প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে পুতুরগাল। এর ফলে গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউটে পৌঁছেছে নেস্তর লরেঞ্জোর দল। এই ম্যাচে আকণ্ঠ সম্ভবত ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে চিরচেনা রূপে দেখা যায়নি। বরং এই তারকা ফুটবলারকে বিশ্রাম দেওয়া উচিত বলে মত দেয় সমর্থক ও বিশেষজ্ঞরা।
তারা জানান, নকআউট পর্বে সম্পূর্ণ ফিট থাকতে লিওনেল মেসি ও আর্লিং হালান্ডের মতো সিআর সেভেনকেও বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ এমন পরামর্শ বা আলোচনা সম্পূর্ণরূপে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি এই ধরনের মতামতকে ‘ছেলেমানুষি’ হিসেবে অভিহিত করেন। মার্টিনেজ বলেন, রোনালদো পুরো সময় খেলার জন্য সম্পূর্ণ সক্ষম।
কলম্বিয়াতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স অত্যন্ত আশানুরূপ ছিল না। অপরদিকে, জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে মেসি বদলি খেলোয়াড় হিসেবেই মাঠে নেমেছিলেন, আর ফ্রান্সের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হালান্ড নরওয়ের হয়ে খেলেননি।
ম্যাচ শেষে মার্টিনেজ বলেন, অন্য দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমরা তুলনা করি না। এটি হবে ছেলেমানুষি। রোনালদোর খেলার ধরন অভিজ্ঞতা ও শৃঙ্খলা ভিত্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, রোনালদো সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকতে অভ্যস্ত। এটি মূলত মানসিক দৃঢ়তা এবং পজিশনের ক্ষেত্রে সর্বদা শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়। এছাড়া আক্রমণাত্মক কৌশলের সময় ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বকাপের সময় খেলার ধকল সামলানোর ক্ষেত্রে এই মহাতারকার মধ্যে কোনো সমস্যা বা ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যায়নি। তার ৯০ মিনিট খেলার কোনো সমস্যা নেই। সম্ভবত পরের ম্যাচে আমাদের পরিবর্তন আনতে হতে পারে, তবে এটি অন্যান্য যেকোনো ফুটবলারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
অপটা অ্যানালিস্ট'-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সী পর্তুগাল অধিনায়ক তার ২৫তম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন। এর মাধ্যমে তিনি টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে জার্মানির কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউসের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন। রোনালদোর থেকে বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন সুধু আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি (২৯টি ম্যাচ)।
রোনালদো টুর্নামেন্টের একটি ব্যতিক্রমী পরিসংখ্যানও দীর্ঘায়িত করেছেন। এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড গত দুটি ফিফা বিশ্বকাপে মোট ১১ বার অফসাইডের কবলে পড়েছেন। যা এই সময়ের মধ্যে অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে চারটি বেশি। এই তালিকার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ, যারা সাতবার করে অফসাইডের শিকার হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন