প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে চুরির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে ভাঙারি ব্যবসার একটি অংশের ভূমিকা থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত ভাঙারি দোকানগুলোতে চুরি করা মালামাল বিক্রি হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত এবং সঠিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিক তার, লোহার সামগ্রী, ব্যাটারি, আইপিএস, কৃষি সরঞ্জাম, মোটর, নির্মাণসামগ্রী, এসি, মসজিদের মাইক ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি হচ্ছে। তারা মনে করছেন, এসব মালামাল দ্রুত ভাঙারি দোকানে বিক্রি হয়ে গেলে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র চিহ্নিত ও উদ্ধার করাটাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
সচেতন বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেছেন, কিছু ভাঙারি দোকানে মালামাল কেনার সময় বিক্রেতার পরিচয় ও মালামালের উৎস যথাযথভাবে যাচাই করা হয় না। তাই তারা দাবি জানিয়েছেন যে, চোরাই মালামাল কেনাবেচার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। তবে ভাঙারি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল কেনেন না। যদি কেউ অবৈধভাবে চোরাই মালামাল কেনাবেচা করেন, তাহলে তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নির্দোষ ব্যবসায়ীদের যেন হয়রানি করা না হয়, সেই বিষয়েও তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ভাঙারি দোকানগুলোতে মালামাল বিক্রির সময় বিক্রেতার পরিচয়, মোবাইল নম্বর ও মালামালের উৎসের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি, চুরি যাওয়া মালামালের তথ্য ভাঙারি ব্যবসায়ীদের জানানো এবং সন্দেহজনক মালামাল পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর প্রয়োজন রয়েছে।
এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, “চুরির মাল কেনা ও বেচা-দুই পক্ষই অপরাধী। সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রস্তুত। এর বাইরেও দোকানগুলোর ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর রয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য স্থানগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হলে বিজয়নগরে চুরি কমানো সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন