১১:৫২ পি.এম
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এখন পৌরসভার দুই কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গালিগালাজ এবং মারধরের অভিযোগ ওঠার পর রোববার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, ফজলে রাব্বীকে স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাদক-জুয়া-যৌতুক সমাজকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে: ত্রাণমন্ত্রী
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত-এ-খুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয়, নিজের আবাসিক কক্ষে, পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ এবং পরিচ্ছন্নতা শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আনারুল ইসলামকে গালিগালাজ ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সিইও ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর, ভুক্তভোগী দুই কর্মকর্তা-কর্মচারী বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে চলে যান। অভিযুক্ত সিইওকে অপসারণ না করা পর্যন্ত তারা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা করেন। ফলে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনকে মারধর
ঘটনার পর কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ অভিযুক্ত সিইওর বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। একই দিন, তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠিও পাঠান।
জেলা প্রশাসকের পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে, দুই দিনের মধ্যেই ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহারের আদেশ দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাকে স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে সিইওকে প্রত্যাহার করা হওয়ার খবর পেয়ে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। তবে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সিইও ফজলে রাব্বীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: কুবি ক্যাম্পাসে ভুয়া পুলিশ সন্দেহে ৩ জনকে আটক, মারধরের অভিযোগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন