প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিভারপুলের নামের পাশে হার থাকলেও, বর্তমানে তাদের সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। অলরেডসুলভ মানে। গতকালের ম্যাচের আগে ৪ জয়ের বিপরীতে ৩ ড্র দেখা গেছে। তবে লিভারপুলের দিনে তারা কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা লাস্ক বুঝতে পেরেছে।
লিভারপুল তাদেরই মাঠে লাস্ককে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ৬-৩ গোলের বড় জয়ে যেন নিজেদের ফিরে পেয়েছে তারা। জয়ের রাতে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে রাতের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন ব্র্যাডলি বারকোলা। পিএসজি থেকে ১২৫ মিলিয়ন ইউরোয় কেনা এই ফরোয়ার্ডের ঝলক যেন ফুটে উঠল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বারকোলা এবং ফ্লোরিয়ান ভির্টৎসরা একের পর এক আক্রমণে লাস্কের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখেন। গোলের জন্য ২২ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। প্রতিপক্ষের গোলমুখ খোলেন বার্সেলোনা থেকে ধারে লিভারপুলে আসা ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো। কন্সটান্টিনস সিমিকাসের কর্নার থেকে হেডে লিভারপুলের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করেন এই ডিফেন্ডার।
এরপর শুরু হয় বারকোলা জাদু। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। প্রথম ছয় ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট না পাওয়া বারকোলা যেন আজ প্রয়োজনের সময় জ্বলে উঠলেন।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ফ্লোরিয়ানের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান বারকোলা। বিরতির পর ম্যাচে ফেরার পরিবর্তে উল্টো গোল হজম করে লাস্ক। ৫১ মিনিটে সিমিকাসের ক্রস থেকে হেডে দলের ব্যবধান ৪-০ করেন জেরেমি ফ্রিমপং। ৬৩ মিনিটে অবশ্য লাস্কের হয়ে ব্যবধান কমান রবার্ট লুবিচিচ।
তবে তিন মিনিট পরেই আবার গোল হজম করে লাস্ক। এবার ফ্রিমপংয়ের পাস থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বারকোলা। এটি লিভারপুলের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক। ফিরতি গোলেও অ্যাসিস্ট করেন ফ্রিমপং। তার পাস থেকে গোল করেন লুইস কুমাস। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-১। শেষ দিকে ফ্লোরিয়ান ফ্লেকার ৭৪ ও ৭৭ মিনিটে জোড়া গোল করে কেবল ব্যবধান কমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন