প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টঙ্গীতে পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে ছিনতাই হওয়া মাদক মামলার আসামি রাহুলকে ১০ দিন পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই মামলায় মোট আটজন গ্রেপ্তার হয়েছে, যার মধ্যে আরো একজন রয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টঙ্গীর কেরানীর টেক এলাকা থেকে রাহুলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার হওয়া রাহুল (২৭) টঙ্গীর কেরানীর টেক এলাকার আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে। অপর গ্রেপ্তার আসামি আবদুল্লাহ (২২) একই এলাকার আতাউর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কেরানীরটেক মাদক বস্তি থেকে কুখ্যাত মাদক সম্রাজী রানী বেগমের ছেলে পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তার করে। এরপর টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে থানায় নিয়ে আসার সময় মাদক কারবারিরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা রেললাইনের পাথর কুঁড়িয়ে পুলিশের ওপর নিক্ষেপ করলে কনস্টেবল মাসুদ আহত হন এবং এই সুযোগে আসামি ছিনতাই হয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং সারারাত ছিনতাই হওয়া আসামি উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালায়, যার ফলে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আসামি ছিনতাইয়ের ১০ দিন পর রাহুলকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলো। এই মামলায় এখন পর্যন্ত আটজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তারের পর নিয়ে আসার সময় সন্ত্রাসীরা রেললাইনের পাথর কুঁড়িয়ে ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ সময় পাথরের আঘাতে কনস্টেবল মাসুদ আহত হন। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। আজ ছিনতাই হওয়া আসামি রাহুলসহ দুজন গ্রেপ্তার হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন