ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজবাড়ীতে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট


রাজবাড়ীতে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে দায়ের করা নতুন মামলায় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী কেরামত আলীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (০৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ী সদর থানায় দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলা মামলায় কাজী কেরামত আলীকে রাজবাড়ী সদর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ১৫ অক্টোবর দুপুর সোয়া ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজবাড়ী সদর থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় শুনানির জন্য কাজী কেরামত আলীকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে হাজির করা হয়েছিল। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২০২৭ সালের ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেন আদালত।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

এদিকে, পরবর্তীতে গোয়ালন্দ আমলি আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসাইনের আদালতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার একটি মামলায় কাজী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাটি ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২৩ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন রেজা তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন।

কাজী কেরামত আলীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম আশা জানান, এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে কাজী কেরামত আলী প্রথমে গ্রেপ্তার হন। পরে উচ্চ আদালত থেকে তিনি ওই মামলায় জামিন লাভ করেন। পরবর্তীতে তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হলে সেই মামলাতেও তিনি জামিন পান। এরপর আবারও তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছিল।

আইনজীবী আরও উল্লেখ করেন, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিয়মিত হাজিরার দিন ধার্য ছিল। তবে এর আগের দিনই গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) পুলিশের পক্ষ থেকে নতুন আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন পেশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আদালত তা মঞ্জুর করেন।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল গ্রেপ্তারের পর থেকেই সাবেক এ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কারাগারে রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে এ গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজবাড়ী সদর থানায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে উৎস সরকার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বুধবার (৪ নভেম্বর) তাকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের সংবাদ সম্মেলন চ্যালেঞ্জে আসিফ মাহমুদ রিট শুনানি শেষ, আদেশ ১১ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


দুদকের সংবাদ সম্মেলন চ্যালেঞ্জে আসিফ মাহমুদ রিট শুনানি শেষ, আদেশ ১১ নভেম্বর

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংবাদ সম্মেলনের বৈধতা নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। হাইকোর্ট আগামী ১১ নভেম্বর এ বিষয়ে আদেশ প্রদান করবেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ এবং বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর, হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল। আদালতের অবকাশকালীন ছুটি শেষে নিয়মিত বেঞ্চ চালু হলে নতুন করে শুনানির জন্য আবেদনটি আবার আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসূফ আলী।

মামলার বিবরণ ও রিট সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার দাবি করে গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আলাদা দুটি সংবাদ সম্মেলন করেন দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং সহকারী পরিচালক।

রিট আবেদনের শুনানিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আইনজীবী ইউসূফ আলী যুক্তি তুলে ধরেন যে, তদন্ত বা অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগেই সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার ঘোষণা দেয়া সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা ব্যক্তিমর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। পাশাপাশি, এই ধরনের বক্তব্য দুদকের নিজস্ব ‘তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা, ২০১১’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে দুদকের ওই সংবাদ সম্মেলনগুলোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং অনুসন্ধান চলাকালে গণমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য প্রদান থেকে কমিশনকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে এই রিট করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধে ও নির্বাচনে হেরেছেন ট্রাম্প, আরও পরাজয় উপহার দেবে ইরান: বিচার বিভাগীয় প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


যুদ্ধে ও নির্বাচনে হেরেছেন ট্রাম্প, আরও পরাজয় উপহার দেবে ইরান: বিচার বিভাগীয় প্রধান

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-ইজেই। তিনি মন্তব্য করেন যে, ট্রাম্প যুদ্ধ এবং রাজনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই পরাজিত হয়েছেন এবং ইরান নিশ্চিতভাবে তাকে আরও পরাজয় উপহার দেবে।

এই মন্তব্যটি করেছেন ইরানের শীর্ষ এই বিচারপতি, যখন সম্প্রতি মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির কাছ থেকে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে।

মোহসেনি-ইজেই টেলিগ্রামে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, “ট্রাম্প যুদ্ধ এবং রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই পরাজিত হয়েছেন; আমরা নিশ্চিতভাবেই তাকে আরও পরাজয় উপহার দেব; এটি এখনও কেবল প্রাথমিক ফলাফল মাত্র।”

ঐতিহাসিক দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, “৪ নভেম্বর সর্বদা আমেরিকানদের জন্য পরাজয়ের একটি দিন হয়ে এসেছে; শহীদ স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিশেষ করে মিনাবের প্রিয় শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মৃতি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকুক।”

বিশ্লেষকদের মতে, মোহসেনি-ইজেই মূলত ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর শুরু হওয়া বিখ্যাত তেহরান মার্কিন দূতাবাস জিম্মি সংকট এবং ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যে সময় তেহরানে মার্কিন দূতাবাসের বেশ কয়েকজন কূটনীতিবিদ ও বেসামরিক নাগরিককে জিম্মি করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন বিয়ের বন্ধনে জড়াননি টাবু, অজয়কে নিয়ে অভিনেত্রীর বক্তব্য?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


কেন বিয়ের বন্ধনে জড়াননি টাবু, অজয়কে নিয়ে অভিনেত্রীর বক্তব্য?

বলিউডে দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন অভিনেত্রী টাবু। অভিনয়ের দক্ষতা, ব্যতিক্রমী চরিত্র নির্বাচন ও পর্দায় শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে তিনি একটি আলাদা অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে পর্দার সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও বরাবরই আলোচনা চলে এই অভিনেত্রীর। বিশেষ করে ৫৫ বছরে পা দিতে চলা টাবু কেন এখনো বিয়ের বন্ধনে জড়াননি, তা নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তার জীবনে প্রেম এসেছে, সম্পর্কের গুঞ্জনও ছড়িয়েছে। কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্ত তিনি কখনোই নেননি।

টাবুর বিয়ে না করার প্রসঙ্গে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগনের নাম। দীর্ঘদিনের বন্ধু অজয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কটি বেশ মজার ও খুনসুটিতে ভরা। গত বছর ‘অরোঁ মে কাহাঁ দাম থা’ সিনেমার প্রচারের সময় পুরোনো একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও নতুন করে আলোচনায় আসে। সেখানে টাবুর জন্য কেমন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন, এমন প্রশ্নের জবাবে অজয় মজা করে বলেছিলেন, ‘টাবু কো ম্যায় চাহিয়ে, উসকো ও মিল নেহি সাকাতা।’ অর্থাৎ, টাবু তাকেই চান, কিন্তু তাকে পাওয়া সম্ভব নয়!

পরে অবশ্য নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে অজয় জানান, তিনি আসলে তার মতো একজন বন্ধুর কথা বলতে চেয়েছেন। তার মতো বন্ধু পৃথিবীতে আর নেই। অজয়ের কথায় হেসে ওঠেন টাবুও। মজা করে অভিনেত্রী বলেন, অজয়ের মতো মানুষই তাকে সহ্য করতে পারেন, অন্য কেউ হয়তো পারতেন না।

অজয়কে নিয়ে টাবুর এমন রসিকতা অবশ্য নতুন নয়। ২০১৭ সালে ‘গোলমাল এগেইন’ সিনেমার প্রচারের সময়ও অভিনেত্রী মজা করে বলেছিলেন, ছোটবেলায় অজয় ও তার কাজিন সামীর আরিয়া তাকে অনুসরণ করতেন। কোনো ছেলে তার সঙ্গে কথা বলতে এলে ভয় দেখাতেন। এ কারণে মজা করে নিজের বিয়ে না করার জন্য অজয়কেই দায়ী করেছিলেন টাবু। এমনকি তাকে একজন পাত্র খুঁজে দেওয়ার দায়িত্বও দিয়েছিলেন।

টাবুর ব্যক্তিজীবনে প্রেমের সম্পর্ক নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। অভিনেতা সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা একসময় প্রকাশ্যে এসেছিল। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘প্রেম’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সঞ্জয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির শুটিংয়ের শুরুর দিকে দুজন সম্পর্কে ছিলেন। তবে ছবির কাজ শেষ হওয়ার আগেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্ক ছিল টাবুর। ১৯৯৭ সালে রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাজিদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন অভিনেত্রী। তখনই জানিয়েছিলেন, বিয়ের কোনো পরিকল্পনা নেই তার। পরবর্তী সময়ে তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটলেও বন্ধুত্ব অটুট ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

দক্ষিণী অভিনেতা নাগার্জুনের সঙ্গেও টাবুর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বহু বছর ধরে গুঞ্জন রয়েছে। দুজনের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা হলেও কেউই প্রকাশ্যে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। টাবু নাগার্জুনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে বিশেষ ও ঘনিষ্ঠ বলে উল্লেখ করেছেন। নাগার্জুনও তাকে কাছের বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিয়ে না করার কারণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালে ‘ফিল্মফেয়ার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন এখনো একা রয়েছেন? জবাবে টাবু বলেছিলেন, বিষয়টি শুধু একজন মানুষের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে অন্য ব্যক্তি, সময় এবং আরও অনেক বিষয় জড়িত। অবিবাহিত থাকার কারণে তার জীবনে কোনো অপূর্ণতা নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

২০১৮ সালে জাগরণ চলচ্চিত্র উৎসবে বিয়ে না করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে টাবু জানান, এ নিয়ে তার কোনো আফসোস নেই। বিয়ে করলে জীবন কেমন হতো, তা তিনি জানেন না। কারণ সেই অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি। তাই একাকী জীবন ভালো, নাকি দাম্পত্য জীবন—এমন তুলনায়ও যেতে চান না তিনি।

২০২৩ সালে ‘এইচটি ব্রাঞ্চ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনদর্শন আরও স্পষ্ট করেন অভিনেত্রী। তার মতে, মানুষের সুখ কেবল সম্পর্কের অবস্থার ওপর নির্ভর করে না। একা থাকলে নিজের নিঃসঙ্গতা সামলানো সম্ভব, কিন্তু ভুল মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে সেই অভিজ্ঞতা আরও কষ্টকর হতে পারে।

টাবুর বিশ্বাস, একটি আদর্শ সম্পর্কে দুজন মানুষ একে অপরের জীবনে থেকে আরও বিকশিত হবেন। সম্পর্কের কাজ মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া, আটকে রাখা নয়। নিজের কাজ, স্বাধীনতা এবং পৃথিবীকে জানার আগ্রহকেও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন তিনি।

১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর ভারতের হায়দরাবাদে জন্ম টাবুর। তার পুরো নাম তাবাসসুম ফাতিমা হাশমি। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মা ও নানা-নানির কাছে বড় হয়েছেন তিনি। শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করে নব্বইয়ের দশকে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।

‘মাচিস’, ‘বিরাসত’, ‘অস্তিত্ব’, ‘চাঁদনি বার’, ‘মকবুল’, ‘হায়দার’, ‘আন্ধাধুন’ ও ‘দৃশ্যম’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ‘মাচিস’ ও ‘চাঁদনি বার’ সিনেমার জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অভিনয়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১১ সালে ভারত সরকারের কাছ থেকে পেয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে দোকান থেকে বের করে তালা! শশী বাজারে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে রহমান হাজারীর দাপট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে দোকান থেকে বের করে তালা! শশী বাজারে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে রহমান হাজারীর দাপট

৩৫ বছরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগ, আতঙ্কে বাজারের ব্যবসায়ীরা; সাংবাদিকের প্রশ্নে রহমান হাজারীর জবাব—‘বের করেছি, আপনারা পারলে কিছু করেন’**


বরিশাল নগরীর লাকুটিয়া সড়কসংলগ্ন শশী বাজারে বিএনপির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার, ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রহমান হাজারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি পুরো বাজার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁর প্রভাব ও আচরণে বাজারের ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সেলিম চৌধুরীর সঙ্গে। প্রায় ৩৫ বছর ধরে শশী বাজারে রাস্তার পাশে সরকারি খাসজমিতে দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু গত দুই-তিন দিন আগে দোকানে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার সময় রহমান হাজারী তাঁকে দোকান থেকে বের করে দেন এবং দোকানটি তালাবদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সেলিম চৌধুরী।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও আজ নিজের দীর্ঘদিনের জীবিকার জায়গায় প্রবেশ করতে পারছেন না—এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেলিম চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে শশী বাজারে দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাঁর বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সেলিম চৌধুরীর দাবি, তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। বাবার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে কারও কাছে কোনো সুবিধাও চাননি।

তাঁর অভিযোগ, দোকানে ব্যবসা চলমান থাকা অবস্থায় রহমান হাজারী বিএনপির ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তাঁকে বের করে দেন। এরপর দোকানটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর ৩৫ বছরের জীবিকার জায়গা কেড়ে নেওয়ার অধিকার রহমান হাজারীকে কে দিয়েছে?

তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করেন।

এ সময় স্থানীয়দের বক্তব্যে রহমান হাজারীর বিরুদ্ধে বাজারে প্রভাব বিস্তার, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠে আসে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে কখন কার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হবে, তা নিয়ে তাঁরা উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতেও অনেকে অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি বাজার কি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে চলবে? রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করার অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে?

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তালাশ বিডির বরিশাল অফিস থেকে রহমান হাজারীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়।

এ সময় তিনি বলেন, “১৬ বছর আমার কোনো হাটবাজারের দিকে চোখ তুলে তাকাইনি। এখন দল ক্ষমতায় এসেছে, হাটবাজার তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।”

তখন তালাশ বিডির পক্ষ থেকে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসেছে বলে কি সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে তাঁর ৩৫ বছরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া যায়?

জবাবে রহমান হাজারী বলেন, “বের করেছি, আপনারা পারলে কিছু করেন।”

একজন সাংবাদিকের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে তাঁর এমন বক্তব্য বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ওঠা অভিযোগকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকা মানেই কি কোনো ব্যক্তি নিজের ইচ্ছামতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করবেন? সাধারণ ব্যবসায়ীদের জীবিকা ও অধিকার নিয়ে এমন আচরণের আইনগত ভিত্তি কী?

দোকান থেকে বের করে তালাবদ্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সেলিম চৌধুরী বলেন,

“আমি কখনো কোনো রাজনৈতিক দল করিনি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, সেই পরিচয়ও কখনো কাউকে দিইনি। তাহলে আমার সঙ্গে এমন করা হলো কেন? আমার দোকানে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা চলছিল। রহমান হাজারী আমাকে দোকান থেকে বের করে দিয়ে তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন। এখন আমি কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করব?”

তিনি আরও বলেন, “আমি এই ঘটনার বিচার আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে দিলাম। আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ন্যায়বিচার চাই। আমার দীর্ঘদিনের জীবিকার জায়গাটি ফিরে পেতে চাই।”


ঘটনাটি সম্পর্কে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে তালাশ বিডির কথা হয়।

তিনি জানান, ভুক্তভোগীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওসি বলেন, “আপনারা লিখিত অভিযোগ দিন। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব অবশ্যই।”

 

শশী বাজারের এই ঘটনা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। ৩৫ বছর ধরে একটি দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করা একজন ব্যবসায়ীকে কোন আইনগত প্রক্রিয়ায় দোকান থেকে বের করে দেওয়া হলো? দোকান তালাবদ্ধ করার অধিকার রহমান হাজারীকে কে দিয়েছে? সরকারি খাসজমি হলে সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কি কোনো ব্যক্তির, নাকি সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসনের?

এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। সরকারি খাসজমিতে দোকান পরিচালনার বৈধতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করবে। কিন্তু কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে কাউকে জোর করে উচ্ছেদ কিংবা ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ থাকলে সেটিও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

শশী বাজারের ব্যবসায়ীরা যেন নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং সেলিম চৌধুরী যেন তাঁর অভিযোগের ন্যায়সংগত প্রতিকার পান, সে জন্য বরিশাল জেলা প্রশাসন, ভূমি প্রশাসন ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

রাজনৈতিক পরিচয় কখনো আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যদি সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই প্রত্যাশিত।

এখন দেখার বিষয়, শশী বাজারের ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ও সেলিম চৌধুরীর ৩৫ বছরের জীবিকার প্রশ্নে প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

তালাশ বিডি—সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%