প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী এলাকায় হয়ে উঠেছে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক ২ বছরব্যাপী পরিচালিত গণগবেষণার ফল প্রকাশের সময়।
আজ ঘোষণা করা হয়েছে গবেষণার ফল যেটি সোমবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রান্তজন’-এর দ্বারা।
এই গবেষণায় উঠে এসেছে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগাপ্রকল্প (তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণের কারণে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা, পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একশন এইড বাংলাদেশের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান, প্রান্তজনের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদ, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ধানখালী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারাও।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধানখালী এলাকায় স্থাপিত কয়েকটি জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্পের প্রভাব জনজীবন, পরিবেশ এবং অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।
এই বাস্তবতা মূল্যায়নে দুই বছর আগে প্রান্তজনের উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমানের সহায়তায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিচালনা করা হয়েছিল গণগবেষণা।
গবেষণায় দেখা গেছে, স্থানীয় মানুষের আর্থিক অবস্থার অবনতি, সামাজিক সংকটের বৃদ্ধি, ঐতিহ্যবাহী পেশার বিলুপ্তি, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা, সুপেয় পানির সংকট, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, জীববৈচিত্র্য এবং বাস্তুতন্ত্রের ক্ষয়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি, বিভিন্ন রোগের বিস্তার, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক নেতিবাচক প্রভাব এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো সামনে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিষাক্ত কয়লা বর্জ্য ও ফ্লাই অ্যাশের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ, স্থানীয় মানুষের জন্য বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মোট ৫টি সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শেষের দিকে গণগবেষণায় অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন