প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চিত চলমান সংঘাতের সমাধানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তি সইয়ের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গতকাল রোববার (১৪ জুন) সকালে একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের মাধ্যমে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে, কাতারি প্রতিনিধিদলটি ইরানের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সাথে আলোচনা করেই এই পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এদিকে, চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনার সময় সম্পর্কে ওয়াশিংটন এবং তেহরান যখন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য প্রদান করছে, ঠিক তখনই কাতার প্রতিনিধি দলের ইরান সফরের খবর সামনে এসেছে।
শনিবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সাথে একটি চুক্তি রোববার সই হওয়ার প্রতিক্ষা করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তির সাইনিং পর হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ট্রাম্প আরও বলেছেন, পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক উপাদান নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তা নিষ্ক্রিয় করে ধ্বংস করবে।
এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, উভয় পক্ষ শান্তি চুক্তির একটি কাঠামোতে সম্মত হয়েছে এবং রোববার ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। এরপর আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানাচ্ছেন, চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা বেশ থাকলেও তা রোববারই হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তিনি জানান, আগামী দুই একদিনের মধ্যে জেনেভা বা অন্য কোথাও তাদের সফরের পরিকল্পনা নেই। এছাড়া, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আজকে চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা বাতিল করেছে।
মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওস জানাচ্ছে, পাকিস্তান, কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া আলোচনার অংশ হিসেবে ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন