ঢাকা শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬ইং ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বাং

২৮ মার্চ-২০২৬: আজকের ইতিহাসের এই দিনে


২৮ মার্চ-২০২৬: আজকের ইতিহাসের এই দিনে

আজ শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই চৈত্র, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭হিজরী। ২৮ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৮৭তম (অধিবর্ষে ৮৮তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৭৮ দিন বাকি রয়েছে।


প্রতিদিন ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী একসময় ইতিহাসের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। ভালো-মন্দ, প্রথম ঘটনা কিংবা মানবসভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি ঘটনা ইতিহাসে স্থান পায়। চলুন, এক নজরে দেখে নিই আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এই দিনটি উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকালের প্রায় মাঝামাঝিতে অবস্থিত।

ঘটনাবলীঃ
১৮০০ - আইরিশ পার্লামেন্টে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির আইন অনুমোদিত হয়।
১৮০৯ - ব্যাটল অব মেডেলিনে ফ্রান্স স্পেনকে পরাজিত করে।
১৮৫৪ - ব্রিটেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৩০ - কনস্টান্টিনোপলের নাম ইস্তাম্বুল ও অ্যাঙ্গোরার নাম আঙ্কারা করা হয়।
১৯৩৯ - প্রায় তিন বছর যুদ্ধের পর স্পেনের গৃহযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।
১৯৪১ - সুভাষচন্দ্র বসু গোপন সাবমেরিন যাত্রা শেষে বার্লিন পৌঁছান।
১৯৪২ - রাসবিহারী বসু জাপানের টোকিওতে ভারত স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে ভাষণ দেন। তিনি ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।
১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তাইওয়ান।
১৯৭৩ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লেবানন।
১৯৭৪ - আজকের দিনে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
২০০১ - দিনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কিয়োটো প্রোটোকল থেকে মার্কিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন।
২০১০ - মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল রবি আজিয়াটা কোম্পানি নামে আত্মপ্রকাশ করে।
২০১৯ - ঢাকার বনানীতে এফআর টাওয়ারে আগুন লেগে ২৫ জন নিহত হন।
জন্ :
১৮৬২ - আরিস্টিডে ব্রিয়ান্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রাজনীতিবিদ ও সবেক ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।
১৮৬৮ - রুশ, সোভিয়েত লেখক, সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদী সাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা মাক্সিম গোর্কি।(মৃ.১৯৩৬)
১৯০৭ - প্রগতিশীল লেখক ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেন।(মৃ.১৯৮১)
১৯০৯ - বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি শিল্পী সন্তোষ সেনগুপ্ত। [১](মৃ.১৯৮৪)
১৯২৭ - বীণা মজুমদার, নারীবাদী ও শিক্ষাবিদ।(মৃ.২০১৩)
১৯৩০ -
মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি ধ্রুপদী কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী। (মৃ.২০১২)
জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও একাডেমিক।
১৯৩৬ - মারিও বার্গাস ইয়োসা, নোবেলজয়ী পেরুর লেখক।
১৯৩৭ - ড.পবিত্র সরকার, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক।
১৯৪৯ - লেসলি ভ্যালিয়ান্ট, খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
১৯৬৮ - নাসের হুসেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৭৫ - অক্ষয় খান্না, ভারতীয় অভিনেতা।
১৯৭৯ - শাকিব খান, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, গায়ক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।[২]
মৃত্যুঃ
১২৩৯ - সম্রাট গো-টোবা, জাপান
১৯১৭ - আলবার্ট পিংকহ্যাম রাইডার, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।
১৯৪১ - ইংরাজী ভাষার সাহিত্যিক ভার্জিনিয়া উল্‌ফ। (জ.১৮৮২)
১৯৬৯ - ডোয়াইট্‌ ডি. আইজেনহাওয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম রাষ্ট্রপতি।
১৯৮৫ - মার্ক শাগাল, রুশ চিত্রশিল্পী।
ছুটি ও অন্যান্য
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

আরও পড়ুন: ২৯ মার্চ-২০২৬: আজকের ইতিহাসের এই দিনে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ১০ মার্কিন সেনা আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ এম


সৌদির প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ১০ মার্কিন সেনা আহত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে চালানো এই হামলায় আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। হামলায় বেশ কিছু মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর একদিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানকে “সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস” করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইতিহাসে এত দ্রুত ও কার্যকরভাবে কোনো দেশের সামরিক শক্তিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এক মাসব্যাপী সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৩০০-এর বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাংশই চিকিৎসা নিয়ে আবার দায়িত্বে ফিরেছেন, তবে ৩০ জন এখনও কর্মক্ষম নন এবং ১০ জনের অবস্থা গুরুতর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি উত্তরণে আরও সময় চেয়েছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ এম


এলডিসি উত্তরণে আরও সময় চেয়েছে বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে শুরু হয়েছে। সংস্থাটির ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও আলোচকরা এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তবে বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকলেও তাদের প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে কম।

গত বৃহস্পতিবার চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে সেগুলো হলো- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার, বিনিয়োগ সহায়তা চুক্তিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত করা, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পাবলিক স্টকহোল্ডিংয়ের স্থায়ী সমাধান, অতিরিক্ত মাছ ধরার জন্য ভর্তুকি সীমিত করার চুক্তি এবং ই-কমার্স মোরাটোরিয়ামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ। এ ছাড়া স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এই গ্রুপটির মধ্যে বাংলাদেশের মতো দেশ রয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে।

১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বাংলাদেশ চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে এলডিসি তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএনসিডিপি) কাছে তিন বছরের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এলডিসি থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এটি দেশের উন্নয়ন যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই অর্জন অর্থনীতির শক্তি ও অগ্রগতির প্রতিফলন হলেও, উত্তরণের ফলে কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমাদের রপ্তানির বড় অংশ এলডিসি নির্দিষ্ট বাণিজ্য সুবিধা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিশেষ ও পৃথক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল। এই সুবিধা কমে গেলে রপ্তানি খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হবে। মসৃণ ও টেকসই উত্তরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা, সময় বাড়ানো এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এ ধরনের সহায়তা উত্তরণকারী দেশগুলোকে উন্নয়ন অর্জন ধরে রাখতে, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে সহায়তা করবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। ‘সংস্কারের মাধ্যমে ঐকমত্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বজায় রাখতে হবে, ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতি গ্রহণের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে,’ বলেন তিনি। বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্ণাঙ্গ দ্বিস্তরীয় বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারের ওপরও জোর দিয়েছে। নিয়মভিত্তিক বাণিজ্য ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর, যা সব সদস্য দেশের অধিকার রক্ষা করে, এমনকি ক্ষুদ্র দেশগুলোরও, বলেন মন্ত্রী।

এদিকে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ সংগঠন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যদের এমন ‘সংস্কার’ এজেন্ডা প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছে, যা সংস্থার উন্নয়নমূলক লক্ষ্যকে দুর্বল করতে পারে। আমাদের বিশ্ব বিক্রির জন্য নয় নামের একটি বৈশ্বিক সংগঠন এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈষম্যহীনতার নীতি দুর্বল করতে পারে এবং শক্তিশালী দেশগুলোর প্রভাব বাড়াতে পারে।

তারা আরও বলেছে, এসব সংস্কার এমন একটি শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে পারে যেখানে শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দিতে পারবে। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক নাইজেরিয়ার অর্থনীতিবিদ ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা বলেন, আমাদের সদস্যদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সংস্থাটিকে এগিয়ে নিতে চায়, নাকি ভেঙে দিতে চায়। ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ক্যামেরুনের বাণিজ্যমন্ত্রী লুক-ম্যাগলোয়ার এমবার্গা আটাঙ্গানা। চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়, বাড়তি ভাড়ায় সিএনজি-রিকশায় দুর্ভোগ যাত্রীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ এম


সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়, বাড়তি ভাড়ায় সিএনজি-রিকশায় দুর্ভোগ যাত্রীদের

ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ফিরতি মানুষের ঢল নেমেছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। লঞ্চের যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক মনে হলেও ঘাটে নামার পর থেকেই ভোগান্তি শুরু হয়। বিশেষ করে বাড়তি ভাড়া দাবি করা সিএনজি ও রিকশা চালকদের কারণে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

সরজমিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শুক্রবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার পর থেকে একে একে ভিড়তে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলো।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে, কাঁধে এবং মাথায় ব্যাগ নিয়ে, দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি চোখে নিয়েই ঘাটে নামে যাত্রীরা। তবে ফিরতি যাত্রায় লঞ্চের ভোগান্তি তেমন ছিল না, কিন্তু যাত্রীদের দুর্ভোগ শুরু হয় ঘাটে নামার পর।

অতিরিক্ত যাত্রী এবং ব্যাগপত্র সামলাতে গিয়ে অনেককেই হিমশিম খানিকটা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে প্রিয়জনের সাথে ঈদের সময় কাটানোর স্মৃতি যেন সেই কষ্টকে কিছুটা হলেও ম্লান করে দেয়।

যাত্রীরা বলেছেন, লঞ্চে আসতে কোনো সমস্যা হয়নি, কিন্তু ঘাটে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিপত্তি শুরু হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। কোনো পরিবহন পাচ্ছি না, আর যেগুলো আছে, সেগুলোও অতি বাড়তি ভাড়া চাচ্ছে।

সামাদ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা পরিবার নিয়ে এসেছি, সঙ্গে ছোট বাচ্চা আছে। কিন্তু সিএনজি ও রিকশা চালকরা নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া দাবি করছেন। বাধ্য হয়ে অনেকেই অপেক্ষা করছেন, কেউবা বেশি ভাড়া দিয়েই রওনা হচ্ছেন।’

পরিবহনের সংকটের কারণে অনেক যাত্রীকেই ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। যাত্রীদের অভিযোগ হল, প্রশাসনের তদারকি থাকলে এভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা সম্ভব হতো না। আমরা চাই, দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ভোগান্তি এড়াতে দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তাদের প্রত্যাশা, ঘাট এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি থাকলে ঈদ পরবর্তী এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদের সামনে কঠিন পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ এম


সংসদের সামনে কঠিন পরীক্ষা

তিন ইস্যুতে কঠিন পরীক্ষায় পড়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। এগুলো হচ্ছে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বৈত শপথ, গণভোটের বাস্তবায়ন ও অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ। এ তিন ইস্যু নিয়ে রাজনীতির অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চলছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, যুক্তি-পাল্টা যুক্তি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে রাজপথে নামার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে বিদ্যমান সংবিধান মেনে চলার শর্ত। সব মিলিয়ে এ তিন ইস্যুর সমাধানে জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট নাকি বিদ্যমান সংবিধান, কোনটা বেছে নেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের জোটের মূল বিরোধ।

নবনির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরুতেই এসব ইস্যু নিয়ে মেঘ জমতে শুরু করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা নিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিরোধ। বিশেষ করে ‘গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫’ বাতিল বা বহাল রাখা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দল এখন মুখোমুখি অবস্থানে। সংসদীয় বিশেষ কমিটির দুই দিনের ম্যারাথন বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টির বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ নিয়ে এখনো কোনো সমাধান আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে গণভোট অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ এবং পুলিশ কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ।

বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন জানিয়েছেন, অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ৮টায় পুনরায় বৈঠকে বসবে কমিটি। কমিটিকে ২ এপ্রিলের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা সংশোধন করে, তবে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে জানিয়েছে, তারা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে পারে। শেষ পর্যন্ত আপস নাকি সংঘাত, কোন পথে হাঁটবে সংসদ, তা জানতে ২৯ মার্চের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা দেশ।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোটে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বা সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছিল বড় একটি অংশ। তবে বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এ গণভোট অধ্যাদেশটি বাতিলের প্রস্তাব করেছে। সরকারের যুক্তি হলো, যে রাষ্ট্রপতির আদেশের ভিত্তিতে এ অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল, তার কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এ প্রস্তাবের কঠোর বিরোধিতা করছে। তাদের দাবি, গণভোটের মাধ্যমেই জনগণ তাদের রায় দিয়েছে, তাই এ অধ্যাদেশ বাতিল করা জনগণের ম্যান্ডেটের অপমান।

এদিকে নির্বাচনে জয়ী দলগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এমনকি মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের মতো নজির স্থাপন হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেন। বিদ্যমান সংবিধানে না থাকায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপি ও তাদের শরিকরা। অন্যদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে থাকায় একই সঙ্গে দুই শপথ নিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট। বিষয়টি নিয়ে দুই জোটের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে চলমান সংসদ অধিবেশন উত্তপ্ত হতে পারে। এ নিয়ে দুই জোটের এমপিরা প্রস্তুতিও নিয়েছেন।

সরকারদলীয় দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী (আইন ও স্বরাষ্ট্র) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জুলাই সনদ ও সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। অন্যদিকে বিশেষ কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ‘টু-থার্ড মেজরিটির দোহাই দিয়ে অতীতের সরকার অনেক কিছু করেছে। কিন্তু সেই অহংকার কোনো জাতির জন্য ভালো কিছু বয়ে আনে না। জনগণের স্বার্থপরিপন্থি কোনো বিষয়ে আমরা একমত হব না।’ তিনি বলেন, ‘যে সংস্কার ও বিচারের ম্যান্ডেট নিয়ে এই সরকার এসেছিল, গুম কমিশন বা মানবাধিকার কমিশনের মতো সেই অর্জনগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করা জনগণ মেনে নেবে না। কোনো আইন বেআইনি কি না, তা আদালত নির্ধারণ করবেন। কিন্তু সচল কোনো আইন বা অধ্যাদেশকে একতরফা বাতিল করার প্রস্তাব আমরা গ্রহণ করিনি।’

আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুলাই সনদ আমাদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দলিল। এর ৩ নম্বর পেজের ৬-এর ক ধারা অনুযায়ী, সনদের ৮৪টি আর্টিকেলের মধ্যে ১ থেকে ৪৭ পর্যন্ত অংশ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। যারা একে বাইপাস করে ভিন্ন কোনো আদেশ দিতে চায়, তারা সনদের পরিপন্থি কাজ করছে। আমরা সংবিধান ও জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়েই সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সংবিধান ও জুলাই সনদকে গুরুত্ব দিয়েছি। বিশেষ করে “জুলাই সুরক্ষা”সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশের বিষয়ে সব সদস্য একমত হয়েছেন এবং এগুলো হুবহু সংসদে উপস্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে “জুলাই জাতীয় সনদ” এবং “সাংবিধানিকতা” এ দুই বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫৮
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩২
মাগরিব ০৬:৩০
ইশা ০৭:৪৭
সূর্যোদয় : ০৫:২০ সূর্যাস্ত : ০৬:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%