প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার ঐতিহাসিক লোহাগাড দুর্গে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরীর বিরুদ্ধে। ওই কিশোরী ও তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এ ঘটনার জন্য।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেতন আগারওয়াল ও সিয়া গোস্বালের বিয়ের জন্য আগামী নভেম্বরে প্রস্তুতি চলছিল। বিয়ের আয়োজনও হয়ে গিয়েছিল যথেষ্ট জোরেশোরে। রাজস্থানের জয়পুরে প্রায় ১৭ কোটি রুপি ব্যয়ে একটি প্রাসাদ ভাড়া করা হয়েছিল এবং অতিথিদের যাতায়াতের জন্য দুটি প্রাইভেট বিমানেরও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।
তবে তদন্ত চলাকালীন জানা যায়, সিয়া এ বিয়েতে একেবারেই সম্মত ছিলেন না। কিন্তু তিনি বিষয়টি তার পরিবারের কাছে জানাননি। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ে এড়াতে তিনি পরিকল্পিতভাবে কেতনকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।
গত ১৮ জুন, তার নিজের জন্মদিনে সিয়া কেতনকে নিয়ে পুনের লোহাগাড দুর্গে যান। সেখানে সিয়ার প্রেমিকের সহযোগিতায় কেতনকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে দীর্ঘ প্রায় তিন ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর খাদ থেকে কেতনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর সিয়া দাবি করেন, ছবি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত কেতন খাদে পড়ে যান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে একাধিক আবেগঘন পোস্ট দেন। তবে তদন্তের সময় তার বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি খুঁজে পায় পুলিশ।
পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। পুলিশ সিয়া গোস্বাল ও তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিহত কেতন আগারওয়ালের বাবা রাজস্থানের একজন পরিচিত আবাসন ব্যবসায়ী। পরিবারের একমাত্র ছেলে কেতনের বিয়েকে ঘিরে কয়েক কোটি রুপি ব্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ঘটনার আরও গভীর তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন