ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য: প্রধানমন্ত্রী


ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য: প্রধানমন্ত্রী

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

সংসদ ভবন, ১৫ জুলাই, ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে আর যেন কোনোভাবে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং এই প্রিয় মাতৃভূমি যেন কোনও ভাবেই তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে— এই প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য বিদ্যমান রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো মূল্যে এই জাতীয় ঐক্য অটুট থাকবে এবং বজায় থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সচিবালয় স্থানান্তরে নতুন জটিলতার শঙ্কা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদের রীতি অনুযায়ী সারা বিশ্বে যেটি প্র্যাকটিস, সেই অনুযায়ী আমাদের মধ্যে অবশ্যই মতের ভিন্নতা থাকবে। তবে অবশ্যই শত্রুতা নয়। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের পরিবর্তে থাকবে ন্যায়পরায়ণতা।’

তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে স্বৈরাচারের সময়ে প্রতিবছর এ দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার করে দেওয়া হয়েছে। সব সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে এই দুর্নীতি। যেকোনোভাবে হোক সেই দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের যেসব চাওয়া রয়েছে, এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে একটি নিরাপদ পরিবেশ।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান, দেশে আলাদা অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে

জনগণের এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এর অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরেন; যেমন- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, কৃষকদের ঋণ মওকুফ, বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান, জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করা এবং কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি।

তিনি বলেন, এসব সুবিধা নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের করুণা নয়, বরং এগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের দায়।

বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঋন নির্ভর নয়, আমরা বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্পদ তৈরিতে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি হবে আমাদের মূল চালিকা শক্তি। বর্তমান সরকার এমনভাবে পরিকল্পনা করেছে, যার মাধ্যমে ২০৩৪ সালে আমরা ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির কাছাকাছি চলে যেতে পারি।’

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরে গুরুত্ব পাবে জলবায়ু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়

তিনি বলেন, ‘সমগ্র বিশ্ব একটি যুদ্ধ পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অপরিসীম। বিশেষ পরিস্থিতিতেও আমরা অর্থনৈতিকভাবে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশের জনগণ পরিশ্রমী। আমাদের তরুণরা উদ্যমী, কৃষকরা পরিশ্রমী এবং উৎপাদনশীল। আমাদের উদ্যোক্তারা সম্ভাবনাময়। আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের বাধা দূর করতে পারি, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, ন্যায়ভিত্তিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারি, তাহলেই আমরা শহীদদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ ও অক্ষর আমাদের সরকার বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে স্বৈরাচার ও তাঁবেদার রুখতে হলে অবশ্যই রাষ্ট্র ও জনগণকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে।’ এ ব্যাপারে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

বাজেট অধিবেশনের সাথে সম্পৃক্ত সংসদ সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য ডেপুটি স্পিকারের প্রতি অনুরোধ জানান সংসদ নেতা।

গত ৭ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। আজ এই অধিবেশন শেষ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। উদবাতুল বারী আবুকে সভাপতি এবং মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ সদস্যের উপদেষ্টা মণ্ডলীও ঘোষণা হয়েছে।

আজ বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। কমিটিতে উপদেষ্টা মণ্ডলীতে রয়েছেন: বেগম রাবেয়া চৌধুরী, ফজলুল হক ফজলু, ফরিদ উদ্দিন আহাম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, এডভোকেট আব্দুল কাদের জিলানী, এস এ বারী সেলিম, ফরহাদ আক্তার মো. শাহরিয়ার, ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. নীলুফা পারভীন।

পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন নজরুল ইসলাম ভিপি। অন্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন শওকত আলী বকুল, আতাউর রহমান ছুটি, শহিদুল্লাহ রতন, মামুনুর রশিদ মজুমদার, এডভোকেট হোসেন মিয়া, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ভিপি, রেজাউল হক আঁখি, ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মেহেদী, আব্দুর রহমান, আবদুল জলিল, মুজিবুর রহমান কামাল, রায়হান রহমান হেলেন, মো. রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার এবং শ্যামল কৃষ্ণ সাহা।

কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন খলিলুর রহমান বিপ্লব। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন: জলিশ আব্দুর রব, জামাল হোসেন, নাজমুল হক, অধ্যাপক নেছার আহাম্মেদ রাজু, রিয়াজ খান রাজু, মোর্শেদ আলম, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, ফেরদৌস পাটোয়ারী, মো. কামাল হোসেন এবং বদরুল হাসান রাব্বু।

কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহাম্মেদ শোয়েব সোহেল। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন: রাজিউর রহমান রাজিব, সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, খলিলুর রহমান খলিল, মনির হোসেন পারভেজ, ফুয়াদ আহাম্মেদ এবং মোসাম্মৎ ফরিদা আক্তার ডলি।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুন ভিপিকে মনোনীত করা হয়েছে। অন্যান্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছেন: দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব চৌধুরী, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সারজেক আলম সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট দাউদ আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপিকা নাজমা আক্তার চৌধুরী, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনির, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ পাখি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শোহেব বিন আহাম্মেদ সোহেল এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন।

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নাছির উদ্দিন সুমন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবু তাহের মুহিত ও ডা. আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডা. প্রিয়ম চক্রবর্তী, শিশু বিষয়ক সম্পাদক কাজী মেহেদী হাসান সুমন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মেজর বদরুল আমিন সরকার, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তাছমিনা আক্তার লিন্ডা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সামসুল আলম টিপু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান রানা, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ এবং তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক মোবারক হোসেন।

এছাড়া কমিটিতে সহ-কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে জহিরুল ইসলাম (রহমান)-কে। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন নেছার আহাম্মেদ দিপু, সাজ্জাদ মাহমুদ দিপু এবং মো. রবিউল হক শামীম। সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন দেওয়ান সালাউদ্দিন আহাম্মেদ ও মনির হোসেন। আর সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন ফরিদ আলী।

সহ-সম্পাদক (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর হোসেন মোল্লা। সহ-সম্পাদক (ধর্ম বিষয়ক) হয়েছেন তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, নাসির উদ্দিন নাসির এবং ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন।

সহ-সম্পাদক (আইন বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এডভোকেট মাহাবুব খন্দকার, এডভোকেট সাখাওয়াত মিঠু এবং এডভোকেট মাহামুদা খানম শিল্পী। পাশাপাশি সহ-সম্পাদক (মহিলা বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আছমা আক্তার ও রেহানা রহমান। সহ-সম্পাদক (যুব বিষয়ক) হলেন ডা. খাজা মোর্শেদ মাহমুদ তুষার। সহ-সম্পাদক (স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক) হয়েছেন মো. হামিদ উদ্দিন মজুমদার সুমন। সহ-সম্পাদক (ছাত্র বিষয়ক) হিসেবে রয়েছেন গোলাম মুর্তুজা তপু। সহ-সম্পাদক (শ্রম বিষয়ক) হয়েছেন কামাল হোসেন (হাসেম)। সহ-সম্পাদক (পরিবেশ বিষয়ক) হিসেবে জামাল আহাম্মেদ কাজ করবেন। সহ-সম্পাদক (প্রশিক্ষণ বিষয়ক) হলেন ডা. দেবাশীষ চক্রবর্তী। সহ-সম্পাদক (তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা মজুমদার। সহ-সম্পাদক (তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক) হলেন জাকির হোসেন এবং সহ-সম্পাদক (স্থানীয় সরকার বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবুল খায়ের।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন- কাউসার জামান বাপ্পী, মোস্তাক মিয়া, আনোয়ার হোসেন, বদরুল আলম বাবুল, বেলায়েত হোসেন কনক, মনোয়ার হোসেন সেলিম, আব্দুল মতিন, জামাল হোসেন, এডভোকেট সেলিম হোসেন রনি, মো. জাকির হোসেন (৪নং ওয়ার্ড), আবুল হোসেন, তোফায়েল আহাম্মেদ, ফরিদ আহাম্মেদ মজুমদার, আক্তার হোসেন, আতিকুল ইসলাম, মো. হাসমত, এডভোকেট জসিম উদ্দিন শিশু, জাবেদ আহাম্মেদ মজুমদার কিসলু, আব্দুল কুদ্দুস, মো. মাসুদ হোসেন, এডভোকেট এ কে এম ইকবাল কবির, গোলাম মোস্তফা বাবুল, হুমায়ন কবির, সেলিনা বেগম, কিশোর দেবনাথ, নাজিম উদ্দিন ভূইয়া আজাদ, খোকন আহাম্মেদ, সাইফ আহাম্মেদ সাইফুল, আলেক হোসেন, মাসুক মিয়া, তাজুল ইসলাম তাজু, সাদেকুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন বাবু।

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন- জামাল হায়দার, এস এম সবুর বশির, জহির উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, জমিরুল হক জামাল, জাকির হোসেন, এনামুল কিবরিয়া রনি, শ্যামল কুমার সাহা, শাহাদাত হোসেন সাগর, মনির হোসেন, সালেহ উদ্দিন সেলিম, মো. মাহাবুবুল আলম, শাহাদাত হোসেন সানি, সফিকুল ইসলাম স্বপন, লিটন পাল, মো. আব্দুর রহিম খান, এডভোকেট মোজাদ্দেদ হোসেন আদনান, আমজাদ হোসেন মজুমদার, মাহাবুবুর রহমান, মহিবুর রহমান তুহিন, আশিকুর রহমান শিমুল, মঞ্জুরুল আলম, লেঃ কমান্ডার (অব.) শাহজাহান মজুমদার, অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন, সোহেল মজুমদার, গোলাম মো. হুমায়ন কবির, মো. হানিফ, মো. সাইফুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন মজুমদার জিহাদ এবং মো. শাহাজান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্যে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্যে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য এক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

এই ঘোষণা তিনি বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক একটি প্রস্তুতিমূলক সভায় করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।

তিনি জানান, সরকার, বেসরকারি সংস্থা, প্রাইভেট সেক্টর এবং দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে দেশের নাগরিকদের জন্য শহর থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহেই একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০’ ইনিশিয়াটা।

চক্ষু সেবার ক্ষেত্রে তিনটি অতি জরুরি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন।

এই জনগণের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো আমাদের অগ্রাধিকার। দ্বিতীয়ত, গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে লাখ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মধ্যবয়সী কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পাচ্ছে।

আমরা সব বয়সী মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজে চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ড. ওয়াতিন আলম, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা আর্ক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রোমানা হক, রিসার্চ এসোসিয়েট বদরুদ্দীন সাইফি এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেহবুব উল কাদিরসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ এবং আইএনজিও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত হয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত হয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগে ধানখেতের পোঁকা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক সেবন করে নিপেন্দ্র সরকার (৬৩) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাসিরনগর থানা পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত নিপেন্দ্র সরকার উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের চান্দেরপাড়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত চান মোহন সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ৯টার দিকে মানসিক হতাশা ও দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবার অগোচরে ধানখেতের পোকা নিধনের কীটনাশক পান করেন নিপেন্দ্র সরকার। পরে স্বজনরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকায় রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বড় ছেলে হৃদয় সরকার জানান, তার বাবা প্রায় সাত বছর ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন এবং নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিভিন্ন চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করানো হলেও তিনি সুস্থ হননি। দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি চরম হতাশায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কীটনাশক পান করার ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


দুর্গত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সরকার দুর্গত মানুষের পাশে আছে। বন্যায় অনেকের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে গেছে। সেগুলো পুনঃনির্মাণের কাজ করতে আমরা চাই।

বুধবার বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ভরাখালী এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেসকল কৃষকের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদেরকে বীজ ও চারা দিয়ে আমরা সহযোগিতা করব। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো মেরামতের চেষ্টা করব।

এ সময় মন্ত্রী বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ভরাখালী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

অন্যান্য উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%