প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী হবেন বিজয়, টিভিকের প্রচারে ক্ষুব্ধ কংগ্রেস-ডিএমকে
২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধী নন, বরং প্রধানমন্ত্রী পদে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়কে সমর্থন দেওয়ার প্রচারণা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের জরিপ এবং তামিলনাড়ুর শাসক দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) নেতাদের এই প্রচার ভারতের জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে জোটের প্রধান শরিক দল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল ডিএমকে (ডিএমকে) ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
জোটসঙ্গী কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সমর্থন না করলে, তাদের দলের দুই মন্ত্রী অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করবেন। অভিনেতা থেকে নেতা হয়ে ওঠা বিজয়কে ‘আকাশকুসুম’ স্বপ্ন দেখার বিষয়টি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল ডিএমকেও কটাক্ষ করেছে।
জরিপ চালানো হয়, যেখানে নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধীর পর বিজয়ের নাম উঠে আসে।
যদিও বিজয়ের ক্ষেত্রে ভোটের সংখ্যা প্রথম দু’জনের তুলনায় অনেক কম। এরপর টিভিকে নেতাদের একটি অংশও মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। দলের নেতা আঢভ অর্জুন ও শরৎকুমার প্রকাশ্যে প্রস্তাব করেছেন, বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাবা হোক। এই বিষয়ে তামিলনাড়ুতে পোস্টারও দেখা গেছে।
এতে কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জোটসঙ্গী কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী রাজেশকুমার স্পষ্ট করেছেন, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সমর্থন না করলে বিজয়ের মন্ত্রিসভায় থাকা দলের দুই মন্ত্রী আর ওই পদে থাকবেন না।
তিনি বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে স্পষ্ট। ২০২৯ সালে আমাদের নেতা রাহুল গান্ধীই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন। যদি কোনো কারণে টিভিকে এতে সম্মত না হয়, তবে কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী পদ ছাড়বেন।
এখন প্রশ্ন হলো, টিভিকে কি কেবল পরিস্থিতি যাচাই করছে, নাকি তামিলনাড়ুর গণ্ডি পেরিয়ে বিজয়কে জাতীয় রাজনীতিতে তুলে ধরার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিজয়কে নিয়ে যে প্রচার চালানো হচ্ছে তা কি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে, নাকি এর লক্ষ্য পরবর্তী কোনও জাতীয় নির্বাচন। যদিও গোটা বিষয়টিতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন খোদ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে ডিএমকে নেত্রী আরএস ভারতী টিভিকের বাগাড়ম্বরকে উপহাস করে বলেছেন, তাদের কল্পনার কোনও সীমা নেই। দলের সদস্যরা এরপর হয়তো বলবে, তিনি (বিজয়) রাষ্ট্রসংঘের প্রধান হতে চলেছেন। তাদের কল্পনার কোনো সীমা নেই বলে যোগ করেন এই ডিএমকে নেত্রী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন