ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শ্রমিক আন্দোলনের অস্থিরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


শ্রমিক আন্দোলনের অস্থিরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রমিক আন্দোলনের নামে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা কঠোরভাবে দমন করা হবে, এমনটি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে বিভিন্ন ইন্ধন দিয়ে শ্রমিকদের ব্যবহার করে, আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে নিখোঁজ সামিউলের লাশ খুঁজতে মেঝে খুঁড়ে মিলল না কিছুই

বন্ধ কারখানার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি। তিনি বলেন, শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়া হবে এবং যাদের কারখানা বন্ধ থাকবে, তাদের তালিকা প্রদান করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে বলেও তিনি জানান। আজ বিকেল ৩টায় শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম সাহারায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শেষ হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


পশ্চিম সাহারায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শেষ হচ্ছে

পশ্চিম সাহারা অঞ্চলে ৩৫ বছর ধরে চলমান জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম শেষ হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদ মিশনটির মেয়াদ নবায়নে ব্যর্থ হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

মরক্কো, যা পশ্চিম সাহারাকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে, এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্যদিকে, মরক্কোর বিরোধী পক্ষ আলজেরিয়ার সমর্থনপুষ্ট পলিসারিও ফ্রন্ট এ ঘটনার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

১৯৭৬ সালে সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি স্পেন পশ্চিম সাহারা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই পলিসারিও ফ্রন্ট অঞ্চলটিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে সেখানে মোতায়েন ছিল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ‘মিনুরসো’ ।

গুতেরেস রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ১ নভেম্বর থেকে মিশনটির কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই পর্যায়ে মিশনের সরঞ্জাম ও সম্পদ সংশ্লিষ্ট সেনা ও সদস্য পাঠানো দেশগুলোতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

এক বছর আগে নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। ওই প্রস্তাবে মরক্কোর দেওয়া স্বায়ত্তশাসন পরিকল্পনাকে সংঘাত নিরসনের ‘সবচেয়ে বাস্তবসম্মত’ সমাধান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মরক্কোর সার্বভৌমত্বের অধীনেই পশ্চিম সাহারাকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার কথা বলা হয়।

গত বছরের ভোটাভুটিতে বিরত থাকা রাশিয়া এবার যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত আরেকটি প্রস্তাবে ভেটো দেয়। ওই প্রস্তাবে মরক্কোর পরিকল্পনার প্রতি জাতিসংঘের সমর্থন আরও সুসংহত করার পাশাপাশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর পরিসর কমানোর কথা ছিল।

এরপর নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার পাল্টা প্রস্তাবটিও প্রত্যাখ্যাত হয়। ফলে নতুন করে ম্যান্ডেট অনুমোদন ছাড়াই মিনুরসো মিশনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

মিনুরসো যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পশ্চিম সাহারায় গণভোট আয়োজনের দায়িত্বও পালন করছিল। তবে ভোটার কারা হবেন, তা নিয়ে বিরোধের কারণে দীর্ঘদিনেও সেই গণভোট আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

মরক্কোর রাজপ্রাসাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিনুরসোর ম্যান্ডেট নবায়ন না হওয়া পশ্চিম সাহারা ইস্যুকে নিরাপত্তা পরিষদের বিবেচনার বাইরে নিয়ে যাওয়ার পথে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’।

অন্যদিকে, শনিবার আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিশনের মেয়াদ নবায়ন না হওয়ায় ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছে। তারা এ পরিস্থিতির জন্য মরক্কোর অবস্থানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত পক্ষপাতকে’ দায়ী করেছে।

পলিসারিও ফ্রন্ট এক বিবৃতিতে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রথম দিনে ৬৮ লাখ রুপি জরিমানা, ১ হাজার ৫৩৯ গাড়ি ফেরত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রথম দিনে ৬৮ লাখ রুপি জরিমানা, ১ হাজার ৫৩৯ গাড়ি ফেরত

শীতকালে দিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কর্তৃপক্ষ চার মাসের জন্য বিভিন্ন কড়াকড়ি আরোপ করেছে। নতুন নিয়মের প্রথম দিন রবিবার, কর্তৃপক্ষ মোট ৬৮ লাখ ৪০ হাজার রুপি জরিমানা এবং পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছে। রাজধানীতে ঢুকতে চাওয়া অন্তত ১৫ হাজার গাড়ির পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৫৩৯টি গাড়িকে সীমানা পারাপারের পয়েন্ট থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল সার্টিফিকেট (পিইউসি) না থাকার কারণে ৫৬৬টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পিইউসি না থাকার জন্য ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। দিল্লির সীমানায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য ২ লাখ রুপি জরিমানা ধার্য করা হয়েছে এবং নির্মাণ ও ধ্বংস সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের জন্য ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত যে সব যানবাহন ভারত স্টেজ-৬ (বিএস-৬) নির্গমন মানদণ্ড পূরণ করে না, সেগুলো দিল্লিতে প্রবেশ করতে পারবে না। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অংশ হিসেবে, দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ এবং পরিবহন বিভাগ ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করেছে, যার মধ্যে প্রায় ১০.৩১ শতাংশ গাড়িকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় ১২৭টি চালান ইস্যু করা হয়েছে এবং ৬২টি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের এনফোর্সমেন্ট টিম ২ লাখ রুপি জরিমানা করেছে।

ফিরিয়ে দেওয়া যানবাহনের মধ্যে ১৪০টি হালকা মোটর যান, ৫৪টি হালকা বাণিজ্যিক যান, ৯৫টি ভারী পণ্যবাহী যান এবং ৩৪টি বাস অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরীক্ষা করা ১ হাজার ৪২৩টি দুই চাকার যান, তিন চাকার যান এবং অন্যান্য যানবাহনের মধ্যে ৭৮৯টি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি জব্দ করা হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট গন্তব্যহীন আরও ৭ হাজার ২৭৯টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩১৪টি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো চালান ইস্যু করা হয়নি। সিএনজিচালিত যানবাহন, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং জরুরি পরিষেবার সাথে জড়িত গাড়িগুলোকে এই বিধিনিষেধ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মোট ৭৪০টি যানবাহন যাচাই করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বৈধ পিইউসি ছাড়া চলাচলকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে একটি আলাদা অভিযানে কর্তৃপক্ষ ৫৬৬টি চালান ইস্যু করেছে এবং ৫৬ লাখ ৬০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ ৪৯৩টি চালান ইস্যু করে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার রুপি এবং পরিবহন বিভাগ ৭৩টি চালান ইস্যু করে ৭ লাখ ৩০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে। নির্মাণ এবং ধ্বংসের স্থানগুলোতে ধূলিদূষণ বিরোধী অভিযানের ফলস্বরূপ ৯ লাখ ৮০ হাজার লাখ রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০০টি নির্মাণ সাইট পরিদর্শন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩২টি সাইটে ধূলি নিয়ন্ত্রণ নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫০০ বর্গমিটারের বেশি প্লট আয়তনের ৯১টি বড় সাইট ছিল, যার মধ্যে ১৬টিতে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বড় সাইটগুলোর মধ্যে দুটি বন্ধের নির্দেশ এবং চারটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে, পাশাপাশি ৪ লাখ রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।

৫০০ বর্গমিটারের কম প্লট আয়তনের ২০৯টি ছোট সাইটের মধ্যে ১৭টিতে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে। কর্তৃপক্ষ ১৫টি বন্ধের নির্দেশ এবং ১৫টি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে, সঙ্গে ৫ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছে।

সব মিলিয়ে, পরীক্ষাকৃত ৩০০টি সাইটের মধ্যে ১৭টি বন্ধের নির্দেশ এবং ১৯টি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৮০ হাজার রুপি পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে। অব্যাহতি প্রাপ্ত অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে ধূলি নিয়ন্ত্রণ নীতি লঙ্ঘনের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

দিল্লির পরিবেশ মন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছেন যে, এনফোর্সমেন্ট টিমগুলো যানবাহনের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল সার্টিফিকেট নীতি এবং নির্মাণক্ষেত্রের ধূলি সংক্রান্ত নিয়মগুলো মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আজ (রোববার) ১৪ হাজার ৯৩০টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়েছে, ৫৬৬টি পিইউসি চালান দেওয়া হয়েছে এবং ৩০০টি সাইট পরিদর্শন করা হয়েছে। আপনার পিইউসি বৈধ রাখুন, প্রবেশের নিয়ম এবং ধূলি সংক্রান্ত বিধি মেনে চলুন। পরিচ্ছন্ন বাতাসের এই লড়াইয়ে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’

বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য উইন্টার অ্যাকশন প্ল্যানের অধীনে এই বিধিনিষেধগুলো ১ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে কার্যকর থাকবে।

দিল্লির বাইরে নিবন্ধিত প্রাক-বিএস-৬ যানবাহনগুলো আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় রাজধানীতে প্রবেশ করতে পারবে না। নির্দিষ্ট কিছু প্রয়োজনীয় সরকারি অবকাঠামো প্রকল্প ছাড়া ধূলি উৎপাদনকারী সমস্ত ধ্বংসকাজ এবং বাইরের দেওয়ানি নির্মাণ কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ১০ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু অব্যাহতি ছাড়া নির্মাণ ও ধ্বংসকাজের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুরো দিল্লিজুড়ে অনুমোদিত পার্কিং লটগুলোতে পার্কিং ফি দ্বিগুণ করা হয়েছে।

১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলোতে সশরীরে উপস্থিতি ৫০ শতাংশে সীমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাকি কর্মচারীরা বাসা থেকে কাজ করবেন। তবে জরুরি ও অতীব প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলোকে এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে।

সূত্র : এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হতে হবে: জামায়াত আমিরের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হতে হবে: জামায়াত আমিরের আহ্বান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্পকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি পোস্টে এ কথা বলেন। জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, কোনো মালিক কিংবা শ্রমিকই শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না।

তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার জন্য গভীর কোনো ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। জামায়াত আমির মালিক-শ্রমিকসহ সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন ভোটার হওয়া ও এনআইডি সংশোধনের নিয়ম জেনে নিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


নতুন ভোটার হওয়া ও এনআইডি সংশোধনের নিয়ম জেনে নিন

জাতীয় পরিচয়পত্র, যা এনআইডি নামে পরিচিত, এটি নাগরিকদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র। এটি ভোটার নিবন্ধন, ব্যাংক হিসাব খোলা, মোবাইল সিম নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণের জন্য প্রয়োজন হয়। নতুন ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া, নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন, ভোটার এলাকা পরিবর্তন, অথবা হারানো কার্ড পুনরুদ্ধারের নিয়ম নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সেবা পোর্টাল ব্যবহার করে এসব সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব। তবে আবেদন প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি এবং যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

তথ্যভান্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকেরা নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন ভোটার হতে হলে প্রথমে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সেবা পোর্টালে প্রবেশ করে নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। এরপর আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করে প্রয়োজন হলে ফরম প্রিন্ট করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে উপস্থিত হতে হবে। নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় ছবি, আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস এবং স্বাক্ষর নেওয়া হতে পারে।

নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য সাধারণত যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—

- জন্ম নিবন্ধন সনদ;

- এসএসসি বা সমমানের সনদ;

- সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ;

- বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;

- ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে বিদ্যুৎ বিল বা হোল্ডিং ট্যাক্সের কাগজ।

বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে স্বামীর এনআইডি ও বিবাহ সনদও প্রয়োজন হতে পারে। তবে আবেদনকারীর ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

এনআইডিতে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের প্রক্রিয়া

জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে। তবে ভুলের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র এবং যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

বিশেষ করে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধন এবং অন্যান্য গ্রহণযোগ্য নথির তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি।

আবেদনের আগে এনআইডিতে থাকা ভুল তথ্য শনাক্ত করে সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে হবে। জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন ও শিক্ষাগত সনদের তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। একইভাবে নিজের নাম বা বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক সনদ প্রস্তুত রাখতে হবে।

তথ্যভান্ডারে সতর্ক করা হয়েছে যে, নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম ও জন্মতারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরবর্তী সংশোধনের সুযোগ সীমিত হতে পারে। তাই প্রথমবার আবেদন করার সময় সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আবেদন করার আগে এনআইডি সেবা পোর্টালে প্রদর্শিত ফি দেখে নেওয়া উচিত। এছাড়া কাগজপত্রের কপি তৈরি, সত্যায়ন এবং যাতায়াতের জন্য আনুষঙ্গিক খরচ হতে পারে।

জন্মতারিখ সংশোধনে সতর্কতার বিষয়

এনআইডিতে জন্মতারিখ ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য যথাযথ প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়। কারণ জন্মতারিখের সঙ্গে শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথির সম্পর্ক রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর উচিত জন্ম নিবন্ধন ও শিক্ষাগত সনদের তথ্য মিলিয়ে দেখা, ভুল তথ্য এবং প্রস্তাবিত সঠিক তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা এবং সংশোধনের পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা। আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

হারানো এনআইডি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে অনলাইনে পুনঃইস্যুর আবেদন করা যায়। তথ্যভান্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে হারানো এনআইডি পুনরায় সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাধারণ ডায়েরি বা জিডির বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে। তবে এই তথ্যের বর্তমান কার্যকারিতা সরকারি সূত্রে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

হারানো কার্ড পুনরায় সংগ্রহের জন্য প্রথমে পুরোনো এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করতে হবে। এরপর এনআইডি সেবা পোর্টালে প্রবেশ করে পুনঃইস্যুর আবেদন করতে হবে। পোর্টালে প্রদর্শিত ফি পরিশোধ করে আবেদন নম্বর ও রসিদ সংরক্ষণ করতে হবে। পরে পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

জরুরি প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট থেকে ডিজিটাল কপি ডাউনলোডের সুযোগ থাকলে সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল কপি গ্রহণ করে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

এনআইডির ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তনের প্রক্রিয়া

জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নতুন ছবি ও স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত হতে হতে পারে।

অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করা গেলেও ছবি ও স্বাক্ষর গ্রহণের মতো কাজের জন্য ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন হলে নির্বাচন অফিসে গিয়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে যা করবেন

স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। এ জন্য নতুন ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং প্রয়োজনীয় আবেদনপত্র জমা দিতে হয়।

তথ্যভান্ডারে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য ফরম-১৩ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনপত্রে আগের ঠিকানা, নতুন ঠিকানা ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। তবে আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কী কী নথি প্রয়োজন হবে, তা নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্দেশনা থেকে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

অনলাইনে এনআইডির ডিজিটাল কপি সংগ্রহ

জাতীয় পরিচয়পত্রের ডিজিটাল কপি সংগ্রহ করতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সেবা পোর্টালে অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে হবে। এরপর নিবন্ধন, মুখমণ্ডল যাচাইসহ প্রয়োজনীয় ধাপ সম্পন্ন করলে ডিজিটাল কপি ডাউনলোডের সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে নিজের এনআইডি নম্বর, পাসওয়ার্ড ও যাচাইকরণ কোডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এসব ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কারও কাছে অপ্রয়োজনে প্রকাশ করা উচিত নয়।

আবেদন নিষ্পত্তিতে কত দিন লাগে?

এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির সময় সংশোধনের ধরন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং তথ্য যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করে।

তথ্যভান্ডারে সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে আনুমানিক ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবস এবং জটিল আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৬০ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই সময়সীমা বর্তমান সরকারি নিশ্চয়তা নয়। আবেদন নম্বর দিয়ে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করা উচিত।

কোথায় পাবেন এনআইডি সেবা?

জাতীয় পরিচয়পত্রের নতুন নিবন্ধন, সংশোধন, পুনঃইস্যু ও অন্যান্য সেবা নিতে নির্বাচন কমিশনের সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করা যাবে।

- এনআইডি সেবা পোর্টাল: https://services.nidw.gov.bd/

- হেল্পলাইন: ১০৫

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%