প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ (এনপিএল) কমাতে বিশেষ ‘এক্সিট পলিসি’ চালু করেছে।
এই নীতিমালার লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতে তারল্য পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো এবং এককালীন সমঝোতার মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায় ও সমন্বয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা।
আজ বৃহস্পতিবার জারি করা এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, ব্যবসা, শিল্প অথবা প্রকল্প যেসব কারণে খেলাপি ঋণের আওতায় এসেছে, সেসব ঋণগ্রহীতারা এই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বকেয়া দায় নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণগ্রহীতাকে তার সম্পূর্ণ বকেয়া মূলধন এককালীন পরিশোধ করতে হবে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মূলধনের কোনো অংশ মওকুফ করতে পারবে না। ঋণগ্রহীতার প্রকৃত প্রয়োজন যাচাই হলে সঞ্চিত সুদ মওকুফের সুযোগ থাকবে।
সার্কুলারে বলা হয়, সুদ মওকুফের প্রতিটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ দ্বারা পর্যালোচনা করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালন বিভাগের প্রধানের (এইচআইসিসি) মতামতের ভিত্তিতে অনুমোদন করতে হবে। অনিবার্য ক্ষেত্রে তহবিলের ব্যয় (কস্ট অব ফান্ড) আদায়-সংক্রান্ত শর্তেও শিথিলতা প্রদানের সম্ভবনা থাকতে পারে।
এই বিশেষ সুবিধা ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন্দ বা লোকসান’ শ্রেণিভুক্ত ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ৬ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ সময়ের মধ্যে পুনঃতফসিল করা ঋণও এই সুবিধার আওতায় আসবে।
তবে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, প্রতারণা বা অন্যান্য অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঋণ এই বিশেষ এক্সিট সুবিধার আওতায় নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পমেয়াদি কৃষিঋণ এবং কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ঋণ নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এছাড়া যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের এই সুবিধার বিষয়ে অবহিত করার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি এবং অন্যান্য উপযুক্ত যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারার আওতায় জারি করা এই বিশেষ নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন