প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিট পরীক্ষা বিতর্ক এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি ব্যবস্থার প্রতিবাদে বিরোধীদের বিক্ষোভের কারণে রাজনৈতিক পারদ বর্তমানে তুঙ্গে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে যাওয়া বিরোধীদের এই অবস্থান বিক্ষোভকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার মারাত্মক লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপি সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত।
বুধবার সংসদ ভবন চত্বরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা অভিযোগ জানান, বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ইচ্ছে করেই আন্দোলনকারীদের প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন জনপথে প্রতিবাদ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল, তখন কেন রাহুল গান্ধী আন্দোলনকারীদের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে পরিচালিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছিলেন? আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে এই ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপকে দেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
এছাড়া, নিট ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করে কঙ্গনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এবং এই ঘটনার কারণে তার পদত্যাগের দাবি তোলা সম্পূর্ণ অবান্তর।
অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই এক বিবৃতিতে বিরোধী দলের এই প্রতিবাদকে গণতান্ত্রিক নিয়মনীতির বিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার মতো একটি সাংবিধানিক পদে থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মতো উচ্চ নিরাপত্তার সংবেদনশীল এলাকায় এ ধরনের বিক্ষোভ প্রদর্শন করা শোভা পায় না। সরকার ইতিমধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেও একে ‘ঘোর পাপ’ আখ্যা দিয়ে স্বচ্ছতা ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে নিট পরীক্ষা বাতিল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের পাশাপাশি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে দিল্লি পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয় এবং সাময়িকভাবে আটক করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন