প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার নতুন একটি সাম্প্রতিক বাণিজ্যিকতার রূপ দেখা যাচ্ছে। টিকিটের দাম, সম্প্রচার বিজ্ঞাপন এবং স্টেডিয়াম ব্র্যান্ডিংয়ের পর এবার নতুন করে রেফারিং ইউনিটেও যুক্ত হয়েছে স্পনসরশিপের ছোঁয়া। চতুর্থ অফিশিয়ালের পোশাকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে একটি ব্র্যান্ডের লোগো, যা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা ২০২৩ থেকে ২০২৬ অর্থচক্রে বিশাল আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য পূরণে বিশ্বকাপ থেকেই বড় অংশ আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রতিটি সম্ভাব্য জায়গাকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইংল্যান্ডের একটি ম্যাচের সময় প্রথমবার বিষয়টি নজরে আসে। খেলোয়াড় পরিবর্তন ও অতিরিক্ত সময়ের বোর্ড হাতে থাকা চতুর্থ অফিশিয়ালের বগলে স্পষ্টভাবে দেখা যায় একটি ডিওডোরেন্ট ব্র্যান্ডের লোগো। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মতে, খেলাধুলার এমন জায়গায় বিজ্ঞাপন তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।
এছাড়া শুধু পোশাক নয়, অতিরিক্ত সময়, খেলোয়াড় বদল এবং ম্যাচ পরিচালনার বিভিন্ন উপকরণেও বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রধান রেফারি ও সহকারী রেফারিদের ইউনিফর্মে এখনও এমন বিজ্ঞাপন যুক্ত করা হয়নি।
বিশ্বকাপ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো, দল সংখ্যা এবং ম্যাচ সংখ্যার কারণে ইতিমধ্যে আয় ও দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। একদিনেই কয়েক লাখ দর্শকের উপস্থিতি আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে বলেও জানা যায়।
ফিফার পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয় সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। তবে এবার রেফারিং ইউনিট পর্যন্ত স্পনসরশিপ বিস্তৃত হওয়ায় ফুটবলের বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন