প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রের মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়ার পাশাপাশি মাদক মামলা বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ১৫টি বেসরকারি মাদক পুনর্বাসনকেন্দ্রকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। সিনথেটিক এবং সেমি সিনথেটিক মাদকের বিস্তারের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান মাদক আইনের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ মাদকচক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার করছে। আর আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে অস্ত্রের অভাব রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এটা অনেকটা ‘ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারের’ মতো।
এজন্য মাদক আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি আইনি কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। হয়তো এই সংসদেই এ বিষয়ে আলোচনা হবে।
মাদকের অনেক মামলা আদালতে ঝুলছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকায় ৮০ হাজার মাদক মামলা পেন্ডিং রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় প্রচুর মামলা ঝুলে রয়েছে।
এ বিপুলসংখ্যক মামলার বিচার প্রথাগতভাবে করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদক মামলার বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং প্রথাগত আদালতেও এর বিচার কাজ চলবে।
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ১৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এবং বেসরকারি মাদক নিরাময়কেন্দ্রগুলোকে উৎসাহিত করার অংশ হিসেবে ৭৩টি কেন্দ্রকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন