প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে স্বাভাবিক সময়ের জন্য ১৪ লাখ মেট্রিক টন এবং দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য ১৫ লাখ টন খাদ্যশস্য নিরাপত্তা মজুত করার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পুষ্টি নিশ্চিতকরণের জন্য বিদ্যমান ২৫৬টি উপজেলাসহ ৩০০টি উপজেলায় পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।
এফপিএমসির সভা বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
সভায় জানানো হয়, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশে ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতি-দরিদ্র পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা মূল্যে মাসিক ৩০ কেজি করে ৬ মাসে মোট ৯ লাখ ৯০ হাজার টন চাল বিতরণ করা হবে।
এছাড়া, অপুষ্টি নিরসন এবং জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার কর্মসূচির আওতায় মোট ৩০০টি উপজেলায় ছয়টি ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ পুষ্টিচাল (Fortified Rice) বিতরণ করা হবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, গত পাঁচ অর্থবছর ধরে সরকারি খাতে গড়ে ৩২ লাখ ৩২ হাজার টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫ লাখ ৮ হাজার টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্যশস্যের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায়, খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিসর বেড়ে যাওয়ায় সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুতের পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এই সভায়।
এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জরুরি পরিস্থিতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সাময়িক বিঘ্নের সময় দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে বর্তমান খাদ্যশস্য মজুদ সক্ষমতা ৩০ লাখ টন বৃদ্ধি করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এফপিএমসির সভায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন