশ-এর সহকারী বিজ্ঞানী ড. জেসমিন সুলতানা বলেন, "পরিবারগুলো অনেক যত্ন নিয়ে প্রতিদিন ভাত ও খিচুড়ি রান্না করে। সেই খাবারে রান্নার পাত্র থেকেই সিসা মিশছে কি না, তা নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা করতে দেওয়া উচিত নয়।"

তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, "ছোট শিশুদের খাবার তৈরির ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার দিক থেকে পরীক্ষিত পাত্র ব্যবহার করা দরকার। তবে স্থানীয় অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র ব্যবহার করতে হলে তারের মাজুনি দিয়ে ঘষা পরিহার করা এবং টক বা অম্লীয় খাবার রান্না না করাই ভালো। তবে মনে রাখতে হবে, এসব সতর্কতা পাত্রটিকে পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত করে না।"

ড. জেনা ফরসিথ এ বিষয়ে আরও বলেন, "সিসা চোখে দেখা যায় না, এর কোনো গন্ধ বা স্বাদও নেই। তাই বাইরে থেকে দেখতে সম্পূর্ণ ভালো ও চকচকে পাত্র থেকেও খাবারে সিসা মিশতে পারে। বাহ্যিক রূপ দেখে সাধারণ পরিবারের পক্ষে কোনটি নিরাপদ পাত্র, তা বোঝার কোনো উপায় নেই।"

বাংলাদেশে পুরোনো অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র বদলে নতুন পাত্র নেওয়া কিংবা পুরোনো কাপড়ের বিনিময়ে হাঁড়ি-পাতিল নেওয়ার প্রচলন রয়েছে। গবেষণাটিতে সরাসরি এই বিনিময়প্রথা নিয়ে কাজ না হলেও ফলাফল বলছে, পাত্রটি নতুন বা চকচকে হলেই তা নিরাপদ ভাবার অবকাশ নেই। মূলত দেশে স্থানীয় পর্যায়ের অনেক পাত্র পুরোনো স্ক্র্যাপ বা ভাঙারি ধাতু গলিয়ে তৈরি করা হয়। এসব কাঁচামাল মানসম্মতভাবে পরীক্ষা না করায় চূড়ান্ত পাত্রে সিসা থেকে যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, রক্তে সিসার এমন কোনো সহনীয় মাত্রা নেই, যাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা চলে। সিসার সংস্পর্শ শিশুদের আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ওপর অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনে।

গবেষকদের অভিমত, এ স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোর দায় কেবল সাধারণ পরিবারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশে সিসা দূষণের নানা উৎসের মধ্যে অতীতে হলুদে সিসা মেশানোর প্রমাণ মিলেছিল। এখন রান্নার পাত্র থেকেও মানুষ সিসার শিকার হতে পারে, ফলে এটিকেও জাতীয় গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-কে কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গবেষকদের মতে, রান্নার নিরাপদ পাত্র নিশ্চিত করতে বিদ্যমান মান ও নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করা, স্ক্র্যাপ ধাতু পরীক্ষা এবং উৎপাদিত পাত্র থেকে রাসায়নিক নিঃসরণ হচ্ছে কি না তা কঠোরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র উৎপাদকদের নিরাপদ কাঁচামাল সরবরাহ ও মান পরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

আইসিডিডিআর,বি-র প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, "আমরা বিএফএসএকে রান্নার পাত্র থেকে খাবারে সিসা স্থানান্তরের বিষয়ে স্পষ্ট নিরাপত্তা মান নির্ধারণের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি বিএসটিআই-এর প্রতি রান্নার পাত্রে সিসা-সংক্রান্ত মানদণ্ড প্রণয়ন ও তা কার্যকরের অনুরোধ করছি। সাশ্রয়ী দামের পাত্র মানেই তা অনিরাপদ হবে; এমনটি হওয়া উচিত নয়। সঠিক তদারকি ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে এই প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

এটি পরীক্ষাগারে পরিচালিত একটি সীমিত পরিসরের গবেষণা। এতে শিশুদের শরীরে সিসা প্রবেশের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা শিশুদের সরাসরি শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে নয়, বরং খাদ্য গ্রহণের একটি গাণিতিক মডেলের ভিত্তিতে প্রাক্কলন করা হয়েছে। তাই বিভিন্ন ধরনের তৈজসপত্র ও রান্নার দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়ে আরও বিশদ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

গবেষণাটি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কিং সেন্টার অন গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট’-এর সহায়তায় পরিচালিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন গভর্নর গ্যাভিন নিউসম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন গভর্নর গ্যাভিন নিউসম

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ৫৪৮ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সাজা লাঘবের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এই ঘোষণার মাধ্যমে কার্যত ক্যালিফোর্নিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং প্যারোলে মুক্তির সুযোগ থাকবে না।

একটি খোলা চিঠিতে নিউসম উল্লেখ করেছেন, "রাষ্ট্রীয়ভাবে হত্যার অনুমোদন ক্যালিফোর্নিয়ার মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি বিচারব্যবস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করে এবং সমাজের সামগ্রিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে।"

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের প্রতি জনসমর্থন গত কয়েক দশকে কমলেও, এখনও অধিকাংশ মানুষ এর পক্ষে রয়েছেন। তবে নিরপরাধ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মৃত্যুদণ্ডবিরোধীরা দাবি করছেন, এ শাস্তির কার্যকারিতার পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। এছাড়া এর বিপুল ব্যয়, বর্ণবৈষম্য এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের (ডিপিআইসি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৮ সাল থেকে ক্যালিফোর্নিয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে, অথচ এ সময়ে মাত্র ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ১৯৭৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্তত ২০৩ জন পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পেয়েছেন।

ডিপিআইসির নির্বাহী পরিচালক রবিন মাহের নিউসমের সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে সাজা মওকুফের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া সুপ্রিম কোর্টের পর্যালোচনা প্রয়োজন হবে।

ক্যালিফোর্নিয়ায় গত ২০ বছর ধরে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি। অঙ্গরাজ্যটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির তালিকা ছিল। নিউসমের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশজুড়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যাবে।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি চিকিৎসার কথা বলে ডাক্তারকে ফ্ল্যাটে ডেকে মারধর, তিনজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


জরুরি চিকিৎসার কথা বলে ডাক্তারকে ফ্ল্যাটে ডেকে মারধর, তিনজন গ্রেফতার

জরুরি চিকিৎসার দোহাই দিয়ে এক তরুণ চিকিৎসককে একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর ও মোবাইল-ঘড়িসহ সাড়ে তিন লাখ টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এই ঘটনায় দুই অভিনয়শিল্পীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

এই ঘটনা ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচিতে ঘটেছে। খবরটি এনডিটিভি থেকে জানা যায়।

মামলার সূত্রে পুলিশ জানায়, গত সোমবার সকালে অভিনেত্রী অতুল্যা চন্দ্র এবং অভিনেতা ও প্রযোজক বিবিন পেরুম্বিল্লি অন্যান্য সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে এক রোগীর জরুরি চিকিৎসার কথা বলে ওই চিকিৎসককে কোচির ‘এসেন স্প্রিংডেল’ নামের একটি অ্যাপার্টমেন্টে আসার জন্য অনুরোধ করেন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসক যখন ফ্ল্যাটে পৌঁছান, তখন সেখানে ১২ জন উপস্থিত ছিলেন।

মারধরের একপর্যায়ে অতুল্যা চন্দ্র ওই ডাক্তারের মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ ও ওয়্যারলেস ইয়ারফোন ছিনিয়ে নেন। তিনি ডাক্তারকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তুই একটা চোর, তোকে আমি মেরেই ফেলব।’

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভুক্তভোগীকে একটি ঘরে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%